Published : 13 Jul 2026, 09:18 PM
জাতীয় সংসদ ভবনের মসজিদসহ বিভিন্ন স্থানে ছাদ চুইয়ে বৃষ্টির পানি পড়ার বিষয়টি সংসদে তুলেছেন সরকারদলীয় হুইপ জি কে গউছ।
তার এ তথ্যের পর ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল বলেন, সংসদ ভবন এলাকায় তার নিজের বাসার ছাদ দিয়েও পানি পড়ে। রাতে ঘুমাতে গেলে পানি ধরতে বাটি রাখতে হয়।
সোমবার সংসদের বৈঠকে যখন এ নিয়ে আলোচনা হয়, তখন অধিবেশনে সভাপতিত্ব করছিলেন ডেপুটি স্পিকার।
হবিগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির সংসদ সদস্য জি কে গউছ বলেন, সংসদের অধিবেশন কক্ষের ওপরের তলায় থাকা মসজিদে সংসদ সদস্যসহ অনেকে জামাতে নামাজ আদায় করেন। কিন্তু ছাদ চুইয়ে পানি পড়ায় সেখানে বালতি রাখতে হচ্ছে।
গত ১৭ বছরে সংসদে নাচ, গান ও কবিতা আবৃত্তিসহ নানা কিছু হওয়ার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “মসজিদের সামনে সারিবদ্ধভাবে বালতি রাখা হয়েছে। আকাশ থেকে পানি প্রতিদিন এই সংসদে প্রবেশ করে। শুধু বাইরে নয়, মসজিদের ভেতরেও একই অবস্থা।”
সংসদের চলতি অধিবেশনে নয় লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার জাতীয় বাজেট অনুমোদনের কথা তুলে ধরে হুইপ গউছ সংসদ ভবনের মসজিদে পানি পড়া বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।
তার বক্তব্যের পর ডেপুটি স্পিকার বলেন, সংসদ ভবনের ছাদ দিয়ে পানি পড়ার বিষয়টি তারাও জেনেছেন।
নিজের বাসার পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, “কষ্টের কথা কাকে বলব, আমি আমার নিজের ঘরে ঘুমাইতে গেলে ছাদের এখানে বাটি দিয়ে রাখি পানি পড়ে, আমার নিজের বাড়িতেও।”
এরপর চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বলেন, সংসদ ভবনের ছাদ দিয়ে পানি পড়ার বিষয়টি গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন।
রোববার এ নিয়ে মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা হওয়ার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ভবনের যেসব জায়গা দিয়ে পানি পড়ছে, সেগুলো মেরামতের কার্যক্রমও শুরু করেছে মন্ত্রণালয়।
এক সপ্তাহের মধ্যে সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা প্রকাশ করেন চিফ হুইপ।
এরপর ডেপুটি স্পিকার সংসদে উপস্থিত গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহেরের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
সংসদ সদস্যদের বাসভবনেও বৃষ্টির পানি পড়ার কথা তুলে ধরে এ বিষয়ে মন্ত্রীর বক্তব্য চান তিনি।
জবাবে গণপূর্তমন্ত্রী বলেন, সমস্যা সমাধানে সর্বাত্মক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং খুব শিগগির এর প্রতিকার হবে।