Published : 29 Jan 2026, 05:27 PM
শেরপুর-৩ আসনে নির্বাচনি ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে সংঘর্ষে জামায়াতে ইসলামীর এক নেতার নিহত হওয়ার ঘটনায় ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ওসিকে প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন সচিব আখতার আহমেদ।
বৃহস্পতিবার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।
আখতার আহমেদ বলেন, “শেরপুরের ঘটনা নিন্দনীয়। আচরণবিধি অনুযায়ী ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা ঘটেছে। প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত হিসেবে ইউএনও এবং ওসিকে প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত হয়েছে।”
এ ঘটনায় ‘জুডিশিয়াল ইনকোয়ারি কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে’ জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন ইসি সচিব।
বুধবার রাতে শেরপুরে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নির্বাচনি ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতকর্মীদের সংঘর্ষ বাঁধে। তাতে গুরুতর আহত হন জামায়াতে ইসলামীর শ্রীবরদী উপজেলার সেক্রেটারি রেজাউল করিম। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত রেজাউল ফতেহপুর ফাজিল মাদ্রাসার আরবি বিষয়ের প্রভাষক ছিলেন। তার মৃত্যুর জন্য বিএনপিকে দায়ী করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চেয়েছে জামায়াত।
আর এ ঘটনায় ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছে বিএনপি।
এদিকে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীসহ প্রতিটি রাজনৈতিক দলকে ‘দায়িত্বশীল নেতৃত্ব প্রদর্শন এবং সমর্থকদের সংযম নিশ্চিত করার’ আহ্বান জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।
শেরপুরের ঘটনায় উদ্বেগ, সংযমের আহ্বান অন্তর্বর্তী সরকারের
তারা কেন আগে থেকেই লাঠিসোঁটা জড়ো করল: শেরপুরের সংঘাত নিয়ে বিএনপি
শেরপুরে বিএনপির সঙ্গে সংঘর্ষে আহত জামায়াত নেতার মৃত্যু