Published : 20 Nov 2025, 09:52 PM
র্যাম্পের আলো ঝলমলে দুনিয়া পেরিয়ে এবার সিনেমার পর্দায় নিজের পরিচয় তৈরি করছেন ভারতীয় অভিনেত্রী ও সাবেক মিস ইউনিভার্স ইন্ডিয়া ভার্তিকা সিং।
‘হক’ দিয়ে হিন্দি সিনেমায় পা রাখা অনেকটা স্বপ্নের মত ভার্তিকার কাছে। ভার্তিকার সেই আবেগময় মুহূর্তগুলো ছবিতে তুলে ধরা হলো।

ক্যামেরার সামনে আসা ভার্তিকা সিংয়ের জন্য নতুন নয়, কিন্তু বড় পর্দায় নিজের প্রথম উপস্থিতি নিয়ে উচ্ছ্বসিত তিনি।

জংলি পিকচার্সের ‘হক’ সিনেমা দিয়ে ভার্তিকার এই যাত্রা শুরু হয়েছে। সুপর্ণ ভার্মা পরিচালিত সিনেমায় অভিনয় করে দর্শক-সমালোচকের প্রশংসা পেয়ে আপ্লুত এই মিস ইউনিভার্স ইন্ডিয়া।

সম্প্রতি ফিল্মফেয়ার ম্যাগাজিনকে এক সাক্ষাৎকারে ভার্তিকা অভিনয়জগতে অভিষেক নিয়ে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেছেন। ভার্তিকার ভাষ্য, “এখনো সবকিছু অবিশ্বাস্য লাগে, ছোটবেলায় এমন সব মুহূর্তের স্বপ্ন দেখতাম, এখন যখন সব সত্যি ঘটে গেল তখন কিছুক্ষণ চুপ করে বসে নিজেকে আত্মস্থ করার চেষ্টায় আছি। আর এমন মুহূর্তে গর্ব, আনন্দ আর বিস্ময় সব অনুভূতি একসঙ্গে আসে।”

সত্তর দশকের গল্পে সায়রা চরিত্রে দেখা গেছে ভার্তিকাকে। ‘হক’ সিনেমার গল্প সেই সময়ের সমাজ-বাস্তবতা থেকে উঠে এসেছে। সত্য, ন্যায়বিচার এবং নারীর কণ্ঠ- এই তিনে মিশে তৈরি হয়েছে সিনেমার আবহ।

এই চরিত্র করার কারণ জানিয়ে ভার্তিকা বলেন, “সায়রার সরলতা আমাকে আকর্ষণ করেছে। সে খুব জোরে কথা বলে না, কিন্তু সে অনেক কথা বলে নীরবে। তার শক্তিটা নীরব কিন্তু খুব গভীর।”

প্রথম চলচ্চিত্রে অভিজ্ঞ দুই তারকা ইমরান হাশমি ও ইয়ামি গৌতমের সঙ্গে কাজ করা, শেখার এক দারুণ সুযোগ ছিল বলে মনে করেন ভার্তিকা।

গেল ৭ নভেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে ‘হক’ সিনেমা। মুক্তির পর দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা আরও সাহসী করে তুলেছে বলে জানিয়েছেন ভার্তিকা।

ভার্তিকা বলেন, “এমন প্রতিক্রিয়া পাওয়া আমার জন্য সত্যিই আশীর্বাদ, অভিনেতা হিসেবে এই প্রশংসা আমাকে সাহসী করে তোলে। মানুষ যখন সিনেমা দেখে চরিত্রটি অনুভব করে পারে, তখন প্রচেষ্টাটা সার্থক মনে হয়।”

ভার্তিকা সিংয়ের জন্ম ভারতের উত্তর প্রদেশের লখনউতে। ২০১৯ সালের মিস ডিভা ইউনিভার্সে বিজয়ী হন এই তারকা। একই বছর মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতায় অংশ নেন এবং সেরা ২০ এ জায়গা করে নেন।