Published : 14 May 2026, 12:42 AM
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলভিত্তিক নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব জমা দেওয়ার সময় শেষ হয়েছে বুধবার।
চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপিসহ নিবন্ধিত ৫০টি দল অংশ নিলেও এ পর্যন্ত নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা দিয়েছে ২৫টি দল।
ইসি সচিব আখতার আহমেদের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার পর্যন্ত বড় দলগুলোর মধ্যে জামায়াত ও জাতীয় পার্টি তাদের ব্যয়ের হিসাব জমা দিয়েছে। তবে ক্ষমতাসীন বিএনপি, জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের সদস্য এনসিপিসহ ২৫টি দলের ব্যয়ের হিসাব এখনো জমা পড়েনি।
১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠানের পর ১৩ ফেব্রুয়ারি নির্বাচিতদের গেজেট প্রকাশ করে ইসি। ভোট অনুষ্ঠানের পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচনের ব্যয় বিবরণী জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
তবে ইসি সচিব বলছেন, “ভোটের ব্যয় জমা দেওয়ার ৯০ দিন পার হলেও, নির্বাচন কমিশন আরও এক মাস সময় দিতে পারেন। বিষয়টি কমিশনে উপস্থাপন করা হবে।
“ইতোমধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নির্বাচনি ব্যয় জমার সময় এক মাস বাড়িয়েছে ইসি।”
জাতীয় নির্বাচন সংক্রান্ত আইন গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে বলা আছে, প্রার্থী মনোনীতকারী প্রতিটি রাজনৈতিক দলকে, সব নির্বাচনি এলাকায় নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে কমিশনের কাছে ব্যয়ের বিবরণী জমা দিতে হবে।
কোনো দল এ সময়ের মধ্যে তাদের জমা দিতে ব্যর্থ হলে ইসি ওই দলকে ত্রিশ দিনের মধ্যে বিবরণীটি জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়ে সতর্কতামূলক নোটিস জারি করবে। যদি সংশ্লিষ্ট নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল ওই সময়ের মধ্যেও তা জমা দিতে ব্যর্থ হয়, তাহলে কমিশন ১০ হাজার টাকা জরিমানা সাপেক্ষে আরো ১৫ দিন সময় দিতে পারবে।
যদি সেই বর্ধিত সময়ের মধ্যেও বিবরণী জমা দিতে ব্যর্থ হয়, তাহলে কমিশন ওই দলের নিবন্ধন বাতিল করতে পারবে।