Published : 13 Apr 2014, 08:40 PM
ঢাকায় না হলেও নোয়াখালী এবং কুমিল্লা অঞ্চলসহ দেশের দু-একটি স্থানে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
বাংলা নতুন বছর বরণে রাজধানীসহ সারাদেশেই থাকে নানা ধরনের আয়োজন। বৈশাখী ঝড় বৃষ্টি হলে সব আয়োজন ভেসে যাবে বলে আবহাওয়ার দিকে এই সময় দৃষ্টি থাকে সবার।
বর্তমানে সারাদেশে তাপপ্রবাহ চললেও এর মধ্যেই কালবৈশাখী ঝড় সাধারণত হয়ে থাকে।
গত ৩ এপ্রিল চৈত্রের প্রচণ্ড গরমের পর শিলাবৃষ্টি হয়েছিল। ওই সময় ঘণ্টায় ৫২ কিলোমিটার গতিতে দমকা হাওয়াও বয়ে যায়।
অধিদপ্তরের জ্যেষ্ঠ আবহাওয়াবিদ বজলুর রশিদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, সোমবার আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে।
“খরতাপের মধ্যে রাজধানীর বাইরে কিছু এলাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। রাজধানীতে এ সম্ভাবনা ক্ষীণ। ঝড়ো হাওয়া হওয়ার শঙ্কা থাকলেও সম্ভাবনা খুব সামান্য।”
আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, দেশের বিশাল এলাকাজুড়ে মৃদু তাপপ্রবাহ (৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস) চলছে।
রোববার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল রাজশাহীতে ৩৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এসময় ঢাকায় ৩৫ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।
টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, চাঁদপুর অঞ্চলসহ রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগে চলমান মৃদু তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে বলে আভাস মিলেছে।
চলতি মাসে দেশের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে একটি তীব্র তাপপ্রবাহ, যা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের উপরে এবং অন্যান্য এলাকায় দুই থেকে তিনটি মৃদু বা মাঝারি তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।
অধিদপ্তরের পরিচালক শাহ আলম এপ্রিল মাসের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে জানান, এ মাসে বঙ্গোপসাগরে এক থেকে দুটি নিম্নচাপ তৈরি হতে পারে। এর মধ্যে একটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে।