০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২০ চৈত্র ১৪৩১
বৈদেশিক মুদ্রার লেনদেনের ভারসাম্যে রাতারাতি যে উন্নতি হয়েছে তা বলা যাবে না, বলেন অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন।
“চলতি ও আর্থিক হিসাবে উদ্বৃত্ত থাকলেও সার্বিক ব্যালেন্সে এখনো ঘাটতি রয়েছে। তাই স্বস্তির সঙ্গে অস্বস্তি রয়েছে।”
ঘাটতি কমে আসার এ চিত্র অর্থনীতির জন্য স্বস্তির বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন।
”ইপিবির তথ্য সঠিক ছিল না। কারণ তারা পোশাক রপ্তানির তথ্য বাড়িয়ে দেখাত,” বলেন বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম।
রপ্তানি কমলেও এই অর্থবছরে ১০ দশমিক ৬০ শতাংশ আমদানি কমায় বাণিজ্য ঘাটতির চাপ কমেছে।
গত অর্থবছরের এ সময়ে রপ্তানি আয় এসেছে ৩৭ দশমিক ৩৪ বিলিয়ন ডলার।
“আমরা দেখছি কোথায় কী হল। ইপিবি নিজস্ব পদ্ধতিতে কীভাবে সরাসরি রপ্তানি তথ্য মিল-কারখানা থেকে সংগ্রহ করতে পারে, তা নিয়ে ভাবছি,” বলেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রপ্তানি হিসাবের চেয়ে ইপিবির হিসাব বেশি থাকার কারণে চলতি হিসাবে উদ্বৃত্ত হত এবং আর্থিক হিসাবে ঘাটতি থাকত, বলেন ব্যাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা।