যে কারণে রাজধানীতে হঠাৎ বৃষ্টি
“বৃষ্টির পর টেম্পারেচার কিছুটা কমবে। এরপর আবার কিছুটা বাড়তে পারে। ধীরে-ধীরে শীতের আবহ আসবে।”
কার্তিকের মাঝামাঝি সময়ে দেশের উত্তরাঞ্চলে মৃদু শীতের অনুভূতি হলেও গরমের অস্বস্তি পিছু ছাড়ছিল না রাজধানীবাসীর।
তবে, মঙ্গলবার সন্ধ্যার পরপরই রাজধানীতে কিছুটা হিমেল বাতাস বইতে শুরু করে; কিছুক্ষণ পর কোথাও কোথাও শুরু হয় বৃষ্টিও।
আবহাওয়াবিদ শাহীনুল ইসলাম রাতে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “এই বৃষ্টি মৌসুমের স্বাভাবিক বৃষ্টি। যা অভ্যন্তরীণ মেঘ থেকে সৃষ্টি হয়ে বৃষ্টি আকারে ঝরছে।”
এই বৃষ্টি শীতের আবহ নিয়ে আসবে কি না জানতে চাইরে তিনি বলেন, “বৃষ্টির পর টেম্পারেচার কিছুটা কমবে। এরপর আবার কিছুটা বাড়তে পারে। ধীরে-ধীরে শীতের আবহ আসবে।”
এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তরের মঙ্গলবার সন্ধ্যার নিয়মিত বুলেটিনে বলা হয়েছে, মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপটি দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। লঘুচাপের বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।
এর প্রভাবে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে৷
সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে।
অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, ভোরের দিকে সারাদেশের নদী অববাহিকার কোথাও-কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে৷
গেল ২৪ ঘণ্টায় ফেনী, সীতাকুণ্ড, কুতুবদিয়া, চট্টগ্রামের আমবাগানে দেশের সর্বোচ্চ ৩৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা নথিবদ্ধ করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
এই সময়ে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
