১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

ছয় দিনের মাথায় এসে নিভল এস আলম সুগার মিলের আগুন

আগুনে ক্ষতির পরিমাণ এবং উৎস তদন্তের পর জানা যাবে, বলছে ফায়ার সার্ভিস।

ছয় দিনের মাথায় এসে নিভল এস আলম সুগার মিলের আগুন

ফাইল ছবি

চট্টগ্রাম ব্যুরো

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 10 Mar 2024, 12:20 AM

Updated : 10 Mar 2024, 12:24 AM

অগ্নিকাণ্ডের ছয় দিনের মাথায় পুরোপুরি নিভেছে চট্টগ্রামের এস আলম রিফাইন্ড সুগার মিলের আগুন।

শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে কর্ণফুলী নদীর তীরে এস আলম গ্রুপের মালিকানাধীন ওই চিনিকলের গুদামের আগুন সম্পূর্ণরূপে নির্বাপনের ঘোষণা দেয় ফায়ার সার্ভিস।

আগ্রাবাদ ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক দীনমনি শর্মা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, আগেই আগুন প্রায় আগুন নিভে আসলেও কয়েকটি পকেটে রয়ে গেছিল। সেকারণে আগুন পুরো নির্বাপণের ঘোষণা করতে দেরি হয়। সার্বিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার পর শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে পুরোপুরি নিভেছে নিশ্চিত হওয়ার কথা বলা হয়। 

তিনি বলেন, আগুনে ক্ষতির পরিমাণ এবং আগুনের উৎস তদন্ত সাপেক্ষে বলা যাবে।

এস আলমের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল ওই গুদামে এক লাখ টনের মতো অপরিশোধিত চিনি ছিল।

পুরানো খবর:

৫ দিনের মাথায় উৎপাদনে ফিরছে এস আলমের চিনিকল

পুরানো খবর:

চট্টগ্রামে চিনির বাজারে গুদাম পোড়ার আঁচ

পুরানো খবর:

অগ্নিকাণ্ডের প্রভাব চিনির বাজারে 'পড়বে না': এস আলম গ্রুপ

পুরানো খবর:

পোড়া চিনির বর্জ্য দূষণে কর্ণফুলীতে ভেসে উঠছে মাছ

পুরানো খবর:

চট্টগ্রামে চিনির গুদামে আগুন: পরিবেশের ক্ষতি নিরূপণে কমিটি

সবশেষ ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট আগুন নির্বাপনের কাজ করছিল বলে জানান দীনমনি শর্মা।

সোমবার বিকাল ৪টার কিছু আগে কর্ণফুলী নদীর তীর ধরে গড়ে ওঠা এস আলম রিফাইন্ড সুগার মিলের অপরিশোধিত চিনির একটি গুদামে আগুন লাগে।

কর্ণফুলী থানাধীন ইছানগরের মইজ্জারটেকে অবস্থিত মিলটি পাঁচ দিন পর শনিবার থেকে ফের উৎপাদনে আসে।

Image

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী থানার ইছাপুর এলাকায় সোমবার বিকালে এস আলম রিফাইন্ড সুগার মিলের গুদামে আগুন লাগে।

অগ্নিকাণ্ডের দিন থেকে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন পুরোপুরি নির্বাপনের চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন। সোমবার রাতে আগুন লাগার সাড়ে ছয় ঘন্টার মাথায় নিয়ন্ত্রণে আনার কথা বলা হয়।

এস আলমের ওই সুগার মিলের দৈনিক পরিশোধন ক্ষমতা ২২০০ টন। সেখানে আরও চারটি গুদাম এবং মূল কারখানা থাকলেও আগুনের আঁচ সেখানে লাগেনি।

এদিকে পুড়ে যাওয়া গুদামের অপরিশোধিত চিনির গলিত বর্জ্য পাশের কর্ণফুলী নদীতে পড়ে দূষণ সৃষ্টি করছে। সোমবার বিকাল থেকেই নদীর দুই তীরে ভেসে উঠছে মাছ ও বিভিন্ন জলজ প্রাণী।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পোড়া চিনির বর্জ্যের কারণে নদীর পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন কমে গেছে। সে কারণে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন না পেয়ে মাছ ও বিভিন্ন জলজ প্রাণী ভেসে উঠছে। 

পরিবেশ দূষণের বিষয়টি সামনে আসার পর বৃহস্পতিবার পরিবেশ অধিদপ্তর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ওই ঘটনায় পরিবেশের ক্ষতি নিরুপণের জন্য পাঁচ সদস্যের কমিটি করার কথা জানায়। কমিটিকে সাত কর্মদিবসের মধ্যে সুপারিশসহ তদন্ত প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। 

পুরানো খবর:

এস আলমের পোড়া চিনির ‘লাভা’ যাচ্ছে কর্ণফুলীতে

পুরানো খবর:

এস আলম সুগার মিলের আগুন সাড়ে ৬ ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে

পুরানো খবর:

এস আলমের গুদামে পুড়ল ‘লাখ টন’ চিনি