Published : 09 Jul 2025, 09:49 PM
সব প্রস্তুতি শেষ হলে রোজার আগে নির্বাচন আয়োজনের সম্ভাব্য সূচি ধরে এগোনোর যে ঘোষণা দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার তাতে ১৮ থেকে ৩৩ বছর বয়সী তরুণ ভোটারদের ‘আলাদা তালিকা ও বুথ করার’ বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বলেছেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মাদ ইউনূস।
বুধবার নির্বাচনের বিষয়ে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ একটি বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টার এমন নির্দেশনা দেওয়ার কথা পরে রাতে জরুরি সংবাদ সম্মেলন করে তুলে ধরেন তার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
তিনি বলেন, “প্রধান উপদেষ্টা নির্দেশ দিয়েছেন ১৮ থেকে ৩৩ বছর বয়স যাদের, আপনি জানেন যে, এইবার অনেকে নতুন ভোট দেবেন। শেখ হাসিনার তিন তিনটা ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনে কারচুপি হয়েছিল। এই বিশাল আমাদের তরুণ ছেলেমেয়েরা কেউ ভোট দিতে পারেননি।
''উনি (প্রধান উপদেষ্টা) নির্দেশ দিয়েছেন যাতে ১৮ থেকে ৩৩ বছর বয়সীদের পৃথক একটা ভোটার তালিকা করা যায়, সেটা একটু খতিয়ে দেখার জন্য বলেছেন এবং তাদের জন্য যাতে আলাদা ‘ভোটিং বুথ’ রাখা হয় নির্বাচনি কেন্দ্রগুলোতে। সেটা জন্য অবশ্যই লজিস্টিক্যাল একটা বিষয়—সেটা যাতে তারা খতিয়ে দেখেন এটা কীভাবে নিশ্চিত করা যায়।''
বুধবার রাতে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে সাম্প্রতিক কিছু অগ্রগতির বিষয় জানাতে এ সংবাদ সম্মেলনে আসেন তিনি।
সরকার ঘোষিত আগের দুই সম্ভাব্য সময়সীমার কথা তুলে ধরে প্রেস সচিব বলেন, ”প্রধান উপদেষ্টা একটু আগে গুরুত্বপূর্ণ একটি বৈঠক করেছেন। সেখানে স্বরাষ্ট্র ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বিভিন্ন বাহিনীর প্রধানরা ছিলেন।“
দুই ঘণ্টার এ বৈঠকে নির্বাচনের প্রস্তুতির বিষয়গুলো পর্যালোচনা করার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “আজকে অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।
তবে ওই বৈঠকে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি তুলে ধরে উপপ্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বলেন,’’ মূলত প্রধান উপদেষ্টা এই নির্দেশনাগুলো দিয়েছেন। উনার নির্দেশনার আলোকে পরবর্তী সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলো এই প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়ন করবে। ''

বিএনপিসহ আরও কয়েকটি দলের ভোটের পথনকশা প্রকাশের দাবির মুখে কোরবানির ঈদের আগে জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা এপ্রিলের প্রথমার্থে নির্বাচন করার কথা ঘোষণা করেছিলেন। তখনও বিএনপির তরফে এ সময়সীমা নিয়ে আপত্তি তোলা হয়।
পরে লন্ডনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক শেষে যৌথ ঘোষণায় ভোটের সময় এগিয়ে এনে বলা হয়, প্রস্তুতি সম্পন্ন হলে এবং সংস্কার হয়ে গেলে রোজার আগেই নির্বাচন হতে পারে।
তবে এ বৈঠক ও যৌথ ঘোষণা নিয়ে সরকারের সমালোচনায় নামে সরকার পতন আন্দোলনে সামনের সারির নেতাদের দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলটির নেতারা সংস্কার ও অভ্যুত্থানের সময়কার হত্যাকাণ্ডের বিচার শেষ হওয়ার আগে নির্বাচন না দেওয়ার দাবি তুলেছে।
জরুরি এ সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠকের তথ্য তুলে ধরে প্রেস সচিব বলেন, বৈঠকে জানানো হয়েছে ৮ লাখের মত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ভোটের দায়িত্ব থাকবেন। শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন আয়োজনে এসব সদস্যদের প্রশিক্ষণ ডিসেম্বরের মধ্যে নিশ্চিত করার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা।
ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে শান্তিপূর্ণ ভোটের নির্দেশনা
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কীভাবে দায়িত্ব পালন করবে বৈঠকে সে বিষয়ে আলোচনা হওয়ার কথা তুলে ধরে প্রেস সচিব বলেন, “আপনারা জানেন যে সীমান্ত এলাকাগুলোতে কীভাবে পাঠানো হবে এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে কীভাবে হবে, কতজন আনসার থাকবেন, কতজন পুলিশের সদস্য থাকবেন, বিজিবি বা সেনাবাহিনী কীভাবে থাকবেন, স্ট্রাইক ফোর্স হিসেবে কীভাবে থাকবেন–সেগুলো নিয়ে আজকের মিটিংয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
“সেখানে বলা হয়, ৮ লাখের মধ্যে ৫ লাখ ৭০ হাজার হচ্ছেন আনসার এবং ১ লাখ ৪১ হাজার হচ্ছেন পুলিশের সদস্য। বলা হয়েছে ৪৭ হাজারের মত পুলিশ ভোটিং কেন্দ্রে থাকবে এবং তারা অ্যাসেসমেন্ট করে দেখেছেন যে ১৬ হাজারের মত ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।''
ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে কীভাবে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট নেওয়া যায় সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখার নির্দেশনা প্রধান উপদেষ্টা দিয়েছেন তুলে ধরে তিনি বলেন, '' সেটা নিয়ে আজকে অনেক বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। তার মধ্যে কিছু মেজর চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। সেটা হচ্ছে যে, পুলিশের বডি ক্যাম রাখা এবং প্রত্যেকটা কেন্দ্র যাতে সিসিটিভির আওতায় আসে, সেটা একটা নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
“এই সিসিটিভিগুলো যাতে মনিটরিংটাও ঠিকমত হয়। মানে আমি সিসিটিভি লাগালাম, কিন্তু দেখা যাচ্ছে মনিটরিং হচ্ছে না–সে বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিতে বলেছেন এবং খুব এটা নিয়ে কাজগুলো করতে বলেছেন।”
বৈঠকে ভোটের সময় যেসব নির্বাহী হাকিম দায়িত্ব পালন করবেন তাদের ভালোভাবে প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রস্তুত করার নির্দেশনা এসেছে বলে তুলে ধরেন প্রেস সচিব।
তিনি বলেন, “আগে ভোটের সময় চার দিন একটা পুলিশ বা সিকিউরিটি ফোর্স পাঠানো হতো। এবার বলা হচ্ছে যে, এটাকে কীভাবে সাত দিনের করা যায় এবং যাতে করে নির্বিঘ্নে এবং ভোটের আগের কোনো ধরনের সহিংসতাকে যেন এটা প্রতিহত করা যায় এবং ভোটের পরেও যেন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি না হয়।
“নির্বাচনের আগে ডিসি, এসপি, ওসি, টিওএনওদের রদবদল করার কথা বলা হয়েছে এবং এটা কীভাবে করা হবে, এটা একটা দৈবচয়নভিত্তিতে করবে।"
রদবদলের বিষয়ে উপ প্রেস সচিব মুহাম্মাদ আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বলেন, "রদবদলের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে যে কর্মচারী নম্বর দিয়ে লটারির মাধ্যমে দায়িত্বের জন্য নির্বাচিত করা; এই অ্যাপয়েন্টমেন্টগুলো করা যায় কিনা, সেটা ভেবে দেখতে প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, যাতে এই অ্যাপয়েন্টমেন্টগুলোর ক্ষেত্রে কেউ কোনো ধরনের প্রভাব না কাটাতে পারে।''
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে ১৭ হাজার নতুন নিয়োগ
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমানসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রধানদের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার এ বৈঠকে ডিসেম্বরের আগেই নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়া এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে নতুন ১৭ হাজার সদস্য নিয়োগ ও প্রশিক্ষণের বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছেন বলে তুলে ধরেন প্রেস সচিব।
তিনি বলেন, ''প্রথম নির্দেশনা ছিল যে, আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক যত প্রস্তুতি, নির্বাচনকে ঘিরে সব প্রস্তুতি উনি নিতে বলেছেন ডিসেম্বরের মধ্যে। এই ডিসেম্বরের মধ্যে সমস্ত প্রস্তুতি শেষ করতে বলেছেন, বাই ডিসেম্বর।
''এই প্রস্তুতিগুলোর মধ্যে অনেকগুলো বিষয় আছে। যেমন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে ১৭ হাজার নতুন মেম্বার অব সিকিউরিটি ফোর্সেস—পুলিশ, বিজিবি, কোস্টগার্ড নেওয়া হচ্ছে। এই নির্বাচনকে সামনে রেখে তাদের নিয়োগ এবং তাদের প্রশিক্ষণ খুব গুরুত্বপূর্ণ, যাতে এই সময়ের মধ্যে শেষ হয়, সে বিষয়ে উনি নির্দেশ দিয়েছেন।''
প্রধান উপদেষ্টা এখন থেকেই নির্বাচনকে সামনে রেখে যাতে কোনো ‘পাঁয়তারা’ না হয়, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি না হয় সেজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলোকে সামনের কয়েক মাসে কঠোর হওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন বলেও তুলে ধরেন প্রেস সচিব।
’নির্বাচন বাতিলে ইসিকে ক্ষমতায়িত করা’
সংবাদ সম্মেলনে উপ প্রেস সচিব মুহাম্মাদ আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বলেন, ''আরেকটা বিষয় আলোচনা হয়েছে যে, এর আগে আপনারা দেখেছেন যে নির্বাচন কমিশন আমরা গত সরকারের আমলে একটা উপনির্বাচনের সময় দেখেছিলাম যে, নির্বাচন কমিশন একটা সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে নির্বাচনকে পর্যবেক্ষণ করে ওই পুরো একটা আসনের নির্বাচনকে বাতিল করে দিয়েছিল। এর প্রেক্ষিতে পরবর্তীতে আইন সংশোধন করে নির্বাচন কমিশনের এই ক্ষমতাটা খর্ব করা হয়েছে। তারা শুধুমাত্র এখন নির্দিষ্ট কেন্দ্রে নির্বাচন বাতিল করতে পারেন।
“নির্বাচন কমিশনের এই ক্ষমতাটা ফিরিয়ে দেওয়া যায় কিনা–কোনো নির্দিষ্ট আসনে যদি ব্যাপক অনিয়ম হয়, নির্বাচন কমিশন সেই আসনের পুরো নির্বাচনটাকে বাতিল করতে পারে কিনা–সে বিষয়ে আইনের দিকটা খতিয়ে দেখার জন্য প্রধান উপদেষ্টা আজকে উপস্থিত যারা কর্মকর্তা ছিলেন, তাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন।’’
নারী ভোটারদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতেও সভায় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে তুলে ধরেন তিনি।
উপপ্রেস সচিব বলেন, ''আরেকটা বিষয় আলোচিত হয়েছে, গত তিন বিতর্কিত জাতীয় নির্বাচনে যেসব পোলিং ও প্রিসাইডিং অফিসার দায়িত্ব পালন করেছেন, তাদেরকে বাদ দিয়ে এবার যাতে নির্বাচনি কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া যায় কিনা, সেই বিষয়টাও যাতে খতিয়ে দেখা হয়। কারণ, এক্ষেত্রে হয়তো সব সম্ভব না হলেও যত বেশি সম্ভব তাদেরকে বাদ দিয়ে যেন নির্বাচনি কর্মকর্তা নিয়োগের বিষয়টি প্রক্রিয়ায় আনা যায়–সে বিষয়টাও দেখতে প্রধান উপদেষ্টা নির্দেশনা দিয়েছেন।''
উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায় এবং কেন্দ্রীয় পর্যায়েও বিভিন্ন মনিটরিং সেল গঠন করার তথ্য দিয়ে তিনি বলেন, ''যেখান থেকে পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়াটা মনিটর করা হবে এবং সেখানে কোনো অনিয়ম দেখা গেলে, যাতে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নিতে পারে।''
এছাড়া এক থানার পুলিশকে অন্য থানায় দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়েও আলোচনার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, যাতে করে তারা কোনোভাবেই নির্বাচন প্রক্রিয়াটাকে কেউ তাদের দ্বারা প্রভাবিত করতে না পারে।
মিডিয়াকর্মী ও পর্যবেক্ষকদের নিয়েও আলোচনা
ভোটের দিন ইন্টারনেট সচল রাখার বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে তুলে ধরে প্রেস সচিব বলেন, “একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচিত হয়েছে গণমাধ্যমের বিষয়ে। কারণ আমরা অতীতের বিভিন্ন নির্বাচনে দেখেছি যে গণমাধ্যমের নাম করে অনেক সময় দলীয় কর্মীদেরকে নির্বাচনি কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করা হয়। এবার যাদের প্রকৃত গণমাধ্যম যারা আছে, তারাই আসলে দায়িত্ব পালন করতে পারেন–এটার জন্য আগে থেকে কাজ করার কথা বলেছেন।”
নির্বাচনের পর্যবেক্ষকদের নিয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ''এইবারের নির্বাচন নিয়ে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিকভাবে ব্যাপক আগ্রহ আছে। প্রায় ২ লাখ পর্যবেক্ষক এই নির্বাচনে সম্পৃক্ত থাকবেন, এরকম একটা আশা করা হচ্ছে। পর্যবেক্ষকের নামে যাতে কেউ দলীয় কর্মীকে নির্বাচনি কেন্দ্রে পাঠাতে না পারে–এ বিষয়ে সতর্ক থাকার জন্য মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা নির্দেশ দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদেরকে।''
পুলিশের উপর নির্ভরশীল হয়ে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব, আপনার সরকার কী মনে করে? এরকম প্রশ্নে প্রেস সচিব বলেন, ''আমরা সেইজন্যই তো উনি বলছেন, প্রশিক্ষণের কথায় জোর দিয়েছেন। তাদেরকে নিবিড় প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথা বলেছেন।”
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আগের চেয়ে অনেক ভালো তুলে ধরে প্রেস সচিব বলেন, ''আর যেগুলো মবের... আপনি যেগুলো মানে বিশৃঙ্খল জনতা—যেসব ঘটনা ঘটিয়েছে, তাদের বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কিন্তু অ্যারেস্ট হয়েছে। ফরমার সিইসি নুরুল হুদার ক্ষেত্রে দেখেন বা মুরাদনগরের ঘ্টনায় দেখেন–প্রত্যেকটা ক্ষেত্রে কিন্তু পুলিশ খুব দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে। প্রত্যেকটা ক্ষেত্রে পুলিশ গ্রেপ্তার করছে–আপনারাই রিপোর্ট করছেন।আর এগুলো বিষয়ে উনি তো বলেছেন যে আজকের... তো আমরা প্রথমেই বললাম, উনি বলেছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও কঠোর হতে, নির্বাচনকে সামনে রেখে–যারা থাকে।''
এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনী নির্বাহী হাকিমের ক্ষমতা নিয়ে মাঠে আছে–নির্বাচন পর্যন্ত থাকবেন কিনা? এরকম প্রশ্নে প্রেস সচিব বলেন, ''নির্বাচন পর্যন্ত তারা থাকবেন কিনা জানি না, কিন্তু নির্বাচনের সময় সেনাবাহিনী স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে থাকবে।''
ঐক্যমত কমিশনের আলোচনায় ঐকমত্যের বিষয়ে এক প্রশ্নে তিনি বলেন, ''অধৈর্য হইয়েন না। এটা নিয়ে ঐকমত্যের ভিত্তিতে আমরা আশাবাদী–এগুলো প্রত্যেকটা বিষয়ে আলাপ-আলোচনা হবে, এবং একটা খুবই, আমরা বলব যে একটা ভালো শেষ হবে–সবার জন্য গ্রহণযোগ্য একটা।''
এসময় উপস্থিত ছিলেন উপ প্রেস সচিব অপূর্ব জাহাঙ্গীর, সিনিয়র সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহম্মদ।