০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচনে ব্যয় হয়েছিল প্রায় ৩১ লাখ ৯১ হাজার টাকা। সেই তুলনায় ব্যয় বেড়েছে সাড়ে তিনগুণ বেশি।
ব্যালট ছাপানোর স্থান বা সংখ্যা ‘সুষ্ঠু নির্বাচনকে কোনোভাবে প্রভাবিত করে না’ বলে দাবি করেছেন তিনি।
“নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়া রিটার্নিং অফিসার, পোলিং অফিসারদের অধিকাংশই সাদা দলের সক্রিয় সদস্য হিসেবে পরিচিত,” বলেন অধ্যাপক আতাউর।
“অভিযোগগুলোকে ভুল প্রমাণ করা সম্পূর্ণভাবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দায়িত্ব।”
“সুনির্দিষ্টভাবে আবেদন করার পরেও সেগুলোকে ‘অনির্দিষ্ট’ বা ‘সারবত্তাহীন’ বলছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এতে তাদের কার্যক্রমে স্বচ্ছতার অভাব বলেই প্রতীয়মান হয়।”
শিগগিরই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে কমিশন সব বিষয়ে বিস্তারিত উত্তর দেবে।
“অস্পষ্ট ও সারবত্তাহীন আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গুরুত্বপূর্ণ তালিকা দেওয়ার বিষয়ে কর্তৃপক্ষ সবিনয়ে অপারগতা প্রকাশ করছে,” বলা হয় বিজ্ঞপ্তিতে।
“ডাকসু নির্বাচনে যে পরিমাণ ভোটার টার্নআউট দেখানো হয়েছে, আমরা সে পরিমাণ উপস্থিতি মাঠে দেখতে পাইনি,” বলেন উমামা ফাতেমা।