Published : 15 Feb 2026, 09:00 PM
প্রথম তিন বল অফ সাইডে খেলে গ্যাপ খুঁজে পেলেন না আভিশেক শার্মা। পরের বল তিনি উড়িয়ে মারতে চাইলেন লেগ সাইডে, কিন্তু ঠিকমতো টাইমিং হলো না। মিড অনে সহজ ক্যাচ মুঠোয় জমালেন শাহিন শাহ আফ্রিদি। ভারতীয় ওপেনার নাম লেখালেন অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ডে।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের হাইভোল্টেজ ম্যাচে রোববার চার বল খেলে শূন্য রানে ফেরেন আভিশেক।
কলম্বোয় ম্যাচের প্রথম ওভারে পাকিস্তান অধিনায়ক সালমান আলির দ্বিতীয় বলে ইশান কিষান এক রান নিয়ে স্ট্রাইক দেন আভিশেককে। অফ স্পিনারকে টানা তিনটি ‘ডট’ খেলার পর, উইকেট উপহার দেন ২৫ বছর বয়সী বাঁহাতি ওপেনার।
আসরে ভারতের প্রথম ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে আভিশেক প্রথম বলে শূন্য রানে আউট হয়েছিলেন। পেটের সংক্রমণের কারণে তিনি খেলতে পারেননি পরের ম্যাচে নামিবিয়ার বিপক্ষে। চির প্রতিদ্বন্দ্বীদের বিপক্ষে ফিরে আবার তেতো স্বাদ পেত হলো তাকে।
টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বর ব্যাটসম্যান আভিশেক এবারই প্রথম খেলছেন বিশ্বকাপে। নিজের প্রথম দুই ম্যাচেই তিনি আউট হলেন শূন্য রানে।
আইসিসির পূর্ণ সদস্য দলগুলোর মধ্যে ভারতের প্রথম ও বিশ্বের দ্বিতীয় ক্রিকেটার হিসেবে এই অভিজ্ঞতা হলো তার।
প্রথম এই নজির গড়েন বাংলাদেশের ইমরুল কায়েস। ২০১০ বিশ্বকাপে নিজের প্রথম দুই ম্যাচে শূন্য রানে আউট হন তিনি পাকিস্তান ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। বিশ্বকাপে আর কখনও খেলার সুযোগ পাননি এই বাঁহাতি ওপেনার।
ভারতের সাবেক পেসার আশিস নেহরাও বিশ্বকাপে তার প্রথম দুই ইনিংসে শূন্য রানে আউট হয়েছিলেন। তবে সেটি তার প্রথম দুই ম্যাচ ছিল না। তৃতীয় ও চতুর্থ ম্যাচে শূন্য রানে ফিরেছিলেন তিনি।
ইমরুলের মতো নেহরাও বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারে কোনো রান করতে পারেননি। ২০১০ ও ২০১৬ আসর মিলিয়ে ১০ ম্যাচের তিনটিতে ব্যাটিং পেয়ে সবকটিতে শূন্য রানে আউট হন তিনি।
আভিশেক এমনিতেও আলোচনায় ছিলেন পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচের আগে। তাকে ‘স্রেফ একজন স্লগার, প্রপার ব্যাটসম্যান নয়’ বলে মন্তব্য করেন পাকিস্তানের পেসার মোহাম্মাদ আমির। তার মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করেন ভারতের স্পিন গ্রেট হারভাজান সিং।
টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে অনেক দিন ধরে দাপট দেখানো আভিশেকের সাম্প্রতিক সময়টা যদিও খুব একটা ভালো কাটছে না। সবশেষ ছয় ইনিংসের চারটিতেই শূন্য রানে আউট হলেন তিনি।