Published : 09 Sep 2025, 01:13 AM
জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন শতভাগ নিশ্চিত করতে `জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন' শক্তিশালী করা জরুরি বলে এক কর্মশালায় অভিমত উঠে এসেছে।
সোমবার ঢাকার একটি হোটেলে ‘বাংলাদেশে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন: অগ্রগতি, প্রতিবন্ধকতা ও করণীয়’ শিরোনামে এ কর্মশলা হয়, যেখানে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেন।
গ্লোবাল হেলথ অ্যাডভোকেসি ইনকিউবেটরের (জিএইচএআই) সহযোগিতায় প্রজ্ঞা (প্রগতির জন্য জ্ঞান) এ কর্মশালার আয়োজন করে।
কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন প্রজ্ঞার কর্মসূচি প্রধান হাসান শাহরিয়ার।
হাসান শাহরিয়ার বলেন, “বর্তমানে দেশে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের হার যথাক্রমে ৫০ শতাংশ এবং ৪৭ শতাংশ। অথচ বৈশ্বিক জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের গড় হার ৭৭ শতাংশ এবং ৭৪ শতাংশ।”
বাংলাদেশ সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে শতভাগ জন্ম এবং মৃত্যু নিবন্ধন নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারবদ্ধ হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, “জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন, ২০০৪ সংশোধন করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে আইনগতভাবে নিবন্ধনের দায়িত্ব দেওয়া হলে এই লক্ষ্য অর্জন সহজ হবে।”
কর্মশালায় আলোচক হিসেবে ভাইটাল স্ট্র্যাটেজিসের কান্ট্রি কো-অর্ডিনেটর মো. নজরুল ইসলাম বলেন, “জন্ম এবং মৃত্যু নিবন্ধনের বিষয়ে সাধারণ মানুষের সচেতনতার অভাব রয়েছে। জনবল সংকট, প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা, নিবন্ধন প্রক্রিয়ার জটিলতা ও স্বাস্থ্যখাতের সঙ্গে দুর্বল সমন্বয় আইন বাস্তবায়নের পথে বড় অন্তরায়।”
জিএইচএআই বাংলাদেশ কান্ট্রি লিড মুহাম্মাদ রূহুল কুদ্দুস বলেন, “২০৩০ সালের মধ্যে শতভাগ জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হলে দ্রুত আইন সংশোধন করে স্বাস্থ্যসেবার কেন্দ্রগুলোকে আইনিভাবে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের দায়িত্ব দেওয়াটা জরুরি।”
কর্মশালায় আলোচক হিসেবে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ভাইটাল স্ট্র্যাটেজিসের কান্ট্রি কো-অর্ডিনেটর মো. নজরুল ইসলাম, অ্যান্টি টোব্যাকো মিডিয়া অ্যালায়েন্স-আত্মার কনভেনর মর্তুজা হায়দার, কো-কনভেনর নাদিরা কিরণ ও প্রজ্ঞার নির্বাহী পরিচালক এবিএম জুবায়ের।
কর্মশালার মুক্ত আলোচনা পর্বটি সঞ্চালনা করেন চ্যানেল আইয়ের প্রধান বার্তা সম্পাদক মীর মাসরুর জামান এবং বিষয়ভিত্তিক তথ্য তুলে ধরেন প্রজ্ঞার কোঅর্ডিনেটর মাশিয়াত আবেদিন।