Published : 30 Aug 2025, 06:51 PM
জাতীয় পার্টির সঙ্গে সংঘর্ষ এবং সংঘর্ষের পর উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দলের সভাপতিসহ কয়েকজন আহত হওয়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছেন গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা।
শনিবার বিকাল ৪টার দিকে ঢাকার বিজয়নগরে আল-রাজী কমপ্লেক্সের সামনের সড়ক অবরোধ করে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা।
সেখানে সড়কের মাঝে টায়ার জ্বালিয়ে দেন আন্দোলনকারীরা। তারা 'একটা একটা জাপা ধর, ধইরা ধইরা জবাই কর’; ‘জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধ কর, করতে হবে করতে হবে’; ‘আমার ভাইয়ের রক্ত কেন, প্রশাসন জবাব দে’সহ নানা স্লোগান দিতে থাকেন।
বিক্ষোভের ফাঁকে সেখানে গণঅধিকার পরিষদের এক নেতা বলেন, "যে কারণে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে, একই কারণে জাতীয় পার্টিকেও নিষিদ্ধ করতে হবে।
“আমাদের দাবি বাস্তবায়নের জন্য সরকার গড়িমসি করছে। কোনো গড়িমসি না করে অতিদ্রুত জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধ করা হোক।”

তিনি বলেন, "আর আমার ভাই, নুরুল হক নুরুসহ যাদের ওপর হামলা হয়েছে, তা পরিকল্পিত। তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।"
শুক্রবার সন্ধ্যায় ঢাকার কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে দিয়ে গণঅধিকার পরিষদের একটি মিছিল যাওয়ার সময় সংঘর্ষে জড়ান উভয় দলের নেতাকর্মীরা।
গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের কাছে দাবি করেন, হামলার প্রতিবাদে জাতীয় পার্টিসহ আওয়ামী লীগের দোসরদের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবিতে রাত সাড়ে ৯টার দিকে তাদের মশাল মিছিলের কর্মসূচি ছিল। সেটি শেষ করে গণঅধিকার পরিষদ কার্যালয়ের সামনে প্রেস ব্রিফিং করতে গেলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী লাঠিপেটা করে।
তিনি বলেন, লাঠিপেটায় নুরুল হক গুরুতর আহত হন। তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
তবে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর—আইএসপিআর বলেছে, ‘শান্তিপূর্ণ সমাধানের সব চেষ্টা অগ্রাহ্য’ হওয়ার পর সেনাবাহিনী সেখানে ‘মব ভায়োলেন্স’ ঠেকানোর জন্য বল প্রয়োগে বাধ্য হয়।
সেনাবাহিনীর পাঁচ সদস্যের আহত হওয়ার কথাও জানায় আইএসপিআর।