যমুনা ইলেক্ট্রনিক্স অ্যান্ড অটোমোবাইলসের পার্টনারস মিট
মুনাফার প্রবৃদ্ধি, ব্যবসা কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ ব্যবসায়িক কর্মপরিকল্পনাসহ নানা বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় সম্মেলনে।
যমুনা গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান যমুনা ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড অটোমোবাইলসের পার্টনারস মিট-২০২৩ অনুষ্ঠিত হয়েছে জাঁকজমকপূর্ণভাবে।
গত শনিবার যমুনা ফিউচার পার্কের নিচতলায় মহল অডিটোরিয়ামে এ আয়োজন হয় বলে যমুনা গ্রুপের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
সেখানে বলা হয়, ‘আমরা ছিলাম, আমরা আছি এবং আমরাই থাকবো’ এই স্লোগান সামনে রেখে যমুনা ইলেক্ট্রনিক্স অ্যান্ড অটোমোবাইলস ব্যবসায় মুনাফার প্রবৃদ্ধি, কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ ব্যবসায়িক কর্মপরিকল্পনাসহ নানা বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয় এ অনুষ্ঠানে।
সারাদেশ থেকে আসা যমুনা ইলেকট্রনিক্সের ব্যবসায়িক অংশীজনরা সম্মেলনে অংশ নেন। দিনব্যাপী এ আয়োজনে অংশগ্রহণকারীরা তাদের ব্যবসায়িক সুযোগ-সুবিধা, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, পারস্পারিক সংযোগ, অংশীজনের সাথে মতবিনিময়সহ গুরত্বপূর্ণ সেশনগুলোতে যোগ দেন।
পার্টনারস মিটে যমুনা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বিভাগের পরিচালকসহ কোম্পানির কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান সালমা ইসলাম বলেন, “যমুনার পণ্য দাম ও মানে সেরা। ডিলারদের সফলতা ও সার্বিক মঙ্গল কামনা করছি। আমরা আছি আমরা থাকব, ইনশাআল্লাহ।“
যমুনা ইলেক্ট্রনিক্সের হেড অফ বিজনেস মো. সাজ্জাদুল ইসলাম বলেন, “আমরা আমাদের জায়গা থেকে ডিলারদের সর্বোচ্চ সুবিধা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। গ্রাহকদের কথা চিন্তা করে আমরা সাশ্রয়ী দামে পণ্য ও গুণগত মানের দিকে বেশি নজর দিয়েছি। আমাদের প্রতিষ্ঠানের সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখেছে আমাদের ডিলাররা। ডিলারদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দিতে যমুনা ইলেক্ট্রনিক্স বদ্ধপরিকর।“
অনুষ্ঠানে ব্যবসা প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ডিলারদের ক্রেস্ট দিয়ে সম্মাননা জানানো হয়।
তাতে জাতীয়ভাবে প্রথম হয়েছে নাটোরের বনপাড়ার স্বপন ইলেক্ট্রনিক্স। দ্বিতীয় হয়েছে বগুড়ার শেরপুরের এস এম মাহির ইলেক্ট্রনিক্স। আর তৃতীয় হয়েছে চুয়াডাঙ্গার জীবননগরের নিউ মিতালি ইলেক্ট্রনিক্স। এছাড়া বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ৪০ জন ডিলারকে পুরস্কার দেওয়া হয় অনুষ্ঠানে।
