Published : 22 Jul 2026, 07:04 PM
টাঙ্গাইলে পৃথক দুটি হত্যা মামলায় দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
বুধবার দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান ভূঞাপুর উপজেলার মেহেদী মোস্তফা হত্যা মামলায় নাজিরুল ইসলাম ওরফে জিহাদকে মৃত্যুদণ্ড দেন।
অন্যদিকে, টাঙ্গাইলের স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক দিলারা আলো চন্দনা দেলদুয়ার উপজেলার হাজেরা বেওয়া ও তার মেয়ে নাসরিন আক্তার হত্যা মামলায় সোহরাব হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড দেন।
রায় ঘোষণার পর দণ্ডপ্রাপ্তদের টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মেহেদী মোস্তফা হত্যা মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত নাজিরুল ইসলাম ভূঞাপুর উপজেলার গাড়াবাড়ী গ্রামের মফিজুল হকের ছেলে। আর মা-মেয়ে হত্যা মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত সোহরাব হোসেন দেলদুয়ার উপজেলার বর্ণী গ্রামের আলী হোসেনের ছেলে।
টাঙ্গাইলের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) মো. শফিকুল ইসলাম রিপন বলেন, ২০২০ সালের ১৮ জুন ভূঞাপুর উপজেলার গাড়াবাড়ী গ্রামে আম পাড়া নিয়ে বিরোধের জেরে মেহেদী মোস্তফা ওরফে রাজীবকে ছুরিকাঘাত করা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা গোলাম মোস্তফা ভূঞাপুর থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দেয়। মামলায় ১৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত নাজিরুল ইসলামকে মৃত্যুদণ্ড দেন।
অন্যদিকে, সরকারি কৌঁসুলি শাহজাহান কবির বলেন, ২০১১ সালের ৫ মে দেলদুয়ার উপজেলার বর্ণী দক্ষিণপাড়া গ্রামের হাজেরা বেওয়া (৬০) ও তার মেয়ে নাসরিন আক্তার (২২) রাতে ঘুমাতে যাওয়ার পর নিখোঁজ হন। পরদিন বাড়ির কাছের একটি পাটক্ষেত থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় হাজেরা বেওয়ার ছেলে মোশারফ হোসেন দেলদুয়ার থানায় হত্যা মামলা করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ তিনজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়। বিচার শেষে আদালত সোহরাব হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড দেন।
তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ছানোয়ার হোসেন ও তার ছেলে মো. রনিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।