Published : 25 May 2026, 11:31 PM
হজের আনুষ্ঠানিকতার প্রথম দিন ‘লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখরিত হল মিনার প্রান্তর।
সোমবার তাঁবুর শহর মিনায় অবস্থান করেন হাজিরা। তাঁবুতে তাঁবুতে চলেছে হজের মাসআলা। বিভিন্ন তাঁবুতে গিয়ে বাংলাদেশি হজযাত্রীদের খোঁজ নিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন।
ধর্ম মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, রোববার রাত ১০টার পর থেকেই মিনার উদ্দেশে রওনা দেন হাজিরা। তারা সোমবার মিনায় অবস্থান করেন। রাতযাপন শেষে মঙ্গলবার তারা রওনা দেবেন আরাফাতের উদ্দেশে। সেখানে খুতবার পর হাজিরা একসঙ্গে জোহর ও আসরের নামাজ আদায় করবেন।
এ বছর হজের খুতবা দেবেন মসজিদে নববীর প্রধান ইমাম ও খতিব শায়েখ আলি বিন আবদুল রহমান আল-হুদাইফি। সূর্যাস্ত পর্যন্ত আরাফায় অবস্থান করবেন হাজিরা। আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করাকেই হজ বলা হয়।

সূর্যাস্তের পর মুজদালিফার উদ্দেশে রওনা দিবেন হাজিরা। সেখানে মাগরিব ও এশার নামাজ শেষে খোলা আকাশের নিচে রাতযাপন করবেন। পরদিন বুধবার সূর্যোদয়ের আগে মুজদালিফা থেকে মিনায় যাবেন হাজিরা। শুধু বড় জামারায় কঙ্কর নিক্ষেপ করবেন।
এরপর কোরবানি ও মাথা মুণ্ডন বা চুল ছেঁটে স্বাভাবিক পোশাকে মক্কায় কাবা শরিফ তাওয়াফ করবেন হাজিরা। তাওয়াফ, সাঈ (সাফা থেকে মারওয়া পর্যন্ত দৌড়ানো) শেষে মিনায় ফিরে গিয়ে ১১ ও ১২ জিলহজ অবস্থান করবেন ও প্রতিদিন তিনটি শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ করবেন। কিছু হজযাত্রী ১৩ জিলহজ পর্যন্ত মিনায় অবস্থান করেন। হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে এরপর মিনা ত্যাগ করবেন হাজিরা।

ধর্ম মন্ত্রণালয় বলেছে, চলতি বছর অনুমতিপত্র ছাড়া কেউ যেন হজ পালন না করতে পারে সে বিষয়ে কঠোর সৌদি সরকার। মিনায় হাজিরা পৌঁছানোর পর পথে বিভিন্ন স্থানে গাড়িতে তল্লাশি করা হয়েছে। প্রত্যেক হজযাত্রীর সাথে ‘নুসুক’ কার্ড দৃশ্যমান রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
এ ছাড়া তীব্র গরমের কারণে সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত তাঁবুর ভেতরে অবস্থান করার জন্য হাজীদের অনুরোধ করে সৌদি প্রশাসন। সরাসরি সূর্যের আলো এড়িয়ে চলা, রোদে ছাতা ব্যবহার করা এবং বেশি বেশি পানি ও তরল খাবার গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছে সৌদি মন্ত্রণালয়।
আরো পড়ুন-
হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু, মিনায় সমবেত সবাই