৩০ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩
উদ্ধার পাওয়া এই মা জানান, ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে থাকা অবস্থায় তার ১৮ দিন বয়সী সন্তানই তাকে সজাগ ও সচেতন থাকার অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।
বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রতিটি নবজাতকের বিপরীতে দুটি করে গাছের চারা রোপন করেন ময়মনসিংহের ‘জনতার ঈশ্বরগঞ্জ’ নামের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা।
ছয় নবজাতকের মৃত্যু ঘটবে আর তাদের কোনো শাস্তি হবে না, তা হয় না।
শিশুটির বাবা বলেন, “আমি বাচ্চা বেচি নাই। কিন্তু আমার বাচ্চা তাগো কাছে থাকলে ভালো জীবন পাইবো।”
লাশ ময়নাতদন্তের জন্যে নেত্রকোণা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
৯৯৯ নম্বর থেকে কল পেয়ে হাইওয়ে পুলিশ গিয়ে সেটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়।
তদন্ত কমিটি জানায়, কর্তব্যে অবহেলার কারণে ওই নবজাতকদের মৃত্যু হয়েছে এমন সন্দেহে ওই চিকিৎসকদের আটক করা হয়েছে।
রাতে মেয়ে সন্তান প্রসবের পর তাকে হত্যা করে পরদিন সকালে বাড়ির পেছনে মাটি চাপা দিতে গর্ত করার সময় আশপাশের লোকজন টের পায়।