Published : 22 May 2025, 09:42 PM
সংস্কার মানে কী? সংস্কার মানে ভুল, দুর্নীতি, বা অসন্তোষের সংশোধন ও উন্নতি— অন্তত আমি এভাবেই শব্দটিকে অনুভব করি। এবার একটু দেখে নেয়া যাক জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সংস্কার ও আধুনিকায়ন কার্যক্রমের মূলনীতিগুলো:
১. আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কর আইন সংস্কার ও যুগোপযোগী রাজস্ব নীতি প্রণয়ন;
২. করের আওতা বাড়িয়ে রাজস্ব আয় উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি;
৩. রাজস্ব সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে করদাতার উপস্থিতি ও দলিল নির্ভর পদ্ধতি কমিয়ে কর প্রদানের ব্যয় হ্রাস;
৪. আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর তথ্য ভাণ্ডারের দক্ষ বিশ্লেষণ এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি ব্যবহারের মাধ্যমে গতানুগতিক নিরীক্ষার পরিবর্তে বুদ্ধিভিত্তিক নিরীক্ষা চালু;
৫. জাতীয় পর্যায়ে একটি দক্ষ রাজস্ব ব্যবস্থাপনার জন্য ট্যাক্স একাউন্টিং নেটওয়ার্ক প্রর্বতন, যার মাধ্যমে সঠিকভাবে কর পরিশোধ, আদায় সংক্রান্ত তথ্যাদি যথাসময়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসমূহের যথা– জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বাংলাদেশ ব্যাংক, অর্থমন্ত্রণালয় এবং করদাতাগণের সঙ্গে যথাসময়ে সমন্বয় করা সম্ভব হয়;
৬. একটি প্রশাসনিক এবং আইনি কাঠামো (ফ্রেমওয়ার্ক) তৈরি করা, যা নিরপেক্ষ ও সঠিক উপায়ে সরকারের ন্যায্য রাজস্ব আদায়ে সাহায্য করবে এবং একই সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা বাণিজ্যকে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় টিকিয়ে রাখবে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সংস্কার নিয়ে কোনো পক্ষেরই কোনো আপত্তি নেই। এটা অকস্মাৎ উদ্ভূত কোনো প্রসঙ্গও নয়। দীর্ঘদিনের আলাপ ও চাওয়া এই সংস্কার, যা নিয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড নিজেও কাজ করছিল। তাহলে যে ব্যাপারটায় কারোরই কোনো আপত্তি নেই, ওই ব্যাপারেই দেশ তোলপাড় করা এমন আন্দোলন বা কলম বিরতি কেন? উপদেষ্টার সঙ্গে সমঝোতা বৈঠকের ব্যর্থতা নিয়ে সংকট আরও গভীরে নিপতিত কেন? জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের প্রতিষ্ঠার শুরু থেকে বর্তমান সমস্যা-সংকটময় সময় পর্যন্ত ধারাবাহিকতা বিশ্লেষণ করে বিদ্যমান সংকটের স্বরূপ ও কারণ উদঘাটন এবং এর সমাধানের জন্য কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণ অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।
যদিও রাজস্ব বোর্ড বিলুপ্তির অধ্যাদেশে ‘প্রয়োজনীয় সংশোধন’ হবে বলে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। এখনো স্পষ্ট কোনো রূপরেখা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে নমনীয় হচ্ছে বলেই মনে করা যাচ্ছে।
শতবর্ষ পুরোনো এই প্রতিষ্ঠান জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। ১৯২৪ সালে ভারতীয় উপমহাদেশে ‘সেন্ট্রাল বোর্ড অব রেভিনিউ’ গঠনের ধারাবাহিকতায় ১৯৭২ সালে কর ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ ও বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশে গঠিত হয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (জারাবো)। শুরুর বছর ১৯৭২-৭৩ অর্থবছরে জারাবো রাজস্ব আহরণ করেছিল ১৬৬ কোটি টাকা। যাত্রা শুরুর ওই অর্জন গড়ে ১৪ শতাংশ বার্ষিক প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রাজস্ব আয় করেছে ৩,৬২,৭৯৮ কোটি টাকা। তথাপি সরকারের অতি-মূল্যায়িত জিডিপির কারণে কর-জিডিপির অনুপাত কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় পৌঁছাতে পারেনি। ফলত এর জেরে জারাবোর সাফল্য বা অর্জনকে খাটো করে দেখবার একটা জুতসই গাণিতিক পরিপ্রেক্ষিত সৃষ্টি হয়েছে।
কর-জিডিপির অনুপাত বর্তমানে ৭.৪ শতাংশকে, যা এশিয়ার মধ্যে অন্যতম সর্বনিম্ন। ১০ শতাংশে উন্নীত করার একটা লক্ষ্যমাত্রা আপাত দৃশ্যমান বিবেচনায় জারাবোর কর্মক্ষমতা ও সাফল্যকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। জিডিপির প্রকৃত সংখ্যার অনুপাতে যদিও জারাবোর অর্জন গ্রহণযোগ্যতার নাগাল সীমানার আরও কাছাকাছি হতে পারত। তথাপি রাজস্ব আয় বৃদ্ধি এবং আধুনিকতর ও গতিশীল রাজস্ব ব্যবস্থা দেশের উন্নয়নের প্রশ্নে অত্যন্ত জরুরি।
সকল আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় রাজস্ব সংগ্রহ ও প্রশাসনের জন্য একটি স্বাধীন, পেশাদার ও জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠান আবশ্যক। পৃথিবীর সব দেশেই এ ধরনের স্বতন্ত্র সংস্থা আছে। বাংলাদেশে এই প্রতিষ্ঠানটিই জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের অধীনে পরিচালিত হয়ে আসছে। ১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতি আদেশ নং ৭৬-এর সূত্র ধরে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব জারাবোর চেয়ারম্যান ও প্রশাসনিক প্রধান। ফলত জারাবোর অধীনে নিয়োগপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তারই প্রতিষ্ঠানটির শীর্ষ পদে আসীন হওয়ার সুযোগ ছিল না আদি থেকেই। ফলশ্রুতিতে নিজস্ব (হোম গ্রোন) কোনো সিইও বা শীর্ষ অধিকর্তা না থাকার আক্ষেপ এই প্রতিষ্ঠানে প্রায় ছয় দশকের দীর্ঘশ্বাস। ওই দীর্ঘশ্বাসের কফিনে শেষ পেরেকটি ১২ মে ২০২৫ তারিখে জারাবোকে দুই ভাগে ভাগ করার ব্যাপারে জারি করা অধ্যাদেশের কয়েকটি নীতিমালা। যার ফলে এবার শুধু শীর্ষপদ নয়, আরও অন্যান্য পদেও জারাবোর বাইরের অন্য বিভাগ থেকে নিয়োগের নীতিমালা অনুমোদিত হয়েছে।
১৯৯৩ সালে এই সংস্কার প্রসঙ্গটি আলাপে আসে আইএমএফের পরামর্শের সূত্র ধরে। ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে আইএমএফ এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহের চাপ বাড়ে। রাজস্ব নীতি বিভাগ ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ— জারাবোর এই দুই শাখাকে এক ছাদের নিচে একই টিম হয়ে কাজ করার নেতিবাচক প্রসঙ্গগুলো ঘিরে জারাবোর সক্ষমতা বৃদ্ধি ও উৎকর্ষের লক্ষ্যে এই পরিবর্তনের আলাপ জোর পেতে থাকে।
বিপরীতে এটাও সত্যি যে রাজস্ব নীতি প্রণয়ন যদি রাজস্ব ব্যবস্থাপনা থেকে সংযোগ বিচ্ছিন্ন একটা দ্বীপে পরিণত হয়, তাহলে ওই নীতিমালা তার প্রয়োগ সাফল্যের দেখা পেতে পারে বাস্তবতার বাইরে শুধু কোনো দৈবচক্র বা অলৌকিকের ওপর নির্ভরশীল হয়েই। আবার এ কথাও ঠিক যে, একই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানেই দুটো কাজই সম্পাদন করার ক্ষেত্রে অপকৌশল আরোপ ও চর্চার সুযোগ তৈরি হয়।
ধ্রুব সত্য এই যে, ‘ঢেঁকি স্বর্গে গেলেও ধানই ভানবে’, যেমন একটা কফি মেকার কখনোই গম থেকে আটা তৈরি করতে পারঙ্গম হবে না। একটা দুর্নীতি-নিমজ্জিত দেশে ও প্রশাসনিক কাঠামোতে রাষ্ট্রই যখন পারসেন্টেজ কালচারের ভেলায় চড়ে পথ পাড়ি দিয়েছে দীর্ঘকাল, তখন বস্তুকে অণু-পরমাণু অবধি ভাগ করেও জিন থেকে অপঃকে সরাতে পারা যাবে না।
সর্বান্তকরণ সদিচ্ছা নিয়েও একজন সেরা কার্ডিওলজিস্ট যেমন বিচারপতির কাজ তো দূর কর্কট রোগের চিকিৎসায়ও সফল হতে পারার সম্ভাবনা নেই, অলৌকিক বা দৈবের আশীর্বাদপুষ্ট না হলে। তেমনি সুপারিশে ন্যূনতম সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রগুলো, তথা কাস্টমস, ভ্যাট ও আয়কর বিভাগে ন্যূনতম ২০ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কর্মকর্তাকেই নীতি বিভাগে নিয়োগের সুপারিশ উপেক্ষা করে সার্ভিস ক্যাডারের যে কোনো শাখা থেকে পদায়নের নীতিমালা যে শঙ্কার জন্ম দেয়; ওই প্রেক্ষিতে অনিশ্চিত ও বিভ্রান্ত কর্মক্ষেত্রের ভবিষ্যৎ দেখে হাজার হাজার কর্মকর্তা ও কর্মচারী বিচলিত হবে না, প্রতিবাদ করবে না— এমনটা অবান্তর।
অন্তর্বর্তী সরকারের পথচলার শুরুতেই সংস্কার সম্পর্কিত কমিটি গঠন করা হয়। গত বছরের শেষে তারা রিপোর্টও পেশ করে। ওই রিপোর্ট যথাযথ বিবেচনায় না নিয়ে, প্রকাশ না করে, তাকে পাশ কাটিয়ে মনগড়া সংস্কারের ভিত্তি যদি হয় মার্কিন কোনো রাজ্যের কর প্রশাসন নীতি ও পদ্ধতি, তাহলে প্রতিবাদ জোরাল হবে, এটাই যৌক্তিক। ছয় দশকের ধারাবাহিকতা পালটে সংস্কার করার ক্ষেত্রে আড়াল-আবডাল, কমিশনের রিপোর্ট উপেক্ষা, হাজার হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারীর মত ও অভিজ্ঞতা নাকচ করে রাতের আঁধারে অধ্যাদেশ জারি সংশ্লিষ্ট জারাবো জনশক্তি শুধু নয়, সাধারণ মানুষের মনেও প্রশ্নের উদ্রেক করছে। সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন নীতি গবেষণা ও বাণিজ্য সভাসদ (চেম্বার) এই প্রসঙ্গে তাদের শঙ্কা ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, করে যাচ্ছেন।
উদ্ভুত পরিস্থিতিতে কেবল নিজেদের ভবিষ্যৎ নয়, রাষ্ট্রের সংকট নিরসনে কলম বিরতি অযাচিত বলার কোনো সুযোগ আছে কী! এর ফলে দেশে রাজস্ব আয় শুধু নয়, আমদানি-রপ্তানি সংকটের পাশাপাশি আরও বিবিধ জটিলতার সৃষ্টি হলে এর দায় এমন রাতের আঁধারে জনসম্পৃক্তি উপেক্ষা করা অধ্যাদেশ জারি করা কর্তৃপক্ষের উপরই বর্তায়। সংকট নিরসনে জারাবোর ১৩ সদস্যের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে কর্তাব্যক্তিদের সমঝোতা সভা তাই অতীব গুরুত্বপূর্ণ সমাধানের দরজা হিসেবে সর্বসাধারণের কাছে বিবেচিত হলেও, কর্তাব্যক্তিরা এই প্রতিনিধিদলের কথা বলার পর্যাপ্ত সুযোগটুকুও দেননি। সভায় বস্তুত আলোচনা নয়, অধ্যাদেশ বহাল রাখার সিদ্ধান্তই শুধু পুনর্ব্যক্ত করেন। সঙ্গত কারণেই তা জারাবোর সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যারপরনাই হতাশ ও অপমানিত করেছে। সংস্কার শব্দটির যথার্থতা বর্জিত বলে চিহ্নিত হচ্ছে ঘোষিত ‘সংস্কার অধ্যাদেশ’।
গোটা প্রক্রিয়া দেখে মনে হচ্ছে, রাজস্ব আয়ের পথ ও পন্থাকে গতিশীল ও আধুনিক করতে এবং রাজস্ব আয়ে প্রবৃদ্ধি ঘটাতে নয়, অন্য কোনো অজ্ঞাত উদ্দেশ্যেই যেন এই অধ্যাদেশ জারি করা। যেখানে প্রাক্তন জারাবো প্রধানদের বক্তব্যও বিবেচনা বা গুরুত্বে আনার প্রয়োজন বোধ করেননি সভায় উপস্থিত কর্তৃপক্ষ। তাহলে এই সভাটিরইবা আয়োজন কেন? সংস্কার কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশ করতে বাধাটি আসলে কোথায়? এই সংস্কার কমিটি তো ছিল এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারেরই করা। সংস্কার মানে তাহলে আসলে কী দাঁড়াচ্ছে? সকল স্টেকহোল্ডারের মতামত ও পরামর্শকে উপেক্ষা করে নীতি বা সিদ্ধান্ত আরোপ করে আসলে কী বাস্তবায়ন হবে শেষ অব্দি?
পরিস্থিতি ক্রমাগত প্রশ্নের উদ্রেক করেই যাচ্ছে। কর্তারা যেন সতর্কতার সঙ্গে জনসম্পৃক্তি ও অন্তর্ভুক্তিমূলক পথ-পদ্ধতি থেকে দূরে সরেই থাকতে চাইছেন। কিন্তু কেন? প্রশ্ন জাগছে, প্রকৃত পরিস্থিতি সম্পর্কে কি আদৌ বিস্তারিত অবগত ছিলেন কর্তৃপক্ষ? না থাকলে ওই দায় কার? ভুল, দুর্নীতি, অসন্তোষজনক ইত্যাদি সমস্যাগুলোর সমাধান এবং উন্নতি বা সংশোধন করাটাই যদি ‘সংস্কার’ হয় তাহলে এর জন্য জনমুখী ও ইতিবাচক অন্তর্ভুক্তিমূলক পথ ও পন্থা এড়িয়ে স্বৈরাচারী পদ্ধতিতে অধ্যাদেশ চাপিয়ে দেয়া কেন?
রাজস্ব নীতিতে নির্দিষ্ট রাজস্ব খাতে অভিজ্ঞদের অন্তর্ভুক্তির পথ কণ্টকিত করে রাজস্ব নীতি ও প্রয়োগে সাফল্য কোন পথে আসবে, ওই বিতর্ক বা আলাপ এড়ানোর কোনো যুক্তি নেই। আন্তঃক্যাডার বিরোধের সমাধানকল্পে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের বিষয়গুলো পুনর্বিবেচনা প্রয়োজন। বাজেট ও রাজস্ব আহরণের গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়ায় গতিশীলতা, দ্রুত সিদ্ধান্ত, সংকটের সমাধান ও তথ্য সংরক্ষণ বাস্তবসম্মতভাবে করতে হলে জারাবোকে দেশের রাজস্ব কাঠামোর প্রতিবন্ধকতা বিবেচনা করে যৌক্তিক পদ্ধতি গ্রহণ করতে হবে। এ দায়িত্ব জারাবোর শীর্ষ পদের উপর। তাই প্রতিষ্ঠানের ভিতর ও বাইরে সবারই অঙ্গুলি নির্দেশ তারই দিকে।
সকলে আশাবাদী যে, তিনি বাস্তবতা ও কল্যাণমুখী বিবেচনায় অন্তর্ভুক্তিমূলক সিদ্ধান্ত নিয়ে অভ্যন্তরীণ জনশক্তির অপসারণের দাবি নাকচ করবেন এবং রাষ্ট্রের পক্ষে সঠিক মতামত নিশ্চিত করবেন। অধ্যাদেশের প্রয়োজনীয় পুনর্বিবেচনাগুলো নিশ্চিত করে সত্যিকারের সংস্কার রাজস্ব আয়কে গতিশীল করতে বাস্তবিকভাবে সক্রিয় ও সচল হোক অতি শীঘ্র— এটাই সকল অংশীজনদের দাবি ও আকাঙ্ক্ষা। নীতিপদ্ধতি আমদানি বা আরোপ নয়, কর্মক্ষেত্রে লব্ধ বাস্তব অভিজ্ঞতাকে ভিত্তি ও অবলম্বন করেই হোক সংস্কার।