Published : 26 Jan 2026, 09:27 PM
চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শন করেছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল।
সোমবার প্রতিনিধি দলটি সেখানে গেলে বন্দরের অগ্রগতি তাদের কাছে তুলে ধরেন বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান।
আগের বিভিন্ন সময়ের অনিয়ম, শ্রম অসন্তোষ, বিভিন্ন চাপসৃষ্টিকারী গ্রুপের আধিপত্য, অগ্নি দুর্ঘটনা ও ডিজিটাইজেশনে বাধাসহ বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে যুগোপযোগী সংস্কার করা হয়েছে বলে জানান বন্দর চেয়ারম্যান।
তিনি বলেন, এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার ফলে চট্টগ্রাম বন্দরে হ্যান্ডলিং রেকর্ড, জাহাজের ‘টার্ন অ্যারাউন্ড টাইম’ হ্রাস, ‘ডুয়েল টাইম’ হ্রাস, ‘পোর্ট লিমিট’ বৃদ্ধি, সর্বাধিক মুনাফা অর্জন, পানগাঁও আইসিটি ও লালদিয়া কন্টেইনারে বিদেশি অপারেটর নিয়োগ, বে-টার্মিনাল ও মাতারবাড়ি বন্দর প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন ডিজিটাইজেশনসহ বিভিন্ন বিষয়ে অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এস এম মনিরুজ্জামান বলেন, মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর ও বে-টার্মিনাল চালু হলে বন্দরটি বিশ্বের অন্যান্য বন্দরের সঙ্গে সরাসরি জাহাজ চলাচল ও প্রতিবেশী দেশের মালামাল পরিবহনের মাধ্যমে ‘দক্ষিণ এশিয়ার নৌ-বাণিজ্য হাবে’ পরিণত হবে, যা দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে।
তিনি চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে আমদানি করা ‘রেফার কন্টেইনার সংরক্ষণে’ ‘কোল্ড চেইন ইন্ডাস্ট্রি’ স্থাপনের ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের আগ্রহকে স্বাগত জানান।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “মার্কিন রাষ্ট্রদূত চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং বন্দরকে আরও দক্ষ, আধুনিক ও বিশ্বমানের বন্দর হিসেবে গড়ে তুলতে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।”
এসময় ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের ইকোনমিক ইউনিট চিফ মিশেল প্যান্নেল, কমার্সিয়াল কাউন্সেলর পল ফ্রস্টসহ বন্দরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।