Published : 30 Sep 2025, 08:57 PM
বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রবেশ পর্যায়ে এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও প্রভাষক পদে নিয়োগের সুপারিশ পেলেও ৫ হাজার ২৮৪ জন চাকরিতে যোগ দেননি, এমন তথ্য এসেছে এক কর্মশালায়।
ষষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তিতে ৪১ হাজার ৬২৬ জন প্রার্থীকে এসব পদে নিয়োগের সুপারিশ করা হলেও যোগ দিয়েছেন ৩৬ হাজার ৩৪৩ জন।
মঙ্গলবার বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ-এনটিআরসিএ এর কার্যালয়ে আয়োজিত এক কর্মশালায় সংস্থার চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম এ তথ্য দিয়েছেন।
তিনি বলেন, “১ লাখ ৮২২টি শিক্ষক-প্রভাষক পদে নিয়োগ সুপারিশে ষষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হলেও এতে আবেদন করেন ৫৭ হাজার ৮৪০ জন প্রার্থী। ৪১ হাজার ৬২৭ জনকে সুপারিশ করা হলেও যোগদান করেছেন ৫ হাজার ২৮৪ জন প্রার্থী।”
গেল ১৬ জুন জারি করা ষষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিভিন্ন এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শূন্য থাকা ১ লাখ ৮২২টি শিক্ষক পদে নিয়োগের আবেদন গ্রহণ করা হয়। ২২ জুন শুরু করে ১০ জুলাই পর্যন্ত চলে আবেদন প্রক্রিয়া।
এরপর ১৯ অগাস্ট ৪১ হাজার ৬২৭ জন প্রার্থীকে নিয়োগ সুপারিশ করে গণবিজ্ঞপ্তির ফল প্রকাশ করা হয়েছিল। ১৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সুপারিশ পাওয়া প্রার্থীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষক পদে যোগ দেওয়ার সুযোগ ছিল।
এত সংখ্যক প্রার্থী চাকরিতে যোগ না দেওয়ার বিষয়ে এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান বলেন, “প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ শূন্যপদের ভুল তথ্য দেওয়ায় ৩৫০ প্রার্থী চাকরিতে যোগদান করতে পারেননি।”
অন্যান্য পদগুলোতে যারা যোগদান করেননি তাদের অনেকেই অন্য চাকরি পেয়েছেন, কেউ কেউ নিজ বাড়ি থেকে অনেক দূরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ সুপারিশ পাওয়ায় যোগ দেননি বলে তার ধারণা।
কোনো কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রার্থীরা যোগদান করতে চাইলেও পরিচালনা পর্ষদ ও প্রতিষ্ঠান প্রধানরা ঘুষ দাবি করেছেন তুলে ধরে তিনি বলেন, “এটি সম্পূর্ণ অন্যায়, শিক্ষক পদে এনটিআরসিএ এর সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের যোগদান করতে না দিলে প্রতিষ্ঠান প্রধানের এমপিও বন্ধ এবং ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডি ভেঙে দেওয়ার বিধান আছে।”
বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ পর্যায়ের নিয়োগ সুপারিশ প্রক্রিয়া নিয়ে জানাতে এ কর্মশালা আয়োজন করে এনটিআরসিএ।
কর্মশালায় এনটিআরসিএ সদস্য এরাদুল হক, মুহম্মদ নূরে আলম সিদ্দিকী, পরিচালক তাসনিম জেবিন বিনতে শেখ, সংস্থাটির সচিব এ এম এম রিজওয়ানুল হক ও সংবাদকর্মীরা অংশ নেন।