Published : 19 Jun 2026, 01:06 AM
বিশ্ব রপ্তানি বাণিজ্যে যে দেশ দীর্ঘদিন ধরে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে, সেই চীনে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানিতে আশার আলো দেখা দিয়েছে; প্রথমবারের মত ১ বিলিয়ন (১০০ কোটি) ডলারের হাতছানি দিচ্ছে।
বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ১১ মাসে (জুলাই-মে) চীনে প্রায় পৌনে ১ বিলিয়ন (৭৪ কোটি ২৫ লাখ) ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছেন বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতের রপ্তানিকারকরা, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ১৬ শতাংশ বেশি।
এর আগে কোনো আর্থিক বছরের পুরো সময়েও চীনে পণ্য রপ্তানি থেকে এই পরিমাণ বিদেশি মুদ্রা আসেনি।
২০২৪-২৫ অর্থবছরের জুলাই-মে সময়ে রপ্তানির অঙ্ক ছিল ৬৪ কোটি ১৪ লাখ ডলার; আর পুরো সময়ে (জুলাই-জুন) আয় হয়েছিল ৬৯ কোটি ৪৫ লাখ ডলার।
চীনের বাজারে পণ্য রপ্তানি থেকে এর আগে সবচেয়ে বেশি আয় হয়েছিল ২০১৬-১৭ অর্থবছরে, ৯৪ কোটি ৯৪ লাখ ডলার।
বড় বড় বাজারে হতাশার মধ্যে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ চীনে রপ্তানি বাড়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন অর্থনীতিবিদ ও রপ্তানিকারকরা। তারা আশা করছেন, জুনের তথ্য যোগ হলে চীনে রপ্তানি ১ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি গিয়ে পৌঁছবে।
এমন পরিস্থিতির মধ্যে আগামী ২৩ থেকে ২৬ জুন চীন সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সরকারপ্রধান দ্বিতীয় বিদেশ সফর হিসেবে পূর্ব এশিয়ার দেশটিকে বেছে নিয়েছেন। এর আগে ২১-২২ জুন তিনি মালয়েশিয়া সফর করবেন।
প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের মধ্য দিয়ে দেশটিতে বাংলাদেশের রপ্তানি ৩ বিলিয়ন (৩০০ কোটি) ডলারে নিয়ে যাওয়ার আশা করছেন বাংলাদেশ-চায়না চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (বিসিসিসিআই) সভাপতি মোহা. খোরশেদ আলম।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি বলেন, “শতভাগ শুল্কমুক্ত সুবিধার পর চীনে আমাদের রপ্তানি বাড়তে শুরু করেছে। এবার (বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছর) ১ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি রপ্তানি হবে। প্রধানমন্ত্রীর সফরের পর ২ বছরের মধ্যে এটা ৩ বিলিয়ন ডলারে গিয়ে পৌঁছবে বলে আশা করছি।”
“তবে এ জন্য সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে কিছু কাজ করতে হবে। রপ্তানি পণ্যে বৈচিত্র্য আনতে হবে। চীনের বাজার বিবেচনায় আমাদের উৎপাদন কৌশল ও মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা আন্তর্জাতিক স্তরে নিয়ে যেতে হবে। একই সঙ্গে বাণিজ্য সহায়ক নীতিমালা এবং লজিস্টিক সুবিধা বাড়ানোর মাধ্যমে চীনের বাজারে আমাদের অবস্থান শক্তিশালী করতে হবে।”
একই কথা বলেছেন অর্থনীতির গবেষক, পলিসি এক্সচেঞ্জ অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মাসরুর রিয়াজ।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি বলেন, “ইউরোপ-আমেরিকার বাজারে পণ্য রপ্তানিতে আমরা আমাদের শক্ত অবস্থা তৈরি করলেও দেড়শ কোটির মানুষের দেশ—চীনের বাজারে তেমন কিছুই করতে পারিনি। এমনকি শতভাগ শুল্কমুক্ত সুবিধা পাওয়ার পরও খুব একটা বাড়ছে না।
“কারণ আমাদের রপ্তানি ঝুড়ি এখনো একটি বা দুটি পণ্যের ওপর নির্ভরশীল। চীন আমাদের তৈরি পোশাক খুব বেশি নেবে না, কারণ তারা নিজেরাই এ খাতে স্বয়ংসম্পূর্ণ। তাই তাদের যে পণ্যের চাহিদা আছে, সেই পণ্যই আমাদের রপ্তানি করতে হবে।”
গত এক দশকে চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য তিন গুণ বেড়েছে ঠিকই, কিন্তু এর প্রায় সবটা জুড়ে রয়েছে কেবল আমদানি। রপ্তানির পরিমাণ এখনো এক বিলিয়ন ডলারের গণ্ডি পেরোতে পারেনি।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) গেল পাঁচ অর্থবছরের পরিসংখ্যান বলছে, রপ্তানির পরিমাণ গড়ে প্রায় ৭০ কোটি ডলার হলেও ১৭ থেকে ১৯ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করেছে বাংলাদেশ।
৩০ জুন শেষ হতে যাওয়া ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে (জুলাই-এপ্রিল) চীন থেকে ১৮ বিলিয়ন (১ হাজার ৮০০ কোটি) ডলারের পণ্য আমদানি করেছে বাংলাদেশ। বিপরীতে রপ্তানি হয়েছে মাত্র ৬৭ কোটি ২৬ লাখ ডলারের পণ্য।

এ হিসাবে ১০ মাসে চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৭৩২ কোটি ৭৪ লাখ (১৭.৩২ বিলিয়ন) ডলারে; যা মোট বাণিজ্য ঘাটতির তিন-চতুর্থাংশের বেশি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সবশেষ তথ্যে দেখা যায়, বিদায়ী অর্থবছরের ১০ মাসে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ ছিল ২২ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলার।
বিশাল অঙ্কের এই বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে বাংলাদেশের পাশেও দাঁড়িয়েছে চীন। ২০২০ সালে বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি হওয়া ৯৭ শতাংশ পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা দেয় দেশটি। ২০২২ সালে এসে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যসহ ৯৮ শতাংশ বাংলাদেশি পণ্যকে দেওয়া হয় এ সুবিধা।
পরের বছর যুক্ত হয় আরো ৩৮৩টি পণ্য। ২০২৩ সালের অগাস্টে নতুন করে ১ শতাংশ, আর গত ডিসেম্বর থেকে স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে বাংলাদেশের শতভাগ পণ্য রপ্তানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা দেয় চীনা সরকার।
ধাপে ধাপে শুল্কমুক্ত সুবিধার আওতা বাড়ালেও এই সুবিধার সুফল ঘরে তুলতে পারছে না বাংলাদেশ। প্রশ্ন উঠেছে, চীনের মতো বিশ্বের বৃহত্তম আমদানিকারক দেশে এমন সুযোগ পেয়েও কেন সম্ভাবনার দুয়ার খুলছে না? সমস্যা কি সক্ষমতার ঘাটতি, পণ্যের বৈচিত্র্যহীনতা নাকি কৌশলগত ভুল?
ব্যবসায়ী নেতা ও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উৎপাদন সক্ষমতার সীমাবদ্ধতা, পণ্য বৈচিত্র্যের অভাব এবং প্রতিযোগিতামূলক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় অপর্যাপ্ত প্রস্তুতি এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী। তারা বলছেন, চীনের বাজার ধরতে হলে বাংলাদেশকে একটি সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদি কৌশল নিতে হবে। অপ্রচলিত কিন্তু সম্ভাবনাময় পণ্যগুলো চিহ্নিত করে সেগুলোর উৎপাদন ও রপ্তানি সক্ষমতা বাড়াতে হবে।
প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের মধ্য দিয়ে দেশটিতে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়বে কি না—এ প্রশ্নের উত্তরে বাংলাদেশ-চায়না চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (বিসিসিসিআই) সভাপতি খোরশেদ আলম বলেন, “অবশ্যই বাড়বে। চীনের ১৪০ কোটির বেশি ভোক্তার বিশাল বাজার বাংলাদেশের জন্য এখন শতভাগ পণ্যে শুল্কমুক্ত। এক ঐতিহাসিক সুযোগের দুয়ার খুলে দিয়েছে বেইজিং। এই সুযোগ কাজে লাগাতে হবে। তাহলে বাণিজ্য ঘাটতি কমে আসবে।
“আমরা আমাদের বাস্তবতার কারণেই বাণিজ্য ঘাটতি শূন্যে নামিয়ে আনতে পারব না। তবে সরকারি-বেসরকারি খাত সম্মিলিতভাবে উদ্যোগ নিলে চীনে আমাদের রপ্তানি তো ৩ বিলিয়ন ডলারে নিয়ে যেতে পারব। তখন বাণিজ্য ঘাটতি ১৭ বিলিয়ন থেকে ১৪/১৫ বিলিয়ন ডলারে নেমে আসবে।
“তাতে বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভের উপর চাপ কমবে। অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।”
খোরশেদ আলম বলেন, “সত্যিকার অর্থে চীনে আমাদের রপ্তানি বাড়াতে হলে চীনা বিনিয়োগ দেশে আনতে হবে। উত্তরাঞ্চলে আয়রন (লোহা) ও কয়লার খনি আছে। সেখানে চায়নার বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগ করে ম্যাগনেট ফাইবার তৈরি করে তাদের দেশে রপ্তানি করতে পারে। যৌথ উদ্যোগেও বিনিয়োগ হতে পারে।
“ম্যাগনেট সামগ্রীর বড় চাহিদা আছে চীনে। এটার কিছুটা ধরতেও পারলেও আমাদের রপ্তানি বেশ বাড়বে। আমরা এখন চীনে যে পণ্য রপ্তানি করি, তার বেশিরভাগই তৈরি পোশাক। চীন তৈরি পোশাকে বিশ্বের বড় বাজার দখলের পাশাপাশি নিজেরাও স্বয়ংসম্পূর্ণ। তৈরি পোশাকের দিকে তাকিয়ে থেকে আর লাভ নেই।”
চুম্বক সামগ্রীর মত নতুন পণ্যের দিকে নজর দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “একই সঙ্গে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, ফুটওয়্যার, পাট ও পাটজাত পণ্য, প্লাস্টিক পণ্য, সিরামিক, কাঁকড়া, কুঁচে, শুকনা খাবার, তিল, আম ও কাঁঠালের মতো মৌসুমি ফল রপ্তানির দিকে নজর দিতে হবে।
“প্রধানমন্ত্রীর সফরে একটি ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল যাবে। বেইজিংয়ে একটি বিনিয়োগ সম্মেলন হবে। আশা করছি, সেই সম্মেলনে এসব বিষয়ে আলোচনা হবে এবং ইতিবাচক ফল আসবে।”
পলিসি এক্সচেঞ্জ অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মাসরুর রিয়াজ বলেন, “তারা (চীন) যেসব পণ্য আমদানি করে, সেগুলো আমাদের রপ্তানি ঝুড়িতে নেই; কিছু থাকলেও সেটা তাদের যথেষ্ট পরিমাণ চাহিদামতো বাড়ানো হচ্ছে না। যার ফলে আমাদের রপ্তানিযোগ্য পণ্যে তাদের তেমন চাহিদা নেই।”
তিনি বলেন, “চীনের বাজার ধরতে হলে বাংলাদেশকে একটি সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদি কৌশল নিতে হবে। অপ্রচলিত কিন্তু সম্ভাবনাময় পণ্যগুলো চিহ্নিত করে সেগুলোর উৎপাদন ও রপ্তানি সক্ষমতা বাড়াতে হবে। চীনের বিভিন্ন প্রদেশে একক বাংলাদেশি পণ্যের মেলার আয়োজন করে ব্র্যান্ডিং বাড়াতে হবে।
“আমাদের রপ্তানিমুখী চীনা বিনিয়োগ আকর্ষণ করতে হবে। এতে বাংলাদেশে পণ্য তৈরি করে চীনেই রপ্তানি হতো, এক্সপোর্ট মার্কেটিং আরো ভালো হতো। এখন অপ্রচলিত নতুন পণ্যের দিকে মনোযোগ দিতে হবে। বাজার সুবিধা কাজে লাগানোর জন্য প্রস্তুতি ও সক্ষমতা বাড়াতে হবে।”
ইপিবির তথ্যে দেখা যায়, বিদায়ী অর্থবছরের জুলাই-এপ্রিল সময়ে চীনে ৬৭ দশমিক ২৬ লাখ ডলারের যেসব পণ্য রপ্তানি হয়েছে, তার মধ্যে ২০ কোটি ৯৫ লাখ ১০ হাজার ডলারের তৈরি পোশাক রয়েছে। এছাড়া ১১ কোটি ৫৭ লাখ ৩০ হাজার ডলারের পাট ও পাটজাতপণ্য, ৬ কোটি ৩৩ লাখ ৭০ হাজার ডলারের চামড়া-চামড়াজাত পণ্য, ১ কোটি ৪০ লাখ ৪০ হাজার ডলারের জুতা, ৭২ হাজার ১০ হাজার ডলারের হোম টেক্সটাইল এবং ৪২ লাখ ৩০ হাজার ডলারের প্লাস্টিক দ্রব্য রপ্তানি হয়েছে।
গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরের পুরো সময়ে (জুলাই-জুন) চীনে ৬৯ কোটি ৪৫ লাখ ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছিল বাংলাদেশ। আগের অর্থবছরের চেয়ে বেড়েছিল ২ দশমিক ৯২ শতাংশ।
চীনা প্রদর্শনীতে বাংলাদেশের ১০১ প্রতিষ্ঠান
গত ১১ থেকে ১৬ জুন অনুষ্ঠিত দশম চায়না–সাউথ এশিয়া এক্সপো এবং ত্রিংশত্তম চায়না কুনমিং আমদানি-রপ্তানি মেলায় থিম কান্ট্রি হিসেবে অংশ নিয়েছিল বাংলাদেশ।
চীনের ইউনান প্রদেশের রাজধানী কুনমিংয়ের দিয়ানছি আন্তর্জাতিক কনভেনশন ও প্রদর্শনী কেন্দ্রে আয়োজন করা হয় এ দুই প্রদর্শনী।
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ব্যবস্থাপনায় এবং কুনমিংয়ের কনস্যুলেট জেনারেলের সহযোগিতায় এ দুই প্রদর্শনীতে বাংলাদেশের ১০১টি প্রতিষ্ঠানের ১৭৫ জন প্রতিনিধি অংশ নেন। সব মিলিয়ে বিশ্বের ৬৮টি দেশের ২ হাজার ৩০০ জন তাতে ছিলেন।
চীনের ইউনান প্রদেশের গভর্নর ওয়াং ইউ বো–এর সভাপতিত্বে প্রদর্শনী দুটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর। চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডেপুটি মিনিস্টার, শ্রীলঙ্কার বাণিজ্যমন্ত্রী, নেপালের ডেপুটি স্পিকার, মালদ্বীপের বাণিজ্যমন্ত্রীও সেখানে বক্তৃতা করেন।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এ প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণের ফলে আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও সংযোগ বৃদ্ধিতে বাংলাদেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের স্বীকৃতি পেয়েছে। এ আয়োজন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি, বিনিয়োগ সম্ভাবনা, রপ্তানিযোগ্য পণ্য এবং শিল্প খাতের বিকাশে সহায়তা করবে। একই সঙ্গে উভয় দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদার, নতুন বাজার অনুসন্ধান এবং বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনে নতুন অংশীদারত্ব গড়ে তোলার সুযোগ সৃষ্টি করবে।
বাংলাদেশ-চায়না চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি খোরশেদ আলম এই দুই প্রদর্শনীতে অংশ নিয়েছিলেন।
অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “কুনমিংয়ে দুই প্রদর্শনীতে বাংলাদেশি পণ্যের ভালো সাড়া পাওয়া গেছে। এর পরপরই প্রধানমন্ত্রী চীন সফর ভালো ফল বয়ে আনবে বলে আমার বিশ্বাস।”