Published : 08 Mar 2026, 11:48 PM
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা—যাকে এখন ‘এআই’ বললেই সবাই চিনে। এআই নিয়ে আমাদের নানান জনের নানান ভাবনা রয়েছে। যারা বুঝে বা না বুঝে এআই ব্যবহার করছেন, তারা সবসময় শঙ্কিত থাকেন— না জানি এআই কখন কোন বিপদে ফেলবে! আবার যারা সযত্নে এআই থেকে দূরে থাকছেন, তারাও আফসোস করছেন—না জানি কোথায় কী সুযোগ হারাচ্ছেন!
এআই নামটা আমরা অনেকভাবে অনেক জায়গায় দেখি। এআই নিয়ে অনেক রকম ভাষ্য আছে—এআই আমাদের জীবনযাত্রা আরও উন্নত করবে কিংবা আবার সব ছারখারও করে দিতে পারে। কোনটা সত্য? সম্ভবত দুটাই সত্য। আমরা চাই বা না চাই, ভালো-খারাপের এই চোরাবালিতে আমাদেরকে ভবিষ্যতে চলতে হবে। তাই আস্তে আস্তে আমাদেরকে এআই ব্যাপারটা কিছু কিছু বুঝতেও হবে।
২.
২০২৫ সালের বইমেলায় আমার একটা ছোটগল্প সংকলন বের হয়েছিল। প্রকাশ পাবার পর আমি একটা কপি আমার ছোট মেয়েকে নিউ ইয়র্কে পাঠিয়ে দিলাম। সে খুব রেগে একটা মেসেজ পাঠাল— ‘তুমি যদি সব লেখা বাংলায় বের কর, তাহলে আমরা পড়ব কীভাবে?’ আমি মেয়েকে শান্ত করার জন্য ‘কনীনিকা কনীয়সী’ নামের একটা গল্পের ওয়ার্ড কপি পাঠিয়ে লিখলাম— ‘তুমি ইন্টারনেটে যেকোনো ট্রান্সলেটরে ইনপুট করে তারপর ইংরেজিতে পড়।’
মেয়ে পরের দিন একটা ইমেইল পাঠালো; গল্প পড়ে সে খুব খুশি। লিখল— ‘খুব ভালো হয়েছে।’ গল্পটার চ্যাটজিপিটি-কৃত ইংরেজি ট্রান্সলেশনও আমাকে পাঠিয়ে দিল। ট্রান্সলেশন পড়ে তো আমার আক্কেল গুড়ুম! এটা তো আমার গল্প নয়। আমার গল্পটায় দুই বোন কনীনিকা ও কনীয়সী, যাদের বয়সের পার্থক্য খুব বেশি নয়। কিন্তু বাবা মারা যাওয়ার পর বড় বোনকেই নিতে হলো ছোট বোনের সব দায়িত্ব। গল্পে একটা লাইন ছিল— ‘তবে সৌন্দর্যে তারা দুইজনই একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী।’ চ্যাটজিপিটি এই লাইনটাকে টেনে গল্পটাতে দুই বোনকে রোমান্টিক জগতেরও প্রতিদ্বন্দ্বী বানিয়ে দিল। এই হলো এআইয়ের বাহাদুরি!
আজকাল এআই অনেক লেখালেখি করছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রখ্যাত সংবাদপত্র ‘ওয়াশিংটন পোস্ট’ এর মধ্যে লেখালেখির অনেকগুলো এআই টুলস ব্যবহার করা শুরু করেছে। ওয়াশিংটন পোস্টের সম্পাদক এই নিয়ে প্রথম পাতায় একটা ব্যাখ্যাও দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এত এত তথ্য তাদের সাংবাদিকদের হাতের মুঠোয় এখন রয়েছে যে, এগুলোকে ভালোভাবে ব্যাখ্যা করতে এআই টুলস তাদেরকে সাহায্য করবে। এটা তাদের বর্তমান উদ্দেশ্য। কিন্তু তিনি যেটা বলেননি, সেটাও আমাদের মোটামুটি জানা। এই এআই টুলগুলো সামনে আমাদের জন্য সংবাদ লিখবে এবং ফিচার বানাবে। তাহলে সাংবাদিকেরা কী করবেন? এককালে আমাদের শহরগুলোতে ফুটপাতে বসে টাইপিস্টেরা আমাদের দরখাস্ত ও চিঠিপত্র টাইপ করতেন। তারা এখন কী করেন?
৩.
আসলে এটা অকাট্য সত্য যে, ভবিষ্যতে অনেক পেশার লোক এআইয়ের দৌরাত্ম্যে চাকরি হারাবেন। তার মধ্যে সবচেয়ে হুমকির মুখে লেখালেখির কাজটা। সামনে অনেক লেখালেখি এআই-ই করে দেবে। সৃজনশীল লেখকদের জন্যও সতর্কবার্তা আছে— তাদেরকেও ভবিষ্যতে এআই-এর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে। তবে সেটা আসতে আরও সময় নেবে। অন্য অনেক প্রচলিত বিষয়েও এআই নাক গলাচ্ছে। সংবাদপত্র পড়লে দেখা যাবে, মানুষ এখন রোগ নিরাময়ের জন্য এআই থেকে প্রেসক্রিপশন খুঁজছে। কেউ কেউ আবার ভুল পরামর্শে মৃত্যুবরণও করেছেন।
আমাদের দেশেও এআই টুলস দিয়ে ছবি ও খবর বানিয়ে হরদম অপতথ্য ছড়ানো হচ্ছে। ছাত্ররা এআই কাজে লাগিয়ে হোমওয়ার্ক করছে, রচনা লিখছে এবং পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের উত্তর দিচ্ছে। সম্ভবত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভবিষ্যতের স্লোগান হবে— ‘মেধা না এআই?’
আবার অনেক নতুন দিগন্তও এআই আমাদের সামনে খুলে দিয়েছে। আমরা একটা উদাহরণ দিয়ে বুঝতে চেষ্টা করব— এআই-এর কণ্ঠ ক্লোন বা কণ্ঠ নকলকরণ। কম্পিউটারের তৈরি কণ্ঠের ব্যবহার আমরা আগেও দেখেছি; যেমন: স্বয়ংক্রিয় টেলিফোন ভয়েস, জিপিএস নেভিগেশন ভয়েস নির্দেশনা ইত্যাদি। কণ্ঠ ক্লোন আরও সাহায্যকারী বা বিপজ্জনক হয়ে আমাদের সামনে হাজির হবে। নিচের গল্পটা না পড়লে ঠিক বোঝা যাবে না।
৪.
তরুণীরা তরুণদের বাড়ির দুয়ারে ধরনা দিচ্ছে— বিয়ের স্বীকৃতি বা বিয়ে করার দাবি জানিয়ে। প্রায়ই আমরা এইরকম ঘটনা সংবাদমাধ্যমে দেখি। পাঁচ বছর পরের একটা ঘটনা আমরা এখন কল্পনা করব। করিমা বানুর দাবি— রাহিম মিয়া গ্রামের করিমা বানুকে চুপিচুপি বিয়ে করে সাত দিন পরে দুবাই চলে গিয়েছিলেন। যাওয়ার সময় বলে গেলেন, দুবাই থেকে পরের বার ছুটিতে এসে মা-বাবাকে বলে ঘরে তুলে নেবেন। এক বছর পর দেশে ফিরে এসে রাহিম মিয়া করিমাকে এড়িয়ে চললেন। রাহিম একদিন এক বাহক মারফত জানালো—মা-বাবা এই বিয়ে মেনে নেবেন না।
করিমা বুঝলো তাকে ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে। বিয়ের কাগজপত্র তো সব রাহিমের কাছে। করিমা জানে, কোনো প্রমাণ ছাড়া রাহিমের বাড়িতে ধরনা দিয়ে লাভ হবে না। করিমাও ছাড়ার পাত্রী নন। সে তার মোবাইলে রহিমের সঙ্গে কথাবার্তা বলার সব অডিও-ভিডিও বের করল। বিয়ের কথা কোথাও নেই, সব সাধারণ বন্ধুত্বের কথা— রাহিমের মা-বাবা এইসব মানবেন কেন? এই বয়সের ছেলেমেয়েদের কত বন্ধু থাকে!
করিমা একটা কাগজে রহিমের সঙ্গে বেশ কিছু বিয়ের কথা এবং অন্তরঙ্গ সংলাপ লিখে নিয়ে বনানী ডিএনসিসি সুপার মার্কেটে গেল। ওখানে কত কত লোক কম্পিউটার নিয়ে বসে আছে; কেউ খদ্দেরের জন্য চাকরির দরখাস্ত লিখছেন ওয়ার্ড প্রসেসরে, কেউ স্প্রেডশিট দিয়ে কন্ট্রাক্টরদের বিল বানাচ্ছেন। সেখানে আরও আছে এআই টুল ‘ভয়েস ক্লোন’, যা দিয়ে কণ্ঠস্বর নকল করা যায়। করিমা একজন কম্পিউটার অপারেটরকে বুঝিয়ে বলল সে কী চায়। কাগজে লেখা রহিমের কথোপকথনের ফিরিস্তিটা করিমা অপারেটরকে দিয়ে এগুলো রহিমের কণ্ঠস্বরে রেকর্ডিং করে দিতে বলল।
— ‘কোনো সমস্যা নাই আপা। কাগজটা দিন, আর ওই লোকের কথাবার্তার চারটা স্যাম্পল লাগবে।’
১০ মিনিটে সব রেডি। অপারেটর রাহিম মিয়ার কথার ক্লোন রেকর্ডিংটা করিমাকে শুনালো। — ‘খুব ভালো হয়েছে ভাই। তবে কিছু কথা ঠিক ওর গলার সঙ্গে মিলছে না।’ — ‘কোনো সমস্যা নাই আপা, ঠিক করে দেব। আরও তিন-চারটা স্যাম্পল লাগবে। আর টাকাও একটু বাড়িয়ে দিতে হবে।’
কাজ হয়ে গেল। আটটা স্যাম্পল রেকর্ডিং দিয়ে করিমা পেয়ে গেল প্রয়োজনীয় কথাগুলো— রহিমের মুখে। এই আদর-আহ্লাদ আর বিয়ের পরের সোহাগের কথাগুলো রাহিম যে কতবার কতভাবে তখন বলেছিল! করিমা তখন রেকর্ড করে রাখেনি। এখন এইসব রেকর্ড হাতের মুঠোয়, হুবহু রহিমের গলায়। তাছাড়া দুই বন্ধু সাক্ষীও আছে। করিমা বনানী থেকে বাস ধরে সোজা গ্রামে চলে গেল; শুরু হলো বিয়ের স্বীকৃতির জন্য রহিমের বাড়িতে ধরনা। পরদিন পত্রিকাতে সেই খবর ছাপা হলো।
রহিমের বাবা আর ‘না’ করে কীভাবে? রহিমের বউকে ঘরে তুলে নেওয়ার আয়োজন চলতে থাকল। করিমার কথা যদি সত্য হয়, তাহলে ‘ভয়েস ক্লোন’ এআই টুলটা সত্যি খুব উপকারী। কিন্তু যদি বিয়ের ব্যাপারটা মিথ্যা হয় বা করিমাদের একটা ফাঁদ হয়, তাহলে রাহিমদের মতো ছেলেদের বিরাট সর্বনাশ হয়ে যেতে পারে। আবার এআই টুল দিয়ে ছেলেরাও মেয়েদেরকে ফাঁদে ফেলতে পারে।
৫.
এই ‘ভয়েস ক্লোন’ টুল সমাজের অনেক জায়গায় বেশ বিঘ্নও ঘটাতে পারে। যেমন— আদালতে মিথ্যা সাক্ষী, কণ্ঠস্বর নকল করে ইন্টারনেটে অন্যদের নামে মিথ্যা কথা ছড়ানো ইত্যাদি। আবার এর ভালো ব্যবহারও অনেক আছে। সিনেমার শুটিংয়ের পর আমরা শুনি ছবি রিলিজ পাচ্ছে না মাসের পর মাস, কারণ নায়ক-নায়িকা ডাবিং-এর জন্য সময় দিতে পারছেন না। প্রযোজক মাথায় হাত দিয়ে বসে আছেন। নকল কণ্ঠস্বর সমাধান করতে পারে এই সমস্যার। নায়ক-নায়িকার কথার কিছু স্যাম্পল নিয়ে আসেন, এআই করে দেবে ডাবিং। ডাবিংয়ের টুল আরও উন্নত মানের হতে হবে, যেখানে ইমোশন বা কান্না এইসব ঢুকানো যাবে। এই উদাহরণগুলো দিয়ে আমরা চেষ্টা করেছি এআই-য়ের ভালো ও খারাপ দিক বুঝাতে।
৬.
এআই কী? এআই হলো ‘আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের’ সংক্ষিপ্ত রূপ; যাতে কম্পিউটারের ক্ষমতা দিয়ে এমন সব কাজ করা যাবে, যা মানুষের বুদ্ধিমত্তা দিয়েও এত সহজে করা কখনো সম্ভব হবে না। মানুষ এতটুকুন মাথায় একসঙ্গে বেশি তথ্য নিয়ে চিন্তা করতে পারে না এবং যুক্তি দিয়ে কাজ করতে কম্পিউটারের তুলনায় অনেক বেশি সময় নেয়। সেই তুলনায় কম্পিউটার অনেক তথ্য জোগাড় করে খুব অল্প সময়ে সেগুলো বিশ্লেষণ করতে পারে। তাই ‘এআই’ মানুষের জন্য খুব দ্রুত সমস্যা সমাধান এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে। সেই সিদ্ধান্ত উপকার করবে না অপকার করবে, কিংবা এআই-য়ের সিদ্ধান্ত সত্যিই ভালো কি না— এইসব নিয়ে আমাদেরকে যাচাই-বাছাই করতে হবে।
এখন প্রশ্ন হলো, কম্পিউটার এত সব কাজ কীভাবে করে? আজকালকার দিনের কম্পিউটারে অনেক তথ্য সংগ্রহ করে রাখা যায়। যারা বড় বড় কম্পিউটার বিজ্ঞানী, তারা এমন সব উন্নত তথ্য অনুসন্ধান এবং সমস্যা সমাধান পদ্ধতি বা ফ্রেমওয়ার্ক লিখেছেন, যা দিয়ে কম্পিউটার সহজে যেকোনো কাজের জন্য সত্যিকার প্রয়োজনীয় তথ্যগুলো বের করে আনতে পারে এবং তাদেরকে কাজে লাগাতে পারে।
এইসব তথ্যের পাহাড় ঘেঁটে এআই সিস্টেম নিজেই মানুষের মতো যুক্তি ও বুদ্ধির অনুকরণ করতে পারে, যেটাকে বলা হয় 'সেলফ লার্নিং'। ওপেন-এআই, গুগল-এআই— এগুলো হলো এআই ফ্রেমওয়ার্ক। এইসব ফ্রেমওয়ার্ক ব্যবহার করে অন্যরা নানা ধরনের অ্যাপ্লিকেশন বের করতে পারবে। যেমন— চ্যাটজিপিটি একটা এআই অ্যাপ্লিকেশন; এর ভিত্তি হলো ওপেন-এআই ফ্রেমওয়ার্ক।
৭. আবার একটা উদাহরণ দিই— কবিতা ও গল্প নিয়েই উদাহরণ। আগেই বলেছি, ভবিষ্যতে কম্পিউটার গল্প ও কবিতা লিখবে এআই ফ্রেমওয়ার্ক ব্যবহার করে। কেউ অ্যাপ্লিকেশন বের করবেন, নাম ধরুন— ‘গল্প লেখার যন্ত্র’। সেইসব যন্ত্রে গল্প লিখে তা প্রকাশ করার জন্য পত্রিকায় পাঠানো হবে। সম্পাদক পছন্দ করলে সেগুলো ছাপানো হবে এবং এতে নকল লেখকের অর্থ আয় হবে। বই প্রকাশ করে জনপ্রিয়তা পেলে তো লাভের ওপর লাভ।
কিন্তু এআই কীভাবে গল্প লিখবে? আপনি আমি কীভাবে গল্প লিখতে শিখেছি? আমরা গত দশ-বিশ বছর ধরে কত কত গল্পের বই পড়েছি। একটা ধারণা জমে গেছে প্রেমের গল্প কেমন হবে কিংবা বিরহের গল্প কেমন হবে। ভাষাও আমরা পড়তে পড়তে শিখেছি। কম্পিউটারও তাই। যারা এআই-তে গল্প লেখার সিস্টেম তৈরি করবেন, তারা এমনভাবে প্রোগ্রাম করবেন যেন কম্পিউটার একসঙ্গে অনেক অনলাইন স্টোরেজ বা ইন্টারনেট থেকে বইপত্র ও গল্প ঘেঁটে নিজে খুব অল্প সময়ে শিখে ফেলবে গল্প লেখা। কম্পিউটারের নিজস্ব কোনো বুদ্ধিসুদ্ধি নেই; এর ভেতরে কাজ করবে সব মানুষের তৈরি গল্প লেখা পদ্ধতি বা অ্যালগরিদম, যা দিয়ে কম্পিউটার শিখে ফেলবে কেমন হবে গল্পটা। প্রেমের গল্প? অনেক মিষ্টি মিষ্টি কথা থাকবে। ট্র্যাজেডি? অনেক কান্নাকাটি থাকবে নিশ্চয়ই। এখন নিশ্চয়ই আপনারা কিছুটা ধারণা করতে পারছেন যে— আসলে এআই মানুষের লেখা গল্প থেকে শিখেই নিজেরা গল্প লিখবে।
আমি চেষ্টা করেছি টেকনিক্যাল ব্যাপারগুলোকে এড়িয়ে এআই নিয়ে একটা ধারণা দিতে। টেকনিক্যাল ব্যাপারগুলো সাধারণ লোকদেরকে কখনো বুঝতে হবে না। কিন্তু এআইকে ভবিষ্যতে এড়ানো যাবে না। এআইয়ের ভালো দিক, খারাপ দিক, ভালো অ্যাপ্লিকেশন, খারাপ অ্যাপ্লিকেশন—এইসব সম্বন্ধে আমাদের যত বেশি ধারণা থাকবে, আমরা ততই ফাঁদ এড়িয়ে এআইকে আমাদের নানান কাজে লাগাতে পারব।
সালেহ উদ্দিন আহমদ শিক্ষক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক