২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩

শরতের গৃহসজ্জায় স্নিগ্ধতা ও উষ্ণতা ফুটিয়ে তোলার আধুনিক ধারা

পুরো বাড়ি আমূল বদলে না ফেলে, শুধু কিছু মনকাড়া পরিবর্তনেই ঘরে মিলবে শরতের ছোঁয়া।

লাইফস্টাইল ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 28 Sep 2026, 06:00 PM

Updated : 28 Sep 2026, 05:28 PM

ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে মনের চাহিদাতেও এক ধরনের পরিবর্তন আসে। বিশেষ করে গ্রীষ্মের তীব্রতা শেষে শরৎ এবং আসন্ন শীতের আমেজ শুরু হলে, ঘরের ভেতরে বেশি সময় কাটাতে পছন্দ করেন অনেকেই।

এই সময়ে বাড়ির প্রতিটি কোণকে আরও বেশি আরামদায়ক ও উষ্ণ করে তোলার একটি তাগিদ অনুভব হয়।

এই সময়ে বাড়ির প্রতিটি কোণকে আরও বেশি আরামদায়ক ও উষ্ণ করে তোলার একটি তাগিদ অনুভব হয়।

গৃহসজ্জা ও জীবনধারা বিষয়ক ওয়েবসাইট ‘রিয়েল সিম্পল’-এ প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয় যে, ২০২৬ সালের এই শরতের ডিজাইন ট্রেন্ড বা গৃহসজ্জার ধারাগুলো মূলত কোনও বড় ধরনের কাঠামোগত পরিবর্তন ছাড়াই ঘরে এক ধরনের স্নিগ্ধ, আরামদায়ক ও আভিজাত্যপূর্ণ পরিবেশ ফুটিয়ে তোলার ওপর জোর দিচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টেরিয়র ডিজাইন স্টুডিও ‘ডেট ইন্টেরিয়রস’-এর প্রধান গৃহসজ্জাবিদ মলি টরেস পোর্টনফ এবং ‘কেট হার্টম্যান ইন্টেরিয়রস’-এর কেট হার্টম্যান-এর নান্দনিক পর্যালোচনা অনুযায়ী, এই শরতের প্রথম প্রধান ধারা হল ‘ডার্ক অ্যান্ড মুডি হিউজ’ বা গাঢ় ও গম্ভীর রংয়ের ব্যবহার।

ঘরের দেয়াল বা ব্যাকগ্রাউন্ডে হালকা রংয়ের পরিবর্তে রিচ বারগান্ডি, চকলেট ব্রাউন বা নেভি ব্লু-র মতো গাঢ় রং ব্যবহার করলে, মনে এক ধরনের গভীর প্রশান্তি ও উষ্ণতার জন্ম দেয়, যা ২০২৭ সাল পর্যন্ত ধারার ক্ষেত্রে আধিপত্য বিস্তার করবে।

দ্বিতীয়ত, যুক্তরাষ্ট্রের ‘গ্রে ওক স্টুডিও’-এর প্রতিষ্ঠাতা ডিজাইনার লিয়াহ হুক জানান, এই মৌসুমে ‘সাম্পচুয়াস ভেলভেট’ বা মখমল কাপড়ের রাজকীয় প্রত্যাবর্তন ঘটছে।

সোফার কভার, কুশন বা জানালার পর্দায় মেরুন বা ‘ফরেস্ট গ্রিন’ রংয়ের ভেলভেট কাপড় যুক্ত করলে, ঘরকে মানসিকভাবে অনেক বেশি আরামদায়ক করে তোলে, যা মোটা উলের বোনা বা বুদবুদ ফেব্রিকের চেয়ে অনেক বেশি ক্লাসিক ও যুগোপযোগী।

এই ডিজাইনারদের মতে, ঘরের আসবাবপত্রে নান্দনিকতার পাশাপাশি ব্যবহারিক সুবিধাও নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।

যুক্তরাষ্ট্রের ডেনভার কলোরাডো’তে অবস্থিত ‘সি২ ডিজাইন কোং’-এর প্রতিষ্ঠাতা করিন একলে বলেন, “রান্নাঘর বা লিভিং রুমে এখন এমন বসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে যা পরিবার ও বন্ধুদের একসঙ্গে দীর্ঘ সময় আড্ডা দিতে উৎসাহিত করে।”

এছাড়া ঘরকে বৈচিত্র্যময় করতে নতুন ধারায় যুক্ত হয়েছে প্রাকৃতিক পাথর বা ন্যাচারাল স্টোনের তৈরি কফি বা ডাইনিং টেবিল।

মার্কিন ইন্টেরিয়র ডিজাইনার ক্লেয়ার জিনেকার-এর মতে, সম্পূর্ণ নতুন আসবাবপত্র না কিনে, বরং সময় বা ঐতিহ্যের গল্প বলে এমন কিছু অ্যান্টিক বা ভিন্টেজ শো-পিস এবং বিভিন্ন ছোট-বড় প্যাটার্ন ও প্রিন্টের লেয়ারিং ব্যবহার করলে ঘরে একটি বনেদি ও চিরচেনা আভিজাত্য ফুটে ওঠে, যা মনকে নিমেষেই প্রফুল্ল করে তোলে।

পুরানো খবর:

শরতে ঘরের সাজে আরামের ছোঁয়া
ঘরের সাজে দেশীয় কারুকাজ
বাথরুমে যে চার রং ব্যবহার না করাই ভালো