Published : 20 Apr 2026, 02:10 PM
দুদকের মামলায় সাবেক তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলককে একদিন কারাফটকে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছে আদালত।
তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাব্বির ফয়েজ এ আদেশ দেন।
সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারি রিয়াজ হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক আল-আমিন কারাগারে থাকা পলককে কারাফটকে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করেন।
আবেদনে বলা হয়, পলকের বিরুদ্ধে পাবলিক সার্ভেন্ট হিসেবে দায়িত্বে থাকাকালে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যক্তি স্বার্থে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য অবৈধ উপায়ে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সহিত অসঙ্গতিপূর্ণ ৮ কোটি ৭৩ লাখ ৪৭ হাজার ৪২ টাকা মূল্যের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জন করে ভোগ দখলে রাখার অভিযোগ আছে। তিনি নিজের ও যৌথ নামে ২৫টি ব্যাংক হিসাবে ৩২ কোটি ৪ হাজার ৯৫ হাজার ৩১৪ টাকা জমা এবং ২৯ কোটি ৮৪ লাখ ৭২ হাজার ৯৫ টাকা উত্তোলনের মাধ্যমে অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক লেনদেন করে ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে মানিলন্ডারিংয়ের অপরাধ সংঘটন করেছেন।
অবৈধভাবে অর্জিত অর্থ বা সম্পত্তির অবৈধ উৎস গোপন বা আড়াল করার উদ্দেশ্যে তা হস্তান্তর, স্থানান্তর ও রূপান্তর করায় ২০২৪ সালের ১২ ডিসেম্বর দুদক দুদকের মামলা দায়ের করে।
আবেদনে আরও বলা হয়, “আসামি এখন কারাগারে আছেন। আসামিকে মামলার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা একান্ত প্রয়োজন। এমতাবস্থায় তাকে মামলার তদন্তের স্বার্থে কারাফটকে জিজ্ঞাসাবাদের প্রার্থনা করছি।”
দুদকের পক্ষে প্রসিকিউটর মো. নূরে আলম শুনানি করেন। শুনানি শেষে আদালত তাকে পলককে কারাফটকে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন।
এর আগে ২০২৪ সালের ১২ ডিসেম্বর দুদকের উপ-পরিচালক মো. মোস্তাফিজুর রহমান সমন্বিত ঢাকা জেলা কার্যালয়-১ এ মামলাটি করেন।
মামলার এজহারে বলা হয়, অভিযুক্ত জুনাইদ আহমেদ পলক অবৈধ উপায়ে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ আট কোটি ৭৩ লাখ ৪৭ হাজার ৪২ টাকা মূল্যের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জন করে তা ভোগদখলে রেখেছেন।
একইসাথে নিজ নামে ২৫টি ব্যাংক হিসাবে মোট ৩২ কোটি চার লাখ ৯৫ হাজার ৩১৪ টাকা জমা এবং ২৯ কোটি ৮৪ লাখ ৭২ হাজার ৯৫ টাকা উত্তোলনের মাধ্যমে অস্বাভাবিক লেনদেন করে ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে মানিলন্ডারিংয়ের অপরাধ করেছেন।