নিরাপত্তার কারণে রাতের কয়েকটি ট্রেন বন্ধ
বাংলাদেশ রেলওয়ের বিভাগীয় ব্যবস্থাপক (ঢাকা) মোহাম্মদ সফিকুর রহমান বলেন, “রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নাশকতার আশঙ্কায় এসব ট্রেনের চলাচল আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে।
একের পর এক নাশকতার ঘটনা ঘটায় নিরাপত্তার কথা ভেবে কয়েকটি রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ করেছে রেলওয়ে।
এর মধ্যে শুক্রবার রাত থেকে রাজশাহী-পার্বতীপুর রুটের উত্তরা এক্সপ্রেস ট্রেনের চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
এর আগে ঢাকা নারায়ণগঞ্জ রুটের এক জোড়া কমিউটার ট্রেন চলাচল বন্ধ আছে গত ১৬ ডিসেম্বর থেকে।
ঈশ্বরদী-রাজশাহী-রোহনপুর রুটের ১ জোড়া লোকাল ট্রেন ১৫ ডিসেম্বর থেকে এবং ময়মনসিংহ থেকে ভূয়াপুর চলাচলকারী ২৫৩/২৫৪ লোকাল ট্রেনটি ১৫ ডিসেম্বর বন্ধ করে দেয় রেলওয়ে।
এছাড়া ঢাকা-তারাকান্দা রুটে চলাচলকারী আন্তঃনগর যমুনা এক্সপ্রেস ট্রেনের রুট সংক্ষিপ্ত করেছে রেলওয়ে। ১৫ ডিসেম্বর থেকে ট্রেনটি জামালপুর পর্যন্ত চালানো হচ্ছে।
বাংলাদেশ রেলওয়ের বিভাগীয় ব্যবস্থাপক (ঢাকা) মোহাম্মদ সফিকুর রহমান শুক্রবার কমলাপুর রেল স্টেশনে সাংবাদিকদের বলেন, “রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নাশকতার আশঙ্কায় এসব ট্রেনের চলাচল আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে।
“ওই ট্রেন রুটগুলো অনেকটা রিমোট এলাকায়। রাত্রীকালীন ঝুঁকিপূর্ণ মনে করে আমরা ওইসব ট্রেন চলাচল আপাতত বন্ধ রেখেছি।”
তিনি বলেন, “বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নাশকতার কারণে রেলওয়ের নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে রেললাইনে পেট্রলিং বাড়ানো হয়েছে, এছাড়া বিভিন্ন রুটে ট্রেন যাওয়ার আগে ইঞ্জিন এবং ট্রলি দিয়ে এডভান্স পাইলটিং করা হচ্ছে।”
গত ২৯ অক্টোবর থেকে বিএনপি-জামায়াত ও সমমনাদের আন্দোলনের মধ্যে গত কয়েকদিনে ট্রেনে নাশকতা উদ্বেগ ছড়িয়েছে। একটি ঘটনায় রেল লাইন কেটে দেওয়া হয়েছে গাজীপুরে, একাধিক ট্রেনে দেওয়া হয়েছে আগুন।
সবচেয়ে প্রাণঘাতি ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার ভোরে। সেদিন নেত্রকোণা থেকে ঢাকায় আসার পথে মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেসে আগুন দেওয়া হয় বিমানবন্দর স্টেশনের পরে। এতে প্রাণ হারান মা-শিশুসহ চার জন।
এর আগে গাজীপুরে রেললাইন কেটে রাখায় মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেসের কয়েকটি বগি লাইনচ্যুত হলে এক জনের মৃত্যু হয়।
