২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

ক্যানবেরায় মাতৃভাষা স্মৃতিসৌধের নকশা করে সম্মাননা পেলেন মনির

নকশা ও নান্দনিক উপস্থাপনের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়।

ক্যানবেরায় মাতৃভাষা স্মৃতিসৌধের নকশা করে সম্মাননা পেলেন মনির

সম্মাননা নিচ্ছেন স্থপতি মনিরুজ্জামান মিয়া।

নাইম আবদুল্লাহ, সিডনি থেকে

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 25 Oct 2026, 02:23 PM

Updated : 25 Oct 2026, 02:23 PM

অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী ক্যানবেরায় ‘বিডিএএ ন্যাশনাল ডিজাইন অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬’-এর চূড়ান্ত পর্বে কমেন্ডেশন অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশি স্থপতি মনিরুজ্জামান মিয়া।

সিডনির ক্যাম্পবেলটাউনে প্রস্তাবিত আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা স্মৃতিসৌধের নকশা ও নান্দনিক উপস্থাপনের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়।

শনিবার সন্ধ্যায় ক্যানবেরার ন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত এক গালা ডিনার ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে এ ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

‘হাউজিং, ইনোভেশন অ্যান্ড বিজনেস রেজিলিয়েন্স’ শিরোনামে ২২ থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত চার দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত এই ডিজাইন ফেস্টিভাল ও জাতীয় ডিজাইন অ্যাওয়ার্ডসের আয়োজনে অস্ট্রেলিয়া ও এর বাইরে থেকে আসা স্থপতি ও শিল্প বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন।

‘বিল্ডিং ডিজাইন অ্যাসোসিয়েশন অফ অস্ট্রেলিয়া’ (বিডিএএ) প্রতিবছর এই জাতীয় ডিজাইন অ্যাওয়ার্ডসের আয়োজন করে থাকে। অস্ট্রেলিয়ার শীর্ষস্থানীয় বিল্ডিং ডিজাইনার ও এনার্জি অ্যাসেসরদের জাতীয় প্ল্যাটফর্মে স্বীকৃতি দেওয়া, তাদের কাজের উৎকর্ষ উদযাপন এবং মূলধারার সামনে তুলে ধরাই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য।

পাশাপাশি সমসাময়িক আবাসন সংকট, স্থায়িত্ব, আধুনিক নির্মাণপদ্ধতি এবং প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের সঙ্গে পেশাদারদের পরিচয় করিয়ে দিতে আয়োজিত হয় ‘ন্যাশনাল ফেস্টিভাল অব ডিজাইন’।

নির্মাণ প্রতিষ্ঠান ‘ভিউ-ডি’-এর প্রিন্সিপাল ডিজাইনার এবং ‘সাবকন্টিনেন্ট ফ্রেন্ডস অব ক্যাম্পবেলটাউন’-এর সদস্য মনিরুজ্জামান মিয়া পেশাগত নকশাশিল্পের পাশাপাশি মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষা, ভাষাগত ঐতিহ্য এবং সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য সংরক্ষণে দীর্ঘকাল ধরে কাজ করে যাচ্ছেন।

তার এই সাফল্যে অভিনন্দন জানিয়েছেন ক্যাম্পবেলটাউন সিটি কাউন্সিলের ডেপুটি মেয়র মাসুদ চৌধুরী। এক বার্তায় তিনি জানান, “এই সম্মাননা কেবল একটি একক নকশার জন্য পুরস্কার নয়, বরং এটি বিভিন্ন সম্প্রদায়ের সাংস্কৃতিক পরিচয় তুলে ধরা এবং সব মাতৃভাষার ঐতিহ্য সংরক্ষণের পথে একটি সুদূরপ্রসারী পদক্ষেপ।”