Published : 04 Aug 2022, 05:36 PM
ঢাকার শাহজাহানপুরে আওয়ামী লীগ নেতা জাহিদুল ইসলাম টিপু এবং কলেজছাত্রী সামিয়া আফনান প্রীতি হত্যা মামলায় সম্প্রতি গ্রেপ্তার চারজনকে পুলিশ হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এই চারজন হলেন- সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মাহবুবুর রহমান ওরফে টিটু, জুবের আলম খান ওরফে রবিন, আসিফুর রহমান সোহেল এবং খাইরুল ইসলাম।
দুই দিনের রিমান্ড শেষে এই চারজনকে বৃহস্পতিবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির পরিদর্শক মোহাম্মদ ইয়াসিন শিকদার।
তখন ঢাকা মহানগর হাকিম মামুনুর রশীদ তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
গত ৩১ জুলাই সোহেল, টিটু, রবিন ও খাইরুলের রিমান্ড আদেশ হয়েছিল।
বৃহস্পতিবার আসামিদের আদালতে তোলা হলে তাদের পক্ষের আইনজীবীরা জামিন আবেদন করেন। তবে মূলনথি মহানগর দায়রা জজ আদালতে থাকায় এদিন জামিন শুনানি হয়নি।
এর আগে এই মামলায় সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। নতুন চারজনকে নিয়ে এখন গ্রেপ্তারের সংখ্যা দাঁড়াল ১১।
গত ২৪ মার্চ রাত ১০টার দিকে রাজধানীর শাজাহানপুরে দুর্বৃত্তদের এলোপাথাড়ি গুলিতে নিহত হন মতিঝিল থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম টিপু।
ওই সময় টিপুর গাড়ির পাশে রিকশায় থাকা কলেজছাত্রী সামিয়া আফনান প্রীতি গুলিতে নিহত হন।টিপুর গাড়িচালক মুন্নাও গুলিবিদ্ধ হন।
এ ঘটনায় টিপুর স্ত্রী ফারজানা ইসলাম ডলি থানায় মামলা দায়ের করেন। আগামী ৩১ অগাস্ট আদালতে এ মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন জমার তারিখ রয়েছে।
টিপু হত্যার সন্দেহভাজন মুসা ওমানে গ্রেপ্তার
এ হত্যা মামলার অন্যতম সন্দেহভাজন সুমন শিকদার মুসা গত ১২ মে ওমানে গ্রেপ্তার হওয়ার পর ৩১ জুলাই তাকে দেশে ফিরিয়ে আনে পুলিশ।
এর আগে মুসার ভাই সালেহ শিকদার এবং মতিঝিল থানার ১০ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুকসহ চারজনকে র্যাব গত ২ এপ্রিল গ্রেপ্তার করে।
এছাড়া মাসুম মোহাম্মাদ আকাশ এবং আরফান উল্লাহ দামাল নামে আরও দুজন গোয়েন্দা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়।
তাদের মধ্যে আওয়ামী লীগ নেতা ওমর ফারুককে হত্যাকাণ্ডের ‘পরিকল্পনাকারী’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে র্যাব।