এলপিএল
Published : 22 Jul 2026, 08:07 PM
আগের দুই ম্যাচে দুর্দান্ত বোলিং করা হাসান মাহমুদ এবার পারলেন না জ্বলে উঠতে। কলম্বো ক্যাপ্সের পেসারের নিষ্প্রভ দিনে ব্যাটে-বলে জাফনা কিংসের জয়ে অবদান রাখলেন অভিজ্ঞ সাকিব আল হাসান।
লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে (এলপিএল) বুধবার মুখোমুখি হন বাংলাদেশের দুই ক্রিকেটার হাসান ও সাকিব। দারুণ লড়াইয়ের ম্যাচে ৫ রানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন সাকিবরা।
আসরে প্রথম দুই ম্যাচে ৩১ করে রান দিয়ে যথাক্রমে দুটি ও তিনটি উইকেট নেন হাসান। কিন্তু জাফনার বিপক্ষে কোনো শিকারই ধরতে পারলেন না তিনি। উল্টো ছিলেন খরুচে, চার ওভারে দেন ৩৯ রান।
আগের ম্যাচে স্রেফ ১২ রান দিয়ে দুই উইকেট নেওয়া সাকিব এদিন দুই ওভারে ১৯ রান দিয়ে ধরেন এক শিকার। সঙ্গে ব্যাটে হাতে ৫ বলে গুরুত্বপূর্ণ ১০ রান করেন হাসানের করা শেষ ওভারে। যা ম্যাচের ফলে পার্থক্য গড়ে দেয়।
২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৭৯ রান করে জাফনা। জবাবে ১৭৪ রান পর্যন্ত যেতে পারে কলম্বো।
টস জিতে ফিল্ডিং নেওয়া কলম্বো দ্বিতীয় ওভারে আক্রমণে আনে হাসানকে। প্রথম বলে তাকে চার মেরে স্বাগত জানান কামিল মিশারা। এক বল পর মারেন আরেকটি। ৯ রান দিয়ে ওভার শেষ করেন হাসান।
চতুর্থ ওভার করতে এসেও দুটি চার হজম করেন ডানহাতি এই পেসার। এবার তাকে টানা দুটি বাউন্ডারি মারেন আভিশেক ফের্নান্দো। পাওয়ার প্লেতে আর বোলিংয়ে আনা হয়নি হাসানকে।
নিজের তৃতীয় ওভার করতে এসে ৯ রান দেন তিনি। ওভারে চতুর্থ বলে তাকে বাউন্ডারি মারেন আফগানিস্তানের ইব্রাহিম জাদরান।
ইনিংসের শেষ ওভারে সাকিবের মুখোমুখি হন হাসান। তার বিপক্ষে প্রথম বলে সিঙ্গল নেন সাকিব। পরে ফ্রি হিট ডেলিভারিতে মারেন চার। বলটি খারাপ ছিল না, হাসানের বাউন্সার ঠিকমতো খেলতে পারেননি সাকিব। ডিপ ফাইন লেগ ফিল্ডার অপেক্ষায় ছিল বলের, কিন্তু বল তার সামনে পড়ে দিক বদলে বাউন্ডারিতে যায়। ওভারের শেষ তিন বলে দুটি ডাবলস ও একটি সিঙ্গল নেন সাকিব।
রান তাড়ায় শুরুটা একদমই ভালো হয়নি কলম্বোর। পাওয়ার প্লেতেই তিন উইকেট হারিয়ে ফেলে তারা।
সপ্তম ওভারে সাকিবকে আক্রমণে আনে জাফনা। কোনো বাউন্ডারি হজম না করে ৭ রান দেন বাঁহাতি স্পিনিং অলরাউন্ডার।
নিজের পরের ওভারের প্রথম বলেই দলকে সাফল্য এনে দেন তিনি। ঝুলিয়ে দেওয়া ফুল লেংথ ডেলিভারি উড়িয়ে মেরে লং অনে ধরা পড়েন অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যান বেন ম্যাকডারমট।
ওই ওভারের তৃতীয় ডেলিভারিতে ওভারথ্রো থেকে চারসহ আসে পাঁচ রান। ডিপ মিডউইকেট থেকে করা ফিল্ডারের থ্রো স্টাম্পে লেগে বাউন্ডারিতে যায়। আর শেষ বলে একটি চার হজম করেন সাকিব। ১২ রান দিয়ে ওভার শেষ করেন তিনি। এরপর আর বোলিংয়ে আনা হয়নি তাকে।