Published : 11 Aug 2025, 07:21 PM
রাজধানীর ডেলটা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জন্ডিসের চিকিৎসা করতে আসা এক নবজাতকের হাত ভাঙার অভিযোগে পাঁচ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আদেশ কেন হবে না, তা জানতে চেয়েছে হাই কোর্ট।
একইসঙ্গে চিকিৎসায় অবহেলায় দায়ীদের বিরুদ্ধে কেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, রুলে সেটিও জানতে চাওয়া হয়। পাশাপাশি নবজাতকের হাত ভেঙে দেওয়ার ঘটনার তদন্ত করে তিন মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করতেও সরকারকে নির্দেশ দেওয়া হয়।
সোমবার বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও সৈয়দ জাহেদ মনসুরের বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।
সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ইকরামুল কবির সাংবাদিকদের বলেন,
নবজাতকের হাত ভেঙে দেওয়ার ঘটনায় শিশুটির বাবা নূরের সাফাহ্ হাই কোর্টে রিট আবেদন করেন। রিটের শুনানি নিয়ে রুল ও নির্দেশনা দেওয়া হয়।
ঢাকার মিরপুরে বেসরকারি ডেল্টা হাসপাতালে ‘ফটোথেরাপি’ নিতে যাওয়া এক নবজাতকের হাত ভেঙে ফেলার অভিযোগ করেন তার অভিভাবকরা।
বিষয়টি নিয়ে গত ৫ এপ্রিল ‘জন্ডিসের চিকিৎসা দিতে গিয়ে নবজাতকের হাত ভাঙার অভিযোগ’ শিরোনামে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমে সংবাদ প্রকাশ হয়।
শিশুটির বাবা নূরের সাফার অভিযোগ, গত ৪ এপ্রিল শুক্রবার বেলা সোয়া ১১টায় তার সন্তানকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। বাসায় গিয়ে তারা বুঝতে পারেন, বাচ্চার ডান হাত ভাঙা।
অভিযোগে তিনি বলেন, শিশুটিকে হাসপাতাল থেকে বুঝিয়ে দেওয়ার সময় বলা হয়, ক্যানোলা থাকায় হাতে ব্যথা আছে। এ কারণে তারা বিষয়টি স্বাভাবিকভাবে নিয়েছিলেন।
নূরের সাফা ৬ এপ্রিল বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, সন্তানের শরীরে বিলিরুবিনের মাত্রা বেশি থাকায় তারা ডেল্টা হাসপাতালে ভর্তি করান। বাসায় নেওয়ার পর ডান হাতে স্পর্শ করলেই শিশুটি কান্নাকাটি করছিল।
“হাতটা সামান্য উপরে তুলতে গেলেই বাচ্চা ব্যাপক কান্না করে; তার হাতে অস্বাভাবিক একটা ভাঁজ পড়ে। তখন আমরা বুঝতে পারি, হাত ভেঙে গেছে।”
তিনি বলেন, “ডেল্টা হাসপাতালে গিয়ে বিষয়টি জানালে সেখান থেকে বলা হয়, বাসায় কোনোভাবে হাত ভেঙেছে হয়ত।
“কিন্তু আমরা বাচ্চাকে কারো কাছে দিইনি। আর হাসপাতাল থেকে ফেরার পরেই বিষয়টি আমাদের নজরে আসে।”
আরও খবর-