Published : 29 Jan 2026, 03:58 PM
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ফার্সি ভাষার একাউন্টে বলা হয়েছে, ইরানের নিহত সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের শোকাহত পরিবারগুলো চাপ দিয়ে ‘মৃতরা ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের সমর্থক ছিলেন এমন মিথ্যা স্বীকারোক্তিতে’ সই দিতে বাধ্য করা হচ্ছে, অন্যথায় ‘মৃতদেহ ফেরত না দিয়ে পুড়িয়ে ফেলা হতে পারে’ বলে হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
আল জাজিরা জানিয়েছে, সামাজিক মাধ্যম এক্স এ প্রকাশিত ওই বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “ইরানের সরকার দেশটির অর্থনীতি ধ্বংস করে দিয়েছে, এর ফলে জনগণ তাদের মৌলিক চাহিদা পূরণ করতে পারছে না; যে বিভিন্ন কারণে ইরানের জনগণ প্রতিবাদ করছে এটি তার অন্যতম।”
এতে আরও দাবি করা হয়, “দেশটির ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের শাসকরা তখন প্রতিবাদ ও তাদের মতামত প্রকাশ করার জন্য বহু নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করে। এখন শোকাহত পরিবারগুলো, যারা অর্থনৈতিক কষ্টের শিকার, তাদের প্রিয়জনের মৃতদেহ ফেরত পেতে ও তাদের কবর দিতে অর্থ ধার করতে বাধ্য হচ্ছে।
“ইসলামিক প্রজাতন্ত্রটির শাসকরা ইরানিদের দুর্দশাকে নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য ব্যবহার করছে যা ঘৃণ্য ও অমানবিক। ইসলামিক প্রজাতন্ত্রটির শাসকরা ইরানি নাগরিকদের সঙ্গে চরম বর্বর ব্যবহার করছে, তাদের প্রিয়জনদের মৃতদেহ পাওয়ার জন্য পরিবারগুলোকে অসম্ভব সব দাবি সহ্য করতে হচ্ছে। এই বর্বরতার কোনো সীমা নেই।”
পারমাণবিক চুক্তি না করলে ইরানে 'আরও ভয়াবহ' হামলার হুমকি ট্রাম্পের
বুধবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, “আশা করি ইরান দ্রুত আলোচনার টেবিলে আসবে এবং ‘পারমাণবিক অস্ত্র নয়’ সংক্রান্ত একটি ষুষ্ঠু ও ন্যায়সঙ্গত চুক্তি করবে, যা সব পক্ষের জন্য মঙ্গলজনক হবে। সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে, প্রতিটি মুহূর্ত এখন মূল্যবান!”
ইরান আলোচনার টেবিলে বসে চুক্তি না করলে দেশটিতে পরবর্তী হামলা ‘আরও ভয়াবহ’ হবে বলে হুমকি দিয়েছেন তিনি।
এর প্রতিক্রিয়ায় ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী যুক্তরাষ্ট্রের যে কোনো সম্ভাব্য আক্রমণের ‘তাৎক্ষণিক ও প্রবল’ জবাব দিতে প্রস্তুত আছে।