Published : 09 Sep 2025, 07:45 PM
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ‘ভোট চুরির’ অভিযোগ তুলে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেছেন ছাত্রদল নেতাকর্মীরা।
মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টার পরে টিএসসি থেকে মিছিল শুরু হয়। সেখান থেকে ভিসি চত্বর হয়ে রেজিস্ট্রার ভবনের দিকে চলে যান নেতাকর্মীরা।
বিএনপির ছাত্র সংগঠনটি সমর্থিত প্যানেলের ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খানের নেতৃত্বে মিছিল বেরা করা হয়।
মিছিলে ‘রাজাকারের ঠিকানা, এই ক্যাম্পাসে হবে না’, ‘ভোট চুরির তালবাহানা, চলবে না চলবে না’, ‘নির্বাচনে কারচুপি, মানি না মানবো না’, ‘ভোট চোর ভোট চোর, প্রশাসন ভোট চোর’- এমন স্লোগান দেন নেতাকর্মীরা।
বড় কোনো গোলযোগ ছাড়া মঙ্গলবার ডাকসু নির্বাচনের ভোট গ্রহণের পর এখন ফল গণনা চলছে। তবে ভোটগ্রহণের সময়ই বিভিন্ন প্যানেলের তরফ থেকে প্রশাসনে ‘ভোট কারচুপির’ অভিযোগ তোলা হয়। ছাত্রদলের তরফে প্রশাসনকে ছাত্রশিবিরের প্রতি ‘বাড়তি সুযোগ দেওয়া’ ও ‘অনিয়মের’ অভিযোগ তোলা হয়।
ডাকসুতে প্রতিনিধি নির্বাচনে ছয় পৃষ্ঠার ওএমআর শিটের ব্যালট পেপারে রায় দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত চলেছে ভোটগ্রহণ। বিকাল পাঁচটার পর ৮ কেন্দ্রেই ভোট গণনা শুরু হয়। ১৪টি মেশিনে এসব ব্যালট গোনা হচ্ছে।
রাত ৮টার দিকে ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী আবিদ টিএসসি কেন্দ্রে ভোট গণনা স্থলে যেতে চান। তবে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের অভিযোগ, ভেতরে শিবিরের নেতারা বসে রয়েছেন। তাদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি।
ওই অভিযোগে তারা মিছিল বের করে ভিসি চত্বর হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাবে যান। সেখানে ভোট কেন্দ্রে ঢুকতে গেলেও তাদের বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ ছাত্রদলের প্যানেলের প্রার্থীদের। সেখানে কিছুক্ষণ হইচইয়ের পরে তারা আবার মিছিল নিয়ে টিএসসিতে যান। মিছিলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন। হইচইয়ের পরিস্থিতিতে টিএসসি কেন্দ্রে ভোট গণনা বেশ কিছুক্ষণ বন্ধ থাকে।
কারচুপির অভিযোগ তুলে ছাত্রদলের প্যানেলের ভিপি প্রার্থী আবিদ রাতে টিএসসিতে বলেন, “যে ভোটের বাক্সগুলোকে খালি বলা হয়েছিল। পরে দেখা গেছে সেগুলো ব্যালটে ভর্তি। এই নির্বাচন কারচুপিতে হাসিনার নির্বাচনকেও ছাড়িয়ে গেছে।”
বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন থেকে এ ভোটের আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণা করা হবে।