Published : 29 Aug 2025, 01:22 AM
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে ৮০ শতাংশ নারী ও পোষ্য কোটা বাতিল করা হয়েছে।
এটিসহ আরও কিছু পরিবর্তন এনে বৃহস্পতিবার নতুন বিধিমালা জারি করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়; যাতে নিয়োগের ক্ষেত্রে বয়সসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩২ বছর।
এতে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অনুসারে ৯৩ শতাংশ সহকারী শিক্ষক পদে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগের বিধান রাখা হয়েছে।
নতুন বিধিমালায় প্রধান শিক্ষকের ৮০ শতাংশ পদে পদোন্নতি পাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন সহকারী শিক্ষকরা, যা আগে ছিল ৬৫ শতাংশ। বাকি ২০ শতাংশ স্কুল প্রধানের নিয়োগ হবে সরাসরি।
"পদোন্নতিযোগ্য প্রার্থী না পাওয়া গেলে সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমেই প্রধান শিক্ষকের পদ পূরণ হবে।"
আগের বিধিমালায় না থাকলেও নতুনটিতে শরীরিক শিক্ষা ও সঙ্গীত বিষয়ের সহকারী শিক্ষক পদ থাকার কথা বলা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিজি প্রেসের ওয়েবসাইটে নতুন বিধিমালা প্রকাশ করা হয়। এটিকে বলা হচ্ছে, ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা -২০২৫’।
এর আগে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে ২০১৯ সালে বিধিমালা করা হয়েছিল। তাতে সরাসরি নিয়োগযোগ্য পদে ৬০ শতাংশ নারী প্রার্থীদের দ্বারা এবং ২০ শতাংশ পোষ্য প্রার্থীদের দ্বারা পূরণ করার কথা বলা হয়েছিল।
কোটা নিয়ে নতুন বিধিমালায় বলা হয়েছে, "এই বিধিমালার অধীন সরাসরি নিয়োগযোগ্য ৯৩ শতাংশ পদ মেধাভিত্তিক প্রার্থীদের দ্বারা, তার মধ্যে ২০ শতাংশ পদ বিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রিধারী প্রার্থীদের দ্বারা এবং ৮০ শতাংশ পদ অন্যান্য বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রিধারী প্রার্থীদের দ্বারা মেধাক্রম অনুযায়ী নিয়োগযোগ্য হবে।
"এই বিধিমালার অধীন সরাসরি নিয়োগযোগ্য ৫ শতাংশ পদ মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনার সন্তানদের মধ্য হইতে মেধাক্রম অনুযায়ী নিয়োগযোগ্য হবে। এ বিধিমালার অধীন সরাসরি নিয়োগযোগ্য ১ শতাংশ পদ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী প্রার্থীদের মধ্য হতে মেধাক্রম অনুযায়ী নিয়োগযোগ্য হবে এবং এই বিধিমালার অধীন সরাসরি নিয়োগযোগ্য ১ শতাংশ পদ শারীরিক প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের প্রার্থীদের মধ্য থেকে মেধাক্রম অনুযায়ী নিয়োগযোগ্য হবে।”
তবে কোটায় যোগ্য প্রার্থী পাওয়া না গেলে মেধাভিত্তিক প্রার্থীদের মধ্য থেকে মেধাক্রম অনুযায়ী নিয়োগ দেওয়া যাবে বলেও বিধিমালায় বলা হয়েছে।
নতুন এ বিধিমালা অনুসারে শিক্ষাজীবনের কোনো স্তরে তৃতীয় শ্রেণি বা তৃতীয় বিভাগ বা সমমান সিজিপিএ থাকলে প্রার্থীরা প্রাথমিকের কোনো শিক্ষক পদেই নিয়োগের সুযোগ পাবেন না।
নীতিমালায় বলা হয়েছে, শিক্ষক নিয়োগ হবে উপজেলা ও থানাভিত্তিক।
বিধিমালা দেখুন এখানে