২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩
শিক্ষক, নৃবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
আদালত রায় দিল, আমরাও খুশিতে মেতে উঠলাম। কিন্তু ডেথ রেফারেন্স, আপিল, রিভিউ আর রাষ্ট্রপতির প্রাণভিক্ষার রাজনৈতিক মারপ্যাঁচ পেরিয়ে সেই রায় কি আদৌ কার্যকর হয়? ২০২০ সালের আগের ১১ বছরে মাত্র পাঁচটি মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পরিসংখ্যান যেন এক গোলকধাঁধার গল্প।
সব বড় সিদ্ধান্ত হতো পর্দার আড়ালে? সাত জনের শক্তিশালী ‘কিচেন কেবিনেট’ নিয়ে সাবেক উপদেষ্টাদের চাঞ্চল্যকর সব মন্তব্য কি শুধুই দায় এড়ানোর কৌশল, নাকি রাজনীতির নতুন কোনো চাল?
১১ বছরের মেয়েটির পেটে বাচ্চা নড়ছে, কিন্তু রাষ্ট্রের নড়াচড়া নেই—আছে হয়তো শুধু গ্রেপ্তার পর্যন্ত। তারপর? আমাদের সবার হয়ে প্রশ্নটি করেছেন জোবাইদা নাসরীন।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে ঘটে যাওয়া একের পর এক মব ভায়োলেন্স, সংবাদপত্রে হামলা আর বিতর্কিত চুক্তির বোঝা এখন একে নিজেদের কাঁধ থেকে নামানোর চেষ্টা চলছে। উপদেষ্টাদের কেউ বলছেন ‘প্রাণান্তকর চেষ্টা’র কথা, কেউ আবার ‘ভেতরে থেকে লড়াই’ করার দাবি করছেন।
জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে আসা ‘নারীবিদ্বেষী’ পোস্ট ঘিরে উত্তেজনা। একদিকে অ্যাকাউন্ট হ্যাকের দাবি, অন্যদিকে বারবার একই অভিযোগ। নারী কেন রাজনৈতিক আক্রমণের লক্ষ্য?
শিক্ষকদের হেনস্তা থেকে শুরু করে শিশুদের কান ধরে উঠবস করানো কি বিচ্ছিন্ন অপরাধ, না একটি নির্দিষ্ট ক্ষমতা কাঠামোর ফল?