Published : 03 Oct 2025, 10:24 AM
অজানার পথে বেরিয়ে ওরাঁও গ্রামের সংস্কৃতি আর ভালোবাসায় মিশে যান এক আলোকচিত্রী। তেমনই এক গল্পে ১৫ বছর আগে ‘ঊনাদিত্য’ নির্মাণ করেছিলেন রাজীবুল হোসেন।
বিভিন্ন উৎসবেও ঘুরে এসেছে সিনেমাটি। কিন্তু সিনেমার ‘হার্ডডিস্ক চুরি হয়ে যাওয়ায়’ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি দিতে পারেননি নির্মাতা।
এবার সেই প্রতীক্ষার অবসান হচ্ছে, বড় পর্দায় আসছে ‘ঊনাদিত্য’।
পরিচালক রাজীবুল হাসান গ্লিটজকে বলেন, “২০০৯ বা ২০১০ সালের দিকে আমি তখন একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতাম। সেসময় সিনেমার হার্ডডিস্ক চুরি হয়ে গিয়েছিল। এরপর আমার কাছে কোনো কপি ছিল না। ফলে তা আর কোথাও পাঠানো বা দেখানো সম্ভব হয়নি।”
সিনেমাটি নতুনভাবে রিমাস্টারিং করে দর্শকের সামনে নিয়ে আসার পরিকল্পনা করেছেন নির্মাতা। এর মধ্যে প্রকাশ্যে এসেছে ট্রেইলার।

রাজীবুল বলেন, “ঊনাদিত্য বাংলাদেশের ডিজিটাল মাধ্যমে নির্মিত প্রথম দিকের সিনেমা। সম্প্রতি নতুন করে রি-মাস্টারিং করা হয়েছে। ঊনাদিত্য সিনেমাটি দর্শক এখন ফাইভ-কে রেজল্যুশনে ৫ দশমিক ১ ডিজিটাল ডলবি সাউন্ড সিস্টেমে দেখতে পারবে।”
'ঊনাদিত্য' সিনেমার কাহিনী এগিয়েছে তরুণ আলোকচিত্রী খালিদ সৈকতকে ঘিরে। এক অজানা পথে বেরিয়ে তিনি পৌঁছে যান ওরাঁও সম্প্রদায়ের গ্রামে। সেখানে পরিচয় হয় অরুণ খালকোর সঙ্গে, যিনি জন্মসূত্রে ওরাঁও হলেও ধর্মান্তরিত হয়ে স্থানীয় চার্চে দায়িত্ব পালন করেন।
সিনেমার বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন রুনা খান, সমু চৌধুরী, মাহদী মইনুল, রাকীবুল হোসেন, জয় রাজ, নওশের ও রানাসহ অনেকে।
'ঊনাদিত্য' সিনেমার কাহিনী ও চিত্রনাট্য লিখেছেন হাবিব জাকারিয়া। সম্পাদনা করেছেন সামীর আহমেদ, সঙ্গীতায়োজন করেছে ‘যাযাবর’ (আফজাল হোসেন তামিম, দেজাউল রাসেল ও নীলকণ্ঠ)।
প্রযোজনা করেছে এশিয়ান ইন্সটিটিউট অব মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশন বাংলাদেশ।
সিনেমাটি ২০০৮ সালে দ্বিতীয় সাউথ এশিয়ান ফিল্ম ফেস্টিভাল ইন্ডিয়া, ২০০৯ সালে থার্ড আই এশিয়ান ফিল্ম ফেস্টিভাল এবং একই বছর হিউম্যান রাইটস ফিল্ম ফেস্টিভালে প্রদর্শিত হয়েছে।