বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন ও সরকারি ক্রয় অধ্যাদেশ আইনে পরিণত হচ্ছে
সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পে জনসাধারণের যোগদানের সুযোগ রেখে দুই সপ্তাহ আগে এই অধ্যাদেশ জারি করে সরকার।
বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন এবং সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত অধ্যাদেশকে আইনে পরিণত করতে প্রণীত আইনের খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে সরকার।
সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।
বৈঠক শেষে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, “বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন আইন, ২০২৬-এর খসড়ায় নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন কার্যক্রমের দ্রুত বিস্তার নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ অধ্যাদেশ, ২০২৬ ইতোমধ্যে জারি করা হয়েছে।”
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদের (১) দফার অধীনে প্রণীত ও জারি করা অধ্যাদেশ ওই অনুচ্ছেদের (২) দফা অনুযায়ী জাতীয় সংসদের প্রথম বৈঠকে উপস্থাপনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
এ কারণে অধ্যাদেশটিকে আইনে পরিণত করার উদ্দেশ্যে ‘বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন আইন, ২০২৬’-এর খসড়া মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়।
তিনি বলেন, “বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন আইন অনুযায়ী এটি লেজিসলেটিভ ভেটিং সাপেক্ষে কেবিনেটে অনুমোদন হচ্ছে। এরপর এটি সংসদে যাবে।”
সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পে জনসাধারণের যোগদানের সুযোগ রেখে অধ্যাদেশ জারির প্রস্তাবে গত ১৮ অক্টোবর সায় দেয় মন্ত্রিসভা। পরদিন তা অধ্যাদেশ আকারে জারি করা হয়। এখন তা আইনে পরিণত করার উদ্যোগ নেওয়া হল।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, সরকারি ক্রয় ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, সম-আচরণ ও অবাধ প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করতে ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ গত ২১ সেপ্টেম্বর জারি করা হয়। অধ্যাদেশটি আইনে রূপান্তরের লক্ষ্যে ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (দ্বিতীয় সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া তৈরি করা হয়েছে। এখন এটিও সংসদে বিল আকারে পাস হবে।
নতুন সংশোধনীতে দেশীয় শিল্পের স্বার্থ সুরক্ষা, নতুন ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা, নারী ও সুযোগবঞ্চিত দরপত্রদাতাদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা, উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতির আধুনিকায়ন এবং সরকারি জরুরি প্রয়োজনে বিকল্প ক্রয় ব্যবস্থার বিধান রাখা হয়েছে।
