১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩
২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট সরকার পরিবর্তনের পর ভারত বাংলাদেশি পণ্য প্রবেশে বিভিন্ন বিধিনিষেধ আরোপ করে।
ইরান যুদ্ধের ফলে বাংলাদেশ কিছু পরোক্ষ অর্থনৈতিক ঝুঁকির মুখে পড়েছে, বলেন তিনি।
তবে বৈদেশিক লেনদেনের চলতি হিসাবের ভারসাম্যে ঘাটতি কমেছে।
নির্ধারিত ৪৩টি রপ্তানি পণ্যের ক্ষেত্রে দশমিক ৩০ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশ পর্যন্ত হারে নগদ প্রণোদনা দেওয়া হবে।
এক অর্থবছর পরই রপ্তানি আরও কমে যেত পারত যদি না অর্থবছরের শেষ মাস জুনে ২৫ দশমিক ৯১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি না হত।
ইলেকট্রিক বাইসাইকেল উৎপাদনেও নজর দিচ্ছে কারখানাগুলো।
অর্থনীতির বিশ্লেষক মাসরুর রিয়াজ বলেন, “এখনও বড় ব্যবধান কেন থাকবে? এটা ঠিক করা দরকার। এতে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার কাছে বাংলাদেশের ইমেজ নষ্ট হয়।”
“অর্থাৎ আপনি রপ্তানির জন্য একটা প্রণোদনা পাচ্ছেন, তার ওপরে এখন সাড়ে ২৭ শতাংশ কর দিতে হবে।”