Published : 26 Jun 2026, 02:53 PM
যোগাযোগ ও অর্থনীতির ‘ব্যাপ্তি বাড়াতে’ বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার হয়ে চীন পর্যন্ত একটি অর্থনৈতিক করিডোর করার প্রস্তাব আবারো সামনে এনেছে বেইজিং।
শুক্রবার সকালে বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠকে এই প্রস্তাব তুলে ধরা হয়।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন পরে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, দুই নেতার বৈঠকে ‘কানেক্টিভিটি’ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
“সেখানে প্রস্তাব এসেছে, কীভাবে বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমার হয়ে চীন পর্যন্ত একটি ইকোনমিক করিডোর তৈরি করা যায়, যে ইকোনমিক করিডোরের মূল উদ্দেশ্য হবে বাংলাদেশের অর্থনীতির ব্যাপ্তি বাড়ানো, ইকোনমিক ট্রানজেকশন বাড়ানো এবং মাল্টিমোডাল ট্রান্সপোর্টেশনকে আরো এনহ্যান্স করা।”
চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ ইকোনমিক করিডোরের ধারণা নতুন কিছু নয়। এটি চীনের 'বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ'-এর অধীন একটি প্রস্তাবিত আঞ্চলিক অর্থনৈতিক ও যোগাযোগ রুট। এই করিডোরের মূল লক্ষ্য হল চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় ইউনান প্রদেশ থেকে মিয়ানমার হয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে সরাসরি বাণিজ্যিক ও কাঠামোগত সংযোগ স্থাপন।
গত শতকের নব্বইয়ের দশকে বাংলাদেশ-চীন-ভারত-মিয়ানমার অর্থনৈতিক করিডোরের প্রস্তাব করা হয়েছিল, যা বিসিআইএম নামে পরিচিতি পায়। ২০১৩ সালের দিকে সেই উদ্যোগ আন্তঃসরকার স্বীকৃতিও পায়।
কিন্তু চীনের 'বেল্ট অ্যান্ড রোড' উদ্যোগ নিয়ে ভারতের ভূ-রাজনৈতিক আপত্তি ও অনীহার কারণে পরবর্তীতে বিসিআইএম প্রকল্প স্থবির হয়ে পড়ে।
এরপর ভারতকে বাদ দিয়ে চীন তাদের বিদ্যমান 'চীন-মিয়ানমার ইকোনমিক করিডোর সম্প্রসারিত করে সরাসরি বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা নেয়। মূলত এটিই এখন সম্ভাব্য 'চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ ইকোনমিক করিডোর' হিসেবে আলোচিত হচ্ছে।
এই করিডোর চীনের ইউনান প্রদেশের রাজধানী কুনমিং থেকে শুরু হয়ে মিয়ানমারের মান্দালয় পৌঁছাবে। সেখান থেকে একটি অংশ মিয়ানমারের ইয়াঙ্গন এবং অন্য একটি অংশ রাখাইন রাজ্যের কিয়াউকপিউ গভীর সমুদ্রবন্দর পর্যন্ত বিস্তৃত হবে।
এই সংযোগটি পরে সড়ক ও রেলওয়ে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মিয়ানমারের রাখাইন থেকে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের সাথে যুক্ত করার প্রস্তাব রয়েছে চীনের।
বলা হচ্ছে, এ করিডোর হলে বাংলাদেশের সড়ক, রেলওয়ে, বন্দর এবং বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে বিপুল পরিমাণ চীনা বিনিয়োগ আসার সুযোগ তৈরি হবে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং চীনের বিশাল বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের প্রবেশ সহজ হবে।
পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে সময় ও খরচ উভয়ই উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসবে, যা বৈশ্বিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বাড়াবে। পাশাপাশি যোগাযোগ ও লজিস্টিক হাব গড়ে ওঠার ফলে দেশে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
এই করিডোরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ মিয়ানমারের অস্থিতিশীল রাখাইন রাজ্যের ওপর দিয়ে যাবে। চীনের ভাষ্য, রাখাইনে অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত হলে সেখানকার জাতিগত ও রাজনৈতিক অস্থিরতা কমে আসবে।

তিস্তা প্রকল্প
চীনে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে বুধবার বেইজিংয়ে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার গ্রেট হল অব দ্য পিপলে চীনের প্রধানমন্ত্রীর লি ছিয়াংয়ের সঙ্গে তার দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয়। তাদের উপস্থিতিতে বিনিয়োগ, গণমাধ্যম সহযোগিতাসহ ১৭টি বিষয়ে সমঝোতা স্মারক সই করে দুই দেশ।
এরপর শুক্রবার গ্রেট হলে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তারেক রহমান। তাদের নেতৃত্বে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পাশাপাশি দুই নেতা একান্তেও কথা বলেন।
পরে তিয়াওইউথাই হোটেলে সংবাদ সম্মেলনে এসে বৈঠকের বিভিন্ন দিক নিয়ে সাংবাদিকদের অবহিত করেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তারা।
সংবাদ সম্মেলনে মাহদী আমিন বলেন, বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারে তিস্তা মহাপরিকল্পনার কথা ছিল, সরকার তা বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে।
“এই মহাপরিকল্পনার প্ল্যানিং স্টেজ থেকে শুরু করে যেখানে প্রয়োজন, সেখানে টেকনিক্যাল সাপোর্ট প্রোভাইড করা, তার উপর ভিত্তি করে আমাদের প্রজেক্ট ডিজাইন করা, প্ল্যানিং, এক্সিকিউশন সব জায়গাতে ধারাবাহিকভাবে চীন সরকার যুক্ত হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।”
বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে চীনের পানিসম্পদমন্ত্রী লি কুওইংয়ের এক বৈঠকে তিস্তাসহ বিভিন্ন নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা বাড়াতে ঐকমত্যে পৌঁছায় দুই দেশ।
তিস্তা মহাপরিকল্পনা হল বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে তিস্তা নদীকে ঘিরে একটি সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনা; যার মূল লক্ষ্য—নদী ব্যবস্থাপনা, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, সেচ সুবিধা বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণ।
এই পরিকল্পনার আওতায় নদীর দুই তীর সংরক্ষণ, খনন ও প্রশস্তকরণ, জলাধার ও ব্যারেজ উন্নয়ন, এবং আধুনিক সেচব্যবস্থা গড়ে তোলার কথা রয়েছে। তাতে শুষ্ক মৌসুমে পানির ঘাটতি কমানো এবং বর্ষায় বন্যার ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে বলে সরকার আশা করছে।
প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে রংপুর অঞ্চলের কৃষি উৎপাদন বাড়বে, নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হবে এবং নদীভাঙন কমবে। একই সঙ্গে নদীকেন্দ্রিক শিল্প ও পর্যটনের সম্ভাবনাও বাড়বে।
তবে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বড় চ্যালেঞ্জ হলো আন্তঃসীমান্ত পানি বণ্টন। উজানে ভারতের পানি ব্যবস্থাপনার ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় বাংলাদেশে তিস্তার পানিপ্রবাহ মৌসুমভেদে ব্যাপকভাবে ওঠানামা করে। ফলে প্রকল্পের সফলতা অনেকাংশে নির্ভর করছে দুই দেশের মধ্যে একটি কার্যকর পানি বণ্টন চুক্তির ওপর।
২০১৬ সালে চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান পাওয়ার চায়না এবং বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড একটি সমীক্ষা চালিয়ে এই মহাপরিকল্পনার নকশা চূড়ান্ত করে।
পরে ভারতও ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপট থেকে এই প্রকল্পে যুক্ত হতে এবং অর্থায়নে প্রবল আগ্রহ প্রকাশ করে, যার ফলে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে প্রকল্পটি ঝুলে যায়।
২০২৪ সালের অগাস্টে গণঅভ্যুত্থানে সরকার পরিবর্তনের পর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার পুনরায় চীনের অর্থায়নেই প্রকল্পটি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়। ২০২৯ সালের মধ্যে প্রকল্পের প্রথম ধাপ বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়।
পাঁচ বছর মেয়াদি প্রথম ধাপের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয় প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকা (৭৫০ মিলিয়ন ডলার)। এর মধ্যে প্রায় ৬ হাজার ৭০০ কোটি টাকা বা ৫৫০ মিলিয়ন ডলার চীনের কাছে ঋণ হিসেবে চাওয়া হয়েছে এবং বাকি অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে মেটানো হবে।
এ প্রকল্পের বাস্তবায়ন হলে লালমনিরহাট, রংপুর, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা জেলার প্রায় ২ কোটি মানুষের জীবনযাত্রায় ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে সরকার আশা করছে।
বন্দর উন্নয়ন
চীন চট্টগ্রাম বন্দরের আধুনিকায়নে কাজ করার আগ্রহ দেখিয়েছে জানিয়ে মাহদী আমিন বলেন, “এই বন্দরের আধুনিকায়ন করে কীভাবে এটাকে আমরা একটা রিজিওনাল হাব হিসেবে গড়ে তুলতে পারি, যেটা শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, অন্যান্য দেশের জন্যও সার্ভ করবে, সেটা নিয়ে আমরা কাজ করতে চাই।
“একই সাথে মোংলা পোর্টকে আপগ্রেড করবার জন্য এবং মোংলা পোর্টকে আরো বেশি প্রোগ্রেসিভ করবার জন্য, সার্ভিস ওরিয়েন্টেড করবার জন্য চীন আগ্রহ প্রকাশ করেছে। আমরা সেগুলো দিয়ে আলোচনা করেছি।”
‘জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক’
মাহদী আমিন বলেন, “বাংলাদেশ ও চীনের মাঝে বহুপক্ষীয় যে সম্পর্ক, তার অংশ হিসেবে আমরা পিপল টু পিপল সম্পর্ক গড়তে চাই। সংস্কৃতি, মিডিয়া, টেকনোলজি, সামগ্রিকভাবে নলেজ ট্রান্সফার এবং এমপ্লয়মেন্ট জেনারেশন নিয়ে আমরা পিপল টু পিপল, অর্থাৎ দুই দেশের ভিতরে সম্পর্ক আরো বাড়াতে চাই।
“সেখানে ঐতিহ্যের বিষয় রয়েছে, তথ্যের বিষয় রয়েছে, প্রযুক্তির বিষয় রয়েছে…প্রতিটি ক্ষেত্রে আমরা চাই দুই দেশের জনগণের ভেতর আরো সম্পর্ক বৃদ্ধি হোক এবং এগুলো নিয়ে দুই দেশের নেতৃবৃন্দ আলোচনা করেছেন।”
মুখপাত্র বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থায় ইতোমধ্যে তৃতীয় ভাষা হিসেবে ম্যান্ডারিনকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, কারিগরি ও ভকেশনাল শিক্ষাকেোগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
“এই দুই ক্ষেত্রেই চীন তার নিজের অভিজ্ঞতার আলোকে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করতে পারে, করতে চায়। চীনা ভাষা শিক্ষার ক্ষেত্রে আমাদেরকে শিক্ষক এবং ইনফ্রাস্ট্রাকচারাল সাপোর্ট উনারা প্রোভাইড করবেন।”

‘ভিসা সহজীকরণ’
বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নেও চীন সহযোগিতার আগ্রহ দেখিয়েছে জানিয়ে মাহদী আমিন বলেন, “হেলথকেয়ারের ক্ষেত্রে কীভাবে আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থা বাংলাদেশে আমরা প্রয়োগ করতে পারি… রোবটিক সার্জারি, হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা থেকে শুরু করে অন্যান্য বিষয়ে চীন আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
“বাংলাদেশ থেকে অনেকেই বিদেশে চিকিৎসা করতে যান। ভিসা প্রসেসিং ইজি করবার মাধ্যমে এবং অন্যান্য সহযোগিতার মাধ্যমে তাদের জন্য দ্বার উন্মোচন করতে ইচ্ছুক চীন।”
‘রোহিঙ্গা সংকট’
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান প্রশ্নে বাংলাদেশের অবস্থান ‘খুব স্পষ্ট’। বাংলাদেশ চায়, ‘নিরাপদে, স্বেচ্ছায় এবং মর্যাদার সঙ্গে’ তারা যেন নিজেদের দেশে ফিরে যায়।
“এ বিষয়ে চীন আমাদের কথা দিয়েছে, আমরা যখন চাই, মিয়ানমারের সাথে আমাদেরকে কোনো আলোচনা প্রয়োজন হলে, চীন সেখানে ফ্যাসিলিটেট করবে।… আমরা এ বিষয়ে সামনে আলোচনা শুরু করব।”
পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা
মাহদী আমিন বলেন, পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা–এই দুটো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ‘এই প্রথম’ বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের একটি সমঝোতা হয়েছে।
“ফরেন এবং ডিফেন্স এই দুটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে ফর দ্য ফার্স্ট টাইম বাংলাদেশের সাথে চায়নার ‘টু প্লাস টু’ একটা আন্ডারস্ট্যান্ডিং হয়েছে। যেখানে দুই দেশের ফরেন মিনিস্ট্রি এবং ডিফেন্স মিনিস্ট্রি থেকে রিপ্রেজেন্টেটিভ যারা রয়েছেন, উনাদের নিয়মিত আলোচনার ভিত্তিতে সামনের দিনগুলোতে ডায়লগ শুরু হবে। এই ইন্স্ট্রুমেন্টের ডিটেইলসটা ওয়ার্কআউট করা হচ্ছে।”
তিনি বলেন, “বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা এবং টেরিটরির ইন্টিগ্রিটিকে সম্মান জানিয়ে চীন বলেছে, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বাংলাদেশে যেভাবে গণমানুষের আকাঙ্ক্ষার বহিঃপ্রকাশ ঘটছে, একটি সরকারের, যার পররাষ্ট্রনীতি হবে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের বহিঃপ্রকাশ, সেটি নিশ্চিত করা হবে। বাংলাদেশও যেমন স্বাধীন সার্বভৌম থাকতে চায়, চীনও চায় তার মত করে স্বাধীন সার্বভৌমভাবে দেশ পরিচালনা করতে। এটা একটা গ্লোবাল ভ্যালু, যেটা আমরা হোল্ড করতে চাচ্ছি।”
ব্রিকসের সদস্যপদ
প্রধানমন্ত্রী উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, বাংলাদেশ ব্রিকস জোটের সদস্য হওয়ার জন্য আবেদন করলে চীন স্বাগত জানাবে।
“আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ইউএন এর বিভিন্ন সংস্থায় বাংলাদেশের এসপাইরেশনস রয়েছে। যেমন ইউএনজিএতে ইলেকশন হল, সেখানে বাংলাদেশ বিজয়ী হয়েছে, সেখানে চীন সহযোগিতা করেছে। চীন বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানিয়েছে এবং বাংলাদেশ থেকে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে উনাদের সহযোগিতার জন্য।”