২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

হামলার ‘চক্রান্ত’, বেঙ্গালুরুতে ৫ সন্দেহভাজন সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার

পুলিশ জুনায়েদ নামের আরেক সন্দেহভাজনকে খুঁজছে। সে গ্রেপ্তার পাঁচজনকে অস্ত্র ও বিস্ফোরক সরবরাহ করেছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।

নিউজ ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 19 Jul 2023, 04:58 PM

Updated : 19 Jul 2023, 04:57 PM

কর্নাটক রাজ্যের রাজধানীতে সন্ত্রাসী হামলা চালানোর পরিকল্পনা করার অভিযোগে সন্দেহভাজন পাঁচ সন্ত্রাসীকে বেঙ্গালুরু থেকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় ক্রাইম ব্রাঞ্চ (সিসিবি) ।

বুধবার পুলিশ জানিয়েছে, তারা জুনায়েদ নামের আরেক সন্দেহভাজনকে খুঁজছে, সে বেঙ্গালুরুর আরটি নগরের বাসিন্দা। তবে সে এখন কোথায় আছে তা তাদের জানা নেই।

জুনায়েদ বিদেশে পালিয়ে গেছে বলে ধারণা তাদের। সে গ্রেপ্তার পাঁচজনকে অস্ত্র ও বিস্ফোরক সরবরাহের মূল হোতা ছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।

ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, গ্রেপ্তার সুহাইল, ওমর, জাহিদ, মুদাসির ও ফয়সাল বেঙ্গালুরুর বাসিন্দা। তাদের সবার বয়স ২৫ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে। ২০১৭ সালেও এরা সবাই গ্রেপ্তার হয়েছিলেন, তখন একটি খুনের ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৮ মাস কারাগারে ছিলেন। পরে ২০১৯ সালে তারা মুক্তি পান।

তাদের কাছ থেকে বিস্ফোরক পদার্থ উদ্ধার করেছে সিসিবি। তাদের কাছে বন্দুক ও ছুরিও ছিল।

জিজ্ঞাসাবাদকালে সন্দেহভাজনরা জানিয়েছে, সন্ত্রাসের অভিযোগে অভিযুক্ত হয়ে বেঙ্গালুরুর কেন্দ্রীয় কারাগারে থাকা টি নাজিরের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ ছিল।

নাজিরই কারাগারে থাকাকালে তাদের উগ্রপন্থিতে পরিণত করেছেন বলে বেঙ্গালুরুর পুলিশ কমিশনার দয়ানন্দ বি জানিয়েছেন।

তিনি আরও জানান, নাজির ও বিদেশে পালিয়ে যাওয়া আরেকজন ২০১৭-র ওই খুনের ঘটনার অংশ ছিলেন। নাজিরের বিদেশে থাকা সঙ্গীই সন্ত্রাসী তৎপরতা চালানো জন্য গ্রেপ্তারদের অস্ত্র সরবরাহ করেছিলেন।

জুনায়েদকে খুঁজে বের করতে বেঙ্গালুরু পুলিশ কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন এই ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা।

কর্নাটকে কারাগারের ভেতরে বন্দিদের উগ্রপন্থায় দীক্ষিত করার এই অভিযোগে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এই সংশোধনাগারগুলো সন্ত্রাসীদের উৎপাদন ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে বলে মনে করছেন অনেকে।

২০০৮ সালে বেঙ্গালুরুতে হওয়া ধারাবাহিক বিস্ফোরণ ঘটনায় নাজির অভিযুক্ত। গত বছর মেঙ্গালুরুতে কুকার বিস্ফোরণের ঘটনায় আরেক অভিযুক্ত মোহাম্মদ শাকির বেলাগাভি কারাগারে উগ্রপন্থায় দীক্ষিত হয়েছিলেন বলে মনে করা হয়। কারগারে তাকে যে ব্যক্তি উগ্রপন্থার দীক্ষা দিয়েছিলেন তিনি হায়দ্রাবাদ বোমা বিস্ফোরণ মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে সেখানে আছেন।