Published : 05 Mar 2026, 08:40 AM
সন্ধ্যায় শুরু ম্যাচ। প্রথম ইনিংসেই দেখা মেলে শিশিরের। দ্বিতীয়ভাগে বেড়ে যায় আরও। বিশ্বকাপে তাই টস জিতে আগে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্তই নিতে দেখা যাচ্ছে বেশিরভাগ দলকে। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমি-ফাইনালের আগে ভারতকেও ভাবাচ্ছে শিশির।
ভারতের বোলিং কোচ মর্নে মর্কেল মনে করছেন, ইংলিশদের বিপক্ষে তাদের লড়াইয়েও বড় ভূমিকা রাখতে পারে শিশির। আর তাই টসও যে এখানে গুরুত্বপূর্ণ, সেটি মনে করিয়ে দিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক এই পেসার।
বিশ্বকাপের প্রথম সেমি-ফাইনালে টস জিতে আগে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় নিউ জিল্যান্ড। কলকাতায় বুধবার তাদের চমৎকার বোলিংয়ে আসরের অপরাজিত দক্ষিণ আফ্রিকা করতে পারে কেবল ১৬৯ রান।
বোলিংয়ের সময় প্রোটিয়ারা যেন কোনো কূল-কিনারাই খুঁজে পাননি। তাদেরকে তুলাধুনা করা ছাড়েন ফিন অ্যালেন ও টিম সাইফার্ট। ৯ ওভারেই ১৭৭ রানের জুটি গড়েন তারা।
সাইফার্ট ফিফটি করে ফিরলেও, বিশ্বকাপে দ্রুততম সেঞ্চুরি উপহার দিয়ে দলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন অ্যালেন। তাদের নৈপুণ্যে ৪৩ বল বাকি থাকতে ৯ উইকেট হাতে রেখে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় কিউইরা।
টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সেমি-ফাইনালে বৃহস্পতিবার ইংলিশদের মুখোমুখি হবে ভারত। আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে শিশির নিয়ে উদ্বেগ শোনা গেল মর্কেলের কণ্ঠে। সঙ্গে মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়েতে কীভাবে খেলা উচিত, সেই ধারণাও দিলেন তিনি।
“আমার মনে হয়, শিশির সবসময়ই বড় উদ্বেগের বিষয়। তবে টস তো আর নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। ওয়াংখেড়েতে সবসময়ই বাড়তি বাউন্স পাওয়া যায়। ব্যাটাররা বাউন্সে ভরসা করে বলের লাইনে এসে শট খেলতে পারে, আবার বোলারদেরও ম্যাচে ফেরার সুযোগ করে দেয়। আমার মনে হয়, এখানে ব্যবধানটা খুবই সামান্য। বল দ্রুত ছোটে, মাঠও তুলনামূলক ছোট।”
“তাই এসবের সঙ্গে লড়াই করতে হবে, বর্তমানে থাকতে হবে এবং প্রতিটি বলে লড়াকু মানসিকতা দেখাতে হবে। কারণ, আগেই বলেছি, এই মাঠে ব্যাটারদের শক্তির জায়গাই তাদের দুর্বলতা হতে পারে। তাই মাঝেমধ্যে খুব বেশি রক্ষণাত্মক কিংবা স্রেফ আক্রমণ চালিয়ে যাওয়া যাবে না, কারণ সুযোগ যেকোনো সময় আসতে পারে।”
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গত দুই আসরের সেমি-ফাইনালেই মুখোমুখি হয়েছিল ভারত ও ইংল্যান্ড। ২০২২ সালে ভারতকে ১০ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে ওঠা ইংলিশরা পরে চ্যাম্পিয়ন হয়। দুই বছর আগের আসরে ইংল্যান্ডকে ৬৮ রানে হারিয়ে ফাইনালে উঠে ট্রফি জেতে ভারত।