Published : 20 Aug 2024, 01:10 PM
চট্টগ্রামে সদ্য সাবেক মেয়র এম রেজাউল করিমের বাসভবনে হামলার সময় সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে পথচারী শহীদুল ইসলাম শহীদের মৃত্যুর ঘটনায় মামলা করেছে পরিবার।
নগরীর চান্দগাঁও থানায় সোমবার রাতে নিহতের ভাই শফিকুল ইসলাম মামলাটি করেন বলে জানান ওসি জহিদুল কবির।
তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, মামলায় আট জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ৩০/৪০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলায় একজন ছাড়া অন্যসাত জনের পরিচয় উল্লেখ করা হয়েছে আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাকর্মী হিসেবে।
প্রধান আসামি করা হয়েছে মহিউদ্দিন ফরহাদ নামে এক ব্যক্তিকে, যার পরিচয় উল্লেখ করা হয়েছে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা।
অন্যান্যদের মধ্যে আসামি করা হয়েছে- জালাল ওরফে ড্রিল জালাল (৪২), ফরিদ (৪২), সরকারি সিটি কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি তাহসিন, এইচ এম মিঠু (৪০), জাফর (৩৮), ফিরোজ (৩৮) ও দেলায়ার (৪০)।
গত ৩ অগাস্ট বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন চলাকালীন সময়ে নিউ মার্কেট মোড়ে সমাবেশ করে ছাত্র জনতা। সমাবেশ শেষে মিছিল নিয়ে যাবার পথে ষোলশহর মেয়র গলিতে সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের বাসভবনে হামলার ঘটনা ঘটে।
এরপর বহদ্দারহাট এলাকায় সিটি মেয়র এম রেজাউল করিমের বাসভবনেও হামলার ঘটনা ঘটে। সিটি মেয়রের বাসভবনে হামলার সময় গুলিবিদ্ধ হন পথচারী শহীদুল ইসলাম শহীদ। পরে তাকে বেসরকারি একটি হাসপাতালে ভর্তি করানো হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
৩ অগাস্ট আওয়ামী লীগ নেতাদের বাসায় হামলার পাল্টায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, নগর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন, বর্তমান আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহর বাসায় হামলার ঘটনা ঘটে।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ৩ অগাস্ট সন্ধ্যায় আসামিরা বহদ্দারহাট মোড়সহ আশপাশের রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে হাতে লাঠিসোঁটা ও অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে।
এসময় বহদ্দারহাট কাঁচাবাজার থেকে বাজার করে বাসায় ফেরার পথে বহদ্দার বাড়ি জামে মসজিদের সামনে বিবাদীদের এলোপাথারি গুলিতে আহত হন শহীদ। পরে তার মৃত্যু হয়।
চট্টগ্রামে সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে প্রাণ গেল পথচারীর