খাল-নদীর জায়গার স্থাপনা ভাঙার হুঁশিয়ারি চট্টগ্রাম মেয়রের

“বর্তমান জলাবদ্ধতার জন্য সিডিএরও দোষ নাই, সিটি করপোরেশনেরও দোষ নাই,” বলেন সাংসদ লতিফ।

চট্টগ্রাম ব্যুরোবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 26 Jan 2024, 11:14 AM
Updated : 26 Jan 2024, 11:14 AM

খাল-নদী দখল করে নগরীতে গড়ে ওঠা স্থাপনা ভেঙে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র এম রেজাউল করিম চৌধুরী। 

তিনি বলেন, খাল-নালা দখল করার কারণে পানি প্রবাহের স্বাভাবিক পথ না থাকলে শুধু প্রকল্প করে জলাবদ্ধতা নিরসন সম্ভব নয়। 

সোমবার নগরীর ষোলশহর চিটাগাং শপিং কমপ্লেক্স চত্বরে আয়োজিত করমেলায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন মেয়র। নাগরিকদের জন্য তার দরজা সবসময় খোলা বলেও জানান তিনি। 

তিনি বলেন, “চট্টগ্রামের যে জলাবদ্ধতা তা নিরসনে সরকার প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে। তবে কোন প্রকল্পই সফল হবে না যদি না জনগণ সচেতন আচরণ না করেন। নগরীতে পানি উঠলে অনেকে অস্থির হয়ে যান। আবার পানি নামলে জলাবদ্ধতার কষ্টের কথা ভুলে যান। এবং খাল-নালা দখল করে স্থাপনা নির্মাণ শুরু করেন।” 

প্রকল্পের কাজ নিজস্ব গতিতে চলবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বন্ধ করে যেসব স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে তা ভেঙ্গে দেওয়া হবে। 

কর সহনীয় করতে নেওয়া পদক্ষেপ সম্পর্কেও কথা বলেন মেয়র।

তিনি বলেন, “আমি দায়িত্ব গ্রহণের পর দেখলাম গৃহকরের ভ্যালুয়েশন নিয়ে জনগণ আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। দায়িত্ব নিয়েই জনগণকে করের বোঝা থেকে মুক্তি দিতে প্রতিটি ট্যাক্স সার্কেলে গণশুনানির আয়োজন করেছি। জনগণের বক্তব্য শুনে, যাচাই করে আপিল করা করদাতাদের গৃহকর সহনশীল পর্যায়ে এনে দিয়েছি।” 

জাতীয় স্থানীয় সরকার দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এ করমেলায় উদ্বোধকের বক্তব্যে সংসদ সদস্য এম এ লতিফ বলেন, “বর্তমান জলাবদ্ধতার জন্য সিডিএরও দোষ নাই, সিটি করপোরেশনেরও দোষ নাই। চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা মূলত প্রকৃতির প্রতিশোধ। আগে চট্টগ্রামে ৭০টি খাল ছিল। খোলা জমি-মাঠ ছিল। প্রায় সব বেদখল হয়ে গেছে। ২০০ ফুট চওড়া খাল দখল হতে হতে ২০ ফুটে পরিণত হয়েছে।” 

(প্রতিবেদনটি প্রথম ফেইসবুকে প্রকাশিত হয়েছিল ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩ তারিখে: ফেইসবুক লিংক)