০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ঘটনার পর ছেলে সাইফুল্লাহ পালিয়েছে, বলছে পুলিশ।
নিহত ও আহত ব্যক্তি সম্পর্কে চাচাত ভাই।
“হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে চারজন জড়িত ছিলো। এরমধ্যে তিনজনকে হেফাজতে নেয়া হয়েছে।”
গাজীপুরের কাপাসিয়ায় হত্যাকাণ্ডের শিকার মা-তিন মেয়েসহ একই পরিবারের পাঁচজনকে গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জে পাশাপাশি কবরে দাফন করা হয়েছে।
নিহত শারমিন আক্তারের বাবা বাদী হয়ে শনিবার রাতে মামলাটি দায়ের করেন।
“মেয়েকে এভাবে মরদেহ হয়ে দেশে ফিরতে হবে, এ জন্য আমি প্রস্তুত ছিলাম না।”
নিহত যুবকের বাড়ি রাউজান উপজেলায়।
“শ্রমিকরাই ওই বৃদ্ধাকে হত্যা করেছে বলে প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে।”