মিরপুরে পুলিশের গাড়িতে আগুন
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গেছে ফায়ার সার্ভিসের পল্লবী স্টেশনের একটি দল।
রাজধানীর মিরপুরে আন্দোলনরত পোশাক শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের মধ্যে বাহিনীর একটি পিকআপে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে।
রোববার দুপুর ১২টার দিকে পূরবী সিনেমা হলের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
পল্লবী থানার ওসি জালাল উদ্দিন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, মিরপুর ১১ নম্বরে পুলিশের গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়েছে।
আগুন লাগার খবর পেয়ে পল্লবী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের একটি দল ঘটনাস্থলে গেছে।
ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ার ইসলাম দোলন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, খবর পেয়ে পল্লবী স্টেশনের একটি দল ঘটনাস্থলে গেছে।
মাসিক ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করাসহ বিভিন্ন দাবিতে রোববার সকাল থেকে মিরপুরের বিভিন্ন পোশাক কারখানার শ্রমিকরা বিক্ষোভ শুরু করেন। একপর্যায়ে তারা মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বর অবরোধ করেন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ শ্রমিকদের লাঠিপেটা ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। পরে মিরপুর-১০ এলাকা থেকে শ্রমিকরা সরে গেলেও যান চলাচল স্বাভাবিক হয়নি।
পুলিশের মিরপুর বিভাগের উপ-কমিশনার আবু নাসের রিকাবদার দুপুর ১২টার দিকে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “এখনও সংঘর্ষ চলছে। আমরা তাদের ডিসপার্স করছি। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।”
এর আগে শনিবারও মিরপুরের একাধিক এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন শ্রমিকরা। মিরপুর-১০, মিরপুর-১১, মিরপুর-১২ ও প্রশিকা মোড় এলাকায় তাদের আন্দোলনের কারণে যান চলাচল ব্যাহত হয়।
তার একদিন আগে বৃহস্পতিবার মিরপুরের বিভিন্ন এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান পোশাক শ্রমিকরা। ওই দিন সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বরে কয়েকশ শ্রমিক সড়কে নামেন।
পরে তারা সেখান থেকে সরে গেলেও একই দাবিতে পূরবী সিনেমা হলের সামনে মেট্রোরেলের ১১ নম্বর স্টেশন এলাকায় আবার সড়ক অবরোধ করেন। দুই দফায় প্রায় ছয় ঘণ্টা সড়ক অবরোধের পর বিকালে শ্রমিকরা সরে গেলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে বেশ কিছুদিন ধরেই আন্দোলন করে আসছেন পোশাক শ্রমিকরা। এর মধ্যে রোববার পোশাক শ্রমিকদের জন্য মজুরি বোর্ড গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী আরিফ।
