Published : 26 Aug 2022, 04:49 PM
বাবার আইনি অভিভাবকত্বের অর্গল থেকে মুক্তি মিলেছিল গতবছর, এবার মুক্তি পেল ব্রিটনি স্পিয়ার্সের নতুন গান।
ছয় বছর পর প্রকাশিত হল এই পপ তারকার নতুন সংগীত ‘হোল্ড মি ক্লোজার’।
স্যার এলটন জন আর ব্রিটনি স্পিয়ার্সের এই যুগল সংগীত শুক্রবার স্ট্রিমিং সাইটগুলোতে প্রকাশিত হয়েছে বলে জানিয়েছে বিবিসি।
গানটি প্রকাশের আগে স্পিয়ার্স বলেন, “আমাদের সময়ের সবচেয়ে ধ্রুপদী শিল্পীদের একজনের সাথে গাইলাম, এটা দারুণ ব্যাপার।
"আমি আসলে অভিভূত... আমার কাছে এটা অনেক বড় ব্যাপার!"
টাইনি ড্যান্সার, দ্য ওয়ান এবং ডোন্ট গো ব্রেকিং মাই হার্ট- এলটন জনের এই তিনটি হিট গান সামার ফ্রেস ক্লাব বিটে ফেলে তৈরি হয়েছে ‘হোল্ড মি ক্লোজার’।
বিবিসি লিখেছে, পুরো ট্র্যাক একসঙ্গে গেয়েছেন এ দুই তারকা। দীর্ঘ সময় পর ব্রিটনি স্পিয়ার্সের কণ্ঠে বড় কোনো পরিবর্তন এসেছে কি না, বাদ্যের সঙ্গে তাদের জোড়া কণ্ঠ শুনে তা বোঝার উপায় ছিল না।
তবে গানের মাঝখানে তার সেই ট্রেডমার্ক ‘বেইবি’ উচ্চারণে মনে হয়েছে, এই ছয় বছরে তার কণ্ঠ আর পরিপক্ক হয়েছে, আরও গভীরতা পেয়েছে।
গত বছর ডুয়া লিপা আর এলটন জনের ডুয়েট ‘কোল্ড হার্ট’ পেয়েছিল বিশ্বজোড়া খ্যাতি, সংগীতের দিক দিয়ে ‘হোল্ড মি ক্লোজার’কে সাজানো হয়েছে সেই একই কায়দায়।
বিবিসি লিখেছে, স্যর এলটন প্রথম এ গানের পরিকল্পনা করেছিলেন সলো ট্র্যাক হিসেবে, পরে তিনি ভাবলেন, ব্রিটিনি স্পিয়ার্সের অতি চেনা কণ্ঠই হবে এ গানের জন্য সবচেয়ে মানানসই। গত গ্রীষ্মে এলটন জন যখন প্রস্তাব দিলেন, সঙ্গে সঙ্গেই ‘হ্যাঁ’ বলেছিলেন ব্রিটিনি।
গত সপ্তাহে এ গানের প্রমো প্রকাশ করে এলটন জন বলেছিলেন, “ব্রিটনি স্পিয়ার্সের সাথে কাজ করার সুযোগ পেয়ে আমি ভীষণ রোমাঞ্চিত। সে একজন সত্যিকারের আইকন, সর্বকালের সেরা পপ তারকাদের একজন। এর এ গানের রেকর্ডেও সে দারুণ করেছে। আমাদের যুগল কাজ নিয়ে আমি উচ্ছ্বসিত।”
বাবার টানা ১৩ বছরের আইনি অভিভাবকত্ব থেকে গত বছর নভেম্বরে মুক্তি মেলে ব্রিটনির। ওই ১৩ বছর তাকে জীবনের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণের মধ্যে থাকতে হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হয়ে বাবার বিরুদ্ধে অভিযোগ করে নিজের অর্থ, কর্মজীবন এবং ব্যক্তিগত জীবনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতা ফিরে পান তিনি ।
ভক্তরা চাইছিল, সংগীতেও ফিরে আসুক ব্রিটনি। প্রতুত্তরে তিনি বলেছিলেন, “ব্যক্তিগতভাবে আমার জীবনে ভয়ঙ্কর যে ঘটনাগুলো ঘটেছে, সে বিষয়ে কোনো ধারণা তাদের নেই। আমি আসলে এখন মানুষ আর কাজ নিয়ে ভয় পাই!"