Published : 21 Jun 2026, 01:27 AM
আগের ম্যাচের মতো এবারও হাসান মাহমুদকে ১১ নম্বরে ব্যাটিংয়ে পাঠাল কেন্ট। তবে দু-একটি পজিশন ওপরে ব্যাটিংয়ে দাবি যে করতেই পারে, তা জানিয়ে রাখলেন তিনি ব্যাট হাতেই। তার অপরাজিত ক্যামিওতেই চারশ ছাড়াল দলের স্কোর। পরে নিজের আসল কাজেও খারাপ করেননি বাংলাদেশের এই পেসার। বল হাতে উইকেট নিলেন দুটি।
কাউন্টি অভিষেকে কেন্টের হয়ে ম্যাচ জেতানো ৯ উইকেটের পর দ্বিতীয় ম্যাচে মিডলসেক্সের বিপক্ষে ব্যাটে-বলে ছাপ রাখলেন হাসান।
ক্যান্টারবুরির সেন্ট লরেন্স গ্রাউন্ডে ম্যাচের প্রথম দিনে ৭ উইকেটে ৩৫৬ রান তোলে কেন্ট। দ্বিতীয় দিনে শনিবার লোয়ার অর্ডারদের দৃঢ়তায় তাদের প্রথম ইনিংস থামে ৪১৬ রানে। ১১ নম্বরে নেমে তিন চারে ৩৯ বলে ২২ রানে অপরাজিত থাকেন হাসান।
মিডলসেক্সের ১৮ বছর বয়সী পেসার সেবাস্টিয়ান মর্গ্যানন নেন ৫ উইকেট, অভিজ্ঞ পেসার টম হেম ৪টি।
মিডলসেক্স ব্যাটিংয়ে নেমে বিপদে পড়ে যায় দ্রুতই। পাঁচ ওভারের মধ্যে দুই ওপেনারকে ফেরান ম্যাট মিল্নস।
হাসান আক্রমণে আসার পর উইকেট পেতেও খুব একটা অপেক্ষা করতে হয়নি। প্রথম স্পেলেই বোল্ড করেন তিনি মিডলসেক্স অধিনায়ক লেউস দু প্লয় ও ক্যালেব ফ্যাকোনারকে।
রাউন্ড দা উইকেটে করা ডেলিভারি ছেড়ে দিয়ে বোকা বনে যান বাঁহাতি দু প্লয়। তার অফ স্টাম্প ডিগবাজি খেয়ে চলে যায় প্রায় কিপারের কাছে। পরে ফ্যাকোনার বোল্ড হন ভেতরে ঢোকা বলে। তার অফ স্টাম্পও ডিগবাজি খায় পার দুয়েক।
তবে ৪৭ রানে ৪ উইকেট হারানো দলের হয়ে লড়াই করেন ম্যাক্স হোল্ডেন ও জো ক্র্যাকনেল।
৪০ রানে ক্র্যাকনেলকে ফিরিয়ে ৮৯ রানের জুটি ভাঙেন ম্যাক পার্কিনসন। এই লেগ স্পিনার পরে ফেরান সেবাস্টিয়ান মরগ্যানকেও।
তবে ১৫৯ রানে ৬ উইকেট হারানোর পর দুর্দান্ত জুটি গড়েন দু প্লয় ও জাফার গোহার। দিনশেষে অবিচ্ছিন্ন এই জুটির রান ১৮০।
প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে দশম শতরানে ১৮৮ বলে ১৪৩ রানে অপরাজিত রয়ে যান হোল্ডেন। গোহার দিন শেষ করেন ৭২ রানে থেকে।
দিনশেষে ১৫ ওভার বোলিং করে হাসানের প্রাপ্তি ৬০ রানে ২ উইকেট।