Published : 23 Apr 2026, 08:13 PM
সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে পারলেন না মুশফিকুর রহিম, অল্পের জন্য পেলেন না সেঞ্চুরির ছোঁয়া। তবে দেড়শ ছাড়ানো ইনিংস খেলে দলকে বড় সংগ্রহ এনে দিলেন অমিত হাসান। পরে বোলারদেরও চমৎকার পারফরম্যান্সে ইনিংস ব্যবধানে জয়ের দুয়ারে দাঁড়িয়ে তারা।
বিসিএলে বৃহস্পতিবার পূর্বাঞ্চলের প্রথম ইনিংস শেষ হয় ৪৬৩ রানে। ১৫৬ রানের লিড নিয়ে প্রতিপক্ষকে চেপে ধরেছে তারা।
সাত উইকেটে ৮২ রান নিয়ে তৃতীয় দিন শেষ করেছে মধ্যাঞ্চল। ইনিংস ব্যবধানে হার এড়াতে এখনও ৭৪ রান প্রয়োজন দলটির।
পূর্বাঞ্চলকে বিশাল পুঁজি এনে দেওয়ার পথে ১৬২ রান করেন অমিত। ১৮ চারে গড়েন ২৬৫ বলের ইনিংস। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে এটি তার একাদশ সেঞ্চুরি।
৫৯ রান নিয়ে এদিন খেলতে নামা মুশফিক বিদায় নেন ৮৩ রানে। ১২২ বলের ইনিংস একটি ছক্কা ও নয়টি চার মারেন অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান। ১১ চারে ৭৯ রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন ইয়াসির।
মুশফিকের বিদায়ে ভাঙে অমিতের সঙ্গে তার ১৬১ রানের জুটি। এরপর ইয়াসিরকে নিয়ে ১০৭ রানের জুটি গড়েন অমিত। এদিন ৮৮ রান নিয়ে খেলতে নেমে ১৮০ বলে সেঞ্চুরি স্পর্শ করেন তিনি। দেড়শতে পা রাখেন ২৫৩ বলে।
এরপর এক প্রান্ত ধরে রেখে রান বাড়ান ইয়াসির। অন্য প্রান্তে বাকিরা ছিলেন আসা-যাওয়ার মাঝে। ৬৭ রানে শেষ ৬ উইকেট হারায় পূর্বাঞ্চল।
রকিবুল হাসান ১৫২ রান দিয়ে পাঁচ উইকেট নেন। দীর্ঘ পরিসরের ক্রিকেটে এনিয়ে চতুর্থবার ইনিংসে পাঁচ উইকেটের স্বাদ পেলেন বাঁহাতি স্পিনার।
পরে আবার ব্যাটিংয়ে নেমে মধ্যাঞ্চল নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে। তাদের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে এখন পর্যন্ত কেউ ২৫ রানও করতে পারেননি।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
মধ্যাঞ্চল ১ম ইনিংস: ৩০৭
পূর্বাঞ্চল ১ম ইনিংস: ১১৬ ওভারে ৪৬৩ (আগের দিন ২৪৩/৩) (অমিত ১৬২*, মুশফিক ৮৩, ইয়াসির ৭৯*, তোফায়েল ৫, নাঈম ৫, মুরাদ ১২, খালেদ ৮, ইবাদত ০; আবু হায়দার ২০-১-৭৪-০, ইকবাল ২২-৩-৭৮-১, এনামুল ২০-১-৯৪-২, মোসাদ্দেক ১১-০-৩৪-১, রকিবুল ৪০-৩-১৫২-৫, জিশান ৩-০-১৭-১)
মধ্যাঞ্চল ২য় ইনিংস: ২৩ ওভারে ৮২/৭ (মাহফিজুল ১৩, নাঈম শেখ ৪, জিশান ৭, মার্শাল ১০, শিবলি ১৭, মোসাদ্দেক ২২, আবু হায়দার ২, রকিবুল ৩*; খালেদ ৭-১-২৩-৩, ইবাদত ৫-২-১১-১, তোফায়েল ৫-০-২২-১, মুরাদ ৬-১-২৩-২)