Published : 20 Sep 2022, 07:41 PM
শেয়ার কারসাজির অভিযোগের মুখে থাকা ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানকে নিজেদের শুভেচ্ছা দূত রাখবেন কি না, তা নিয়ে এখনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি দুর্নীতি দমন কমিশন।
মঙ্গলবার সাংবাদিকদের প্রশ্নে দেশের দুর্নীতি দমন সংস্থাটির সচিব মো. মাহবুব হোসেন বলেন, কমিশন অভিযোগটি খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নেবে।
দেশসেরা ক্রিকেটার, বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব ২০১৮ সাল থেকে দুদকের শুভেচ্ছা দূত হিসেবে কাজ করছেন।
দুর্নীতির বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরিতে সাকিবের ভাবমূর্তি কাজে লাগাতে তাকে নিয়ে তথ্যচিত্রও বানানো হয়েছে।
তবে তার এক বছর পরই ম্যাচ গড়পেটার প্রস্তাব পাওয়ার তথ্য লুকানোর জন্য আইসিসির শাস্তির মুখোমুখি হন সাকিব। তবে তখন দুদক সাকিবকে নিয়ে অন্য কিছু ভাবেনি।
ক্রিকেটের পাশাপাশি নানা ব্যবসায়ও যুক্ত হয়েছেন সাকিব। সম্প্রতি পুঁজিবাজারে কারসাজিতে তার জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে।
পুরানো খবর:
শেয়ার কারসাজিতে সাকিবের নাম, যা বলছে বিএসইসিপুরানো খবর:
দুদকে এসে পিঠা খেয়ে গেলেন সাকিবএর পরিপ্রেক্ষিতে দুদক সচিবকে প্রশ্ন করা হয়, সেই অভিযোগের কারণে তিনি দুদকের শুভেচ্ছা দূত থাকছে কি না? এতে দুদকের ভাবমূর্তি নষ্ট হবে কি না?
জবাবে দুদক সচিব মাহবুব বলেন, “সার্বিক বিষয় দুর্নীতি দমন কমিশন দেখবে, অপেক্ষা করুন। আপনারা (সাংবাদিক) অপেক্ষা করুন। অভিযোগ আসলেই তো সাথে সাথে কোনো কিছু হয় না।”
সাকিবের সঙ্গে দুদকের চুক্তি থাকলেও এখন তার সঙ্গে সংস্থার কোনো কাজ নেই বলে জানান তিনি।
“তার সঙ্গে দুদকের ২০১৮ সালে ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে যে চুক্তিটি হয়েছিল, সেটি ছিল বিনা পারিশ্রমিকে উনি দুদকের হয়ে তথ্যচিত্র তৈরিতে কাজ করবেন। তার সঙ্গে শুধু একবার ২০১৮ সালে যখন দুদকের ১০৬ কমপ্লেইন হটলাইন চালু হয়, তখন একটি তথ্যচিত্র করা হয়েছিল। এর পরবর্তীতে আমরা আর কোনো তথ্যচিত্র বা কোনো কার্যক্রম করিনি।”
সাকিব ২০১৭ সাল থেকে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রণ সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনেরও (বিএসইসি) শুভেচ্ছা দূত। বিএসইসির তদন্ত প্রতিবেদনেও শেয়ার কারসাজির অভিযোগ উঠেছে। তার তদন্তে ইতোমধ্যে সাকিবের কাছে ব্যাখ্যাও চেয়েছে বিএসইসি।