Published : 14 May 2026, 06:58 PM
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকায় বাসায় গ্যাস লিক থেকে হওয়া বিস্ফোরণে দগ্ধ ভাইয়ের মৃত্যুর তিন ঘণ্টার ব্যবধানে তার আরেক বোন মারা গেছে।
বৃহস্পতিবার বেলা ১২টা ৫০ মিনিটে ১০ বছর বয়সি মুন্নির মারা যাওয়ার তথ্য দিয়েছেন জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক শাওন বিন রহমান। মুন্নির শরীরের ৩৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।
রোববার সকালে ওই বিস্ফোরণের ঘটনায় বাবার পর একে একে তিন ভাইবোনেরই মৃত্যু হল। পরিবারের পাঁচ সদস্যের মধ্যে শুধু মা এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মুন্নির ছোটভাই সাত বছর বয়সী মুন্না মারা যায়। তার শরীরের ৩০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল।
আগের দিন বুধবার সন্ধ্যায় তাদের আরেক বোন কথা মারা যায়; তার শরীরের ৫২ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।
ফতুল্লার গিরিধারা এলাকার একটি ছয়তলা ভবনের নিচতলার ফ্ল্যাটে রোববার সকালে ওই বিস্ফোরণ ঘটে। তাতে তিন শিশু সন্তানসহ এক দম্পতি দগ্ধ হন।
তাদের সবাইকে ভর্তি করা হয় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে। তখনই তাদের অবস্থা ‘আশঙ্কাজনক’ ছিল বলে জানিয়েছিলেন ডা. শাওন।
পরদিন সকালেই মারা যান ৩৫ বছর বয়সী গৃহকর্তা মো. কালাম, তার শরীরে পোড়ার মাত্রা ছিল ৯৫ শতাংশ। এরপর একে একে তার তিন সন্তানেও মৃত্যু হল।
বর্তমোনে কালামের স্ত্রী শরীরের ৬০ শতাংশ দগ্ধ হওয়া সায়মা (৩২) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
গিরিধারার ওই বাসায় স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ভাড়া থাকতেন সবজি বিক্রেতা কালাম। তিতাসের লাইনের লিক থেকে গ্যাস জমে তাদের ঘরে বিস্ফোরণ ঘটে বলে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ধারণা।
ফতুল্লায় 'গ্যাস বিস্ফোরণ': বাবা ও বোনের পর চলে গেল ছোট্ট মুন্না