Published : 22 Jun 2026, 11:32 PM
কাতারের রাস লাফান শিল্প নাগরীতে এলএনজি কারখানায় বিস্ফোরণে ১৩ জনের প্রাণ গেছে। আহত হয়েছেন ৬৬ জন, যার মধ্যে বাংলাদেশিও রয়েছেন।
কতজন বাংলাদেশি আহত হয়েছেন, সেটি এখনো নিশ্চিত নয়।
আহতদের চিকিৎসা চলার কথা তুলে ধরে কাতার এনার্জি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কারো অবস্থা ‘গুরুতর’ বা ‘আশঙ্কাজনক নয়’।
রোববার সন্ধ্যায় রাস লাফানে স্থানীয় বারজান গ্যাস সরবরাহ স্থাপনায় বিস্ফোরণের এ ঘটনা ঘটে। জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের প্রয়োজনে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর থেকে প্ল্যান্টের উৎপাদন বন্ধ রাখা হয়েছিল। দুদিন আগে সেটি প্রথমবারের মত পুনরায় চালু করা হয়।
বিস্ফোরণের ঘটনায় নিহতদের সবাই ভারত ও পাকিস্তানের নাগরিক।
কাতারের জ্বালানিমন্ত্রী সাদ আল কাবি সোমবার বলেন, এটি একটি দুর্ঘটনা। কোনো নাশকতা বা শত্রুতা সংক্রান্ত কোনো ঘটনায় বিস্ফোরণ হয়নি।
বিস্ফোরণের ফলে পরিবেশের ঝুঁকি নেই এবং রপ্তানি কার্যক্রমও ব্যাহত হয়নি বলে কাতার এনার্জি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। ঘটনা তদন্তে অনুসন্ধান চলার কথা জানিয়েছেন মন্ত্রী।
কাতারের রাজধানী দোহা থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার (৫০ মাইল) উত্তরে অবস্থিত রাস লাফান শিল্প নগরী বিশ্বের বৃহত্তম এলএনজি রপ্তানি কেন্দ্র, যা বৈশ্বিক সরবরাহের প্রায় এক পঞ্চমাংশ উৎপাদন করে।
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার লক্ষ্যবস্তু হওয়ায় এই শিল্প কেন্দ্রটি গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল বলে এর আগে মার্চ মাসে কাতার সরকার জানিয়েছিল।