Published : 17 Apr 2026, 01:44 AM
অনেকেই মজা করে বলে আসছিলেন যে, ইরান যুদ্ধের ব্যর্থতা ঢাকতে হোয়াইট হাউজ হয়ত এপস্টেইন ফাইলকে সামনে নিয়ে আসবে।
মানুষের নজর ঘোরানোর এই কৌশল অবশ্য দৃশ্যমান হতে শুরু করেছে। গেল সপ্তাহে ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প কোনো ধরনের প্রাসঙ্গিকতা ছাড়াই বিষয়টি সামনে আনেন।
তিনি মূলত নিজেকে কেলেঙ্কারি থেকে দূরে রাখতেই এ বিষয়ে আলাপ তুলেছেন। কিন্তু তার সূত্র ধরে বিষয়টি আবার আলোচনা কেন্দ্রে চলে এসেছে।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম দ্য আটলান্টিক লিখেছে, একদিকে যখন এই আলাপ উঠছে, সেই সময় ইরান যুদ্ধ নিয়ে শান্তি আলোচনা চলছে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে।
হরমুজ প্রণালি এখনও তেহরানের নিয়ন্ত্রণে। এর মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প স্পর্শকাতর এই নৌপথে অবরোধ শুরু করেছেন, যার প্রভাবে বিশ্ব বাজারে তেলের দাম বেড়ে গেছে আরো।
সবকিছু মিলিয়ে ট্রাম্পের জনসমর্থন ক্রমাগত কমছে। রিপাবলিকানরা আশঙ্কা করছেন, নভেম্বরে কংগ্রেসের উভয় কক্ষই তাদের হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে।
এমন শঙ্কা তৈরি হওয়ার আরো কিছু কারণ রয়েছে। যেমন, হাঙ্গেরির নির্বাচনে পরাজিত প্রার্থী ভিক্টর অরবানকে সমর্থন জানাতে গিয়ে ট্রাম্প ভূরাজনৈতিক পুঁজি অনেকটাই নষ্ট করেছেন। এছাড়া বিশ্বের বৃহত্তম দুটি ধর্মের অনুসারীদের তিনি ক্ষুব্ধ করে তুলেছেন।
ট্রাম্প দীর্ঘ দিন ধরে ভয় ধরানোর রাজনীতি করে আসছেন। তিনি একদিকে রিপাবলিকানদের কাছ থেকে নিঃশর্ত আনুগত্য দাবি করেন; অন্যদিকে বিশ্বনেতাদের ওপর প্রভাব খাটাতে চান।

আটলান্টিকের বিশ্লেষণ বলছে, রাজনৈতিক ব্যর্থতা থেকে কীভাবে পালানো যায়, সে ব্যাপারে ট্রাম্প বেশ দক্ষ। কিন্তু এবার তিনি এমন এমন সংকটে জড়িয়েছেন, যেগুলো থেকে বেরনোর স্পষ্ট কোনো পথ নেই।
এর মধ্যে ইরান যুদ্ধ ছিল ট্রাম্পের নিজের বেছে নেওয়া একটি সংঘাত। যদিও এই যুদ্ধ তার প্রত্যাশিত পথে এগোয়নি।
ট্রাম্প ভেবেছিলেন, এই যুদ্ধ হবে ভেনেজুয়েলার নিকোলাস মাদুরোকে সরিয়ে দেওয়ার মতো; কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ইরান তার নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে। কিন্তু দেড় মাস পরে এসে ইরান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ঠিকই, কিন্তু গদি থেকে দেশটির শাসক গোষ্ঠীকে এতটুকু টলানো যায়নি।
বিশ্বের ২০ শতাংশ তেল পরিবহন হওয়া হরমুজ প্রণালি এখনও তেহরানের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তারা এটিকে অর্থনৈতিক চাপ তৈরির হাতিয়ার বানিয়েছে।
ট্রাম্প এটি খুলে দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছেন। কথা না শুনলে ইরানের পুরো সভ্যতা ধ্বংস করার হুমকিও দিয়ে রেখেছেন তিনি। কিন্তু তেহরানকে ভয় দেখানোর কৌশল কোনো কাজে দেয়নি।
অনেকে মনে করেন, বছরের প্রথমদিকে ভেনেজুয়েলায় চালানো মার্কিন অভিযান ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির গতিপথ বদলে দিয়েছে।
২০২৫ সালের শেষের কয়েক মাস ট্রাম্পের গ্রহণযোগ্যতা বেশ কমে যায়। বেশ কয়েকটি নির্বাচনে হেরে যায় তার দল।
অনেকের চোখে, মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগেই তিনি জনপ্রিয়তা হারাতে বসেছিলেন। কিন্তু কারাকাসে সামরিক অভিযান সেই পরিস্থিতি সামাল দেয় বলে মনে করেন হোয়াইট হাউসের অনেক কর্মকর্তা।
আটলান্টিক লিখেছে, কারাকাসে অভিযানের পরেই মার্কিন সামরিক শক্তির ওপর ট্রাম্পের নির্ভরতা বেড়ে যায়। তিনি ইরানের পাশাপাশি গ্রিনল্যান্ড ও কিউবাকে বশে আনার পথে হাঁটা শুরু করেন।
গত দেড় মাসের যুদ্ধে মার্কিন বাহিনী ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অনেকটাই দুর্বল করে দিয়েছে। তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডারও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ইসরায়েলকে সঙ্গে নিয়ে তারা ইরানের সর্বোচ্চ নেতা ও দেশটির অনেক শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাকে হত্যা করেছে। কিন্তু ইরান এখনো আত্মসমর্পণ করেনি।
ইরানের সরকারবিরোধীদের যে সক্ষমতা, ট্রাম্প সেটাকে অতিরঞ্জিত করে দেখেছিলেন। ক্ষমতা ধরে রাখতে ইরানের শাসক গোষ্ঠী কতটা আঘাত সইতে পারে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট সেটাও বুঝতে পারেননি।
তেহরান এখনো উপসাগরীয় প্রতিবেশীদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করার সক্ষমতা রাখে। এছাড়া নিজেদের নৌবাহিনী ধ্বংস হলেও তারা মাইন স্থাপন, বিক্ষিপ্ত হামলা ও ড্রোন সক্ষমতার মাধ্যমে হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখতে পেরেছে। আর হরমুজ বন্ধ থাকায় বিশ্বজুড়ে চড়ে গেছে জ্বালানি তেলের দাম।
বিশ্লেষকরা বলছেন, হরমুজ প্রণালির ক্ষেত্রেই মূলত ট্রাম্পের ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা দৃশ্যমান হয়। তিনি অনেক দেশকে জোর করে হরমুজ প্রণালি পার হতে বলেছিলেন। কিন্তু তাতে কেউ সাড়া দেয়নি।
আবার হরমুজ সচল করতে তিনি ইউরোপের দেশগুলোর সহায়তা চান। কিন্তু তাতেও সাড়া মেলেনি।
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বাধানোর আগে ট্রাম্প ইউরোপের সঙ্গে পরামর্শ করেননি। উল্টো, যুদ্ধ শুরুর কয়েক সপ্তাহ আগে তিনি গ্রিনল্যান্ড দখলে নেওয়ার ঘোষণা দেন। এ ঘোষণা নিয়ে ইউরোপের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয় যুক্তরাষ্ট্রের।
যুক্তরাষ্ট্রেও কিছু রিপাবলিকান ইরান যুদ্ধে ‘না’ বলতে শুরু করেছেন। এ তালিকায় টাকার কার্লসন, স্টিভেন ব্যানন, মেগিন কেলির মতো নেতারা আছেন।
তারা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ বাধানোর মাধ্যমে ট্রাম্প ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছেন।
আবার অনিচ্ছাসত্ত্বেও যুদ্ধে সমর্থন জানানো কোনো কোনো রিপাবলিকান বলেছেন, ইরানে স্থল অভিযানে গেলে তারা ট্রাম্পের পাশ থেকে সরে দাঁড়াবেন।
জনমত জরিপ বলছে, সাধারণ মার্কিনিরাও ইরানে স্থল অভিযানের ঘোরবিরোধী।

ঘরে-বাইরে বিরোধিতার কারণে ট্রাম্প এখনো স্থল অভিযানের সিদ্ধান্তে যাননি। এরমধ্যে গত শনিবার ইসলামাবাদে সরাসরি শান্তি আলোচনায় বসেন মার্কিন ও ইরানি কর্মকর্তারা। তবে কোনো সমঝোতা ছাড়াই সে আলোচনা শেষ হয়। এরপর সোমবার থেকে হরমুজ প্রণালিতে অবরোধ শুরু করে মার্কিন বাহিনী।
ট্রাম্পের পরিকল্পনা হলো, এর মাধ্যমে ইরানের ওপর চাপ সৃষ্টি করা, যেন তারা হরমুজ প্রণালি খুলে দেয় এবং আলোচনার টেবিলে যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত মেনে নেয়। যুক্তরাষ্ট্রের পাশে দাঁড়াতে ইউরোপের ওপর চাপ সৃষ্টি করাও ট্রাম্পের এই অবরোধের একটা উদ্দেশ্য।
অনেক রিপাবলিকান মনে করেন, প্রতিনিধি পরিষদ তাদের পক্ষে ধরে রাখাটা হয়ত সম্ভব হবে না। কারণ ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে তাদের ব্যবধান সামান্য। এছাড়া মধ্যবর্তী নির্বাচনে সাধারণত ক্ষমতার বাইরে থাকা দলই ভালো করে।
অন্যদিকে সেনেট নিয়ে ইরান যুদ্ধের আগে রিপাবলিকানরা অনেকটা নির্ভারই ছিলেন। কিন্তু এখন সেটি নিয়েও শঙ্কা তৈরি হয়েছে। ডেমোক্র্যাটরা এখন নর্থ ক্যারোলাইনা, মেইন, এমনকি ওহাইও, আইওয়া ও আলাস্কাতেও জয়ের সুযোগ দেখছে।
রিপাবলিকানদের জনসমর্থন কমছে। কিন্তু ইরান যুদ্ধ কেন প্রয়োজন ছিল, তার গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা এখনো ট্রাম্প দাঁড় করাতে পারেননি; যুদ্ধের ইতিও টানতে পারেননি। আর যুদ্ধ শিগগির শেষ হলেও অর্থনৈতিক প্রভাব কয়েক মাস থেকে যাবে।
যুদ্ধ শুরুর আগে অর্থনীতি জোরদারের পরিকল্পনার কথা শুনিয়েছিল ট্রাম্প প্রশাসন। কিন্তু এখন পর্যন্ত ভালো কোনো খবর তারা মার্কিনিদের শোনাতে পারেনি।
হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লিভিট অবশ্য ইরান যুদ্ধ ও মধ্যবর্তী নির্বাচন— দুই বিষয়েই আত্মবিশ্বাসী।
এক বিবৃতিতে তিনি দ্য আটলান্টিককে বলেন, “এ ধরনের সংঘাত শেষমেশ ফলাফলের ভিত্তিতেই বিচার করা হয়, যেটা কিনা মার্কিনিদের পক্ষেই যাবে। আর নভেম্বরের (মধ্যবর্তী নির্বাচন) আগে এখনও অনেক খেলাই বাকি।”

গত গ্রীষ্মে অর্থনীতি নিয়ে জোর প্রচারের যে পরিকল্পনা ট্রাম্প প্রশাসনের ছিল, তা ভেস্তে যায় এপস্টিন কেলেঙ্কারিতে মার্কিন প্রেসিডেন্টের নাম আসার পরে।
এপস্টিন কেলেঙ্কারি এমন একটি বিষয় হয় দাঁড়ায়, যা রিপাবলিকানরাও ট্রাম্পের সমালোচনা করার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে থাকেন। ইরান যুদ্ধের মাধ্যমে সেই আলোচনা অনেকটাই ঢাকা পড়েছিল। কিন্তু এবার খোদ ফার্স্ট লেডি বিষয়টি সামনে আনলেন।
গত বৃহস্পতিবার মেলানিয়া ট্রাম্প হঠাৎ এক বিবৃতিতে এপস্টিনের সঙ্গে সম্পর্ক থাকার বিষয়টি অস্বীকার করেন।
হোয়াইট হাউসের অনেক কর্মকর্তা দ্য আটলান্টিককে বলেন, তারা মেলানিয়ার এই বিবৃতিতে অবাক হয়েছেন।
প্রেসিডেন্ট নিজেও দাবি করেন, মেলানিয়া যে এ ধরনের বিবৃতি দিতে যাচ্ছেন, সেটা তিনি জানতেন না।
এপস্টেইনের সঙ্গে মেলানিয়ার সম্পৃক্ততার কোনো খবর এখনো সামনে আসেনি। কিন্তু তার আগেই সম্পৃক্ততা অস্বীকার করাকে অনেকে মেলানিয়ার ‘আগাম প্রস্তুতি’ হিসেবে দেখছেন।
এপস্টিনের ভুক্তভোগীদের জন্য কংগ্রেসে প্রকাশ্য শুনানির আহ্বানও জানিয়েছেন ফার্স্ট লেডি। ফলে বিষয়টি শিগগিরই ধামাচাপা পড়ার সম্ভাবনা দেখছেন না বিশ্লেষকরা।
হাঙ্গেরিও প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অরবানের পরাজয়ও ট্রাম্পের জন্য বড় আঘাত।
গত রোববার নির্বাচনের আগ মুহূর্তে বুদাপেস্টে অরবানের পক্ষে প্রচারে অংশ নিয়েছিলেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স।
অরবান ডানপন্থিদের কাছে জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব। যিনি রাষ্ট্রীক্ষমতা ব্যবহার করে হাঙ্গেরির গণমাধ্যম, বিশ্ববিদ্যালয় ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে একচ্ছত্র প্রভাব বিস্তার করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও ন্যাটোকে দুর্বল করতে ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলার অভিযোগও রয়েছে অরবানের বিরুদ্ধে।
অরবানকে জেতাতে ট্রাম্পের চেষ্টার কমতি ছিল না। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বুদাপেস্ট সফর করেছিলেন।
অরবান জিতলে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে হাঙ্গেরি আরো আর্থিক সহায়তা পাবে, এমন ঘোষণাও দিয়ে রেখেছিলেন ট্রাম্প। কিন্তু ভিন্ন সিদ্ধান্ত নেন হাঙ্গেরির ভোটাররা।

পোপের সঙ্গেও বিবাদে জড়িয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। পোপ লিও সাধারণত রাজনৈতিক বিষয়ে খুব একটা মন্তব্য করেন না। কিন্তু কয়েক মাস ধরেই তিনি ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন নীতির সমালোচনায় সরব রয়েছেন। আবার অন্যান্য পোপের মতো তিনিও ইরান যুদ্ধের বিরুদ্ধে কথা বলছেন।
পোপ ও মার্কিন প্রেসিডেন্টদের বিরোধ নতুন কিছু নয়। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের কোটি কোটি ক্যাথলিক নাগরিক ক্ষুব্ধ হতে পারেন, সেই ভয়ে প্রেসিডেন্টরা সাধারণত চুপচাপই থাকেন।
কিন্তু ট্রাম্প অন্যদের মতো নন; তিনি সমালোচনা সহ্য করেন না। গত রোববার তিনি সামাজিক মাধ্যমে পোপকে ‘অপরাধ দমনে দুর্বল‘ এবং ‘উগ্র বামদের তোষণকারী’ হিসেবে মন্তব্য করেন।
পরিস্থিতি আরো খারাপ হয়, যখন ট্রাম্প এআই দিয়ে বানানো একটি ছবি পোস্ট করেন, যেখানে তাকে অসুস্থ এক ব্যক্তিকে সুস্থ করে তোলার ভূমিকা যিশুরূপে দেখানো হয়।
এই ছবি নিয়ে তাৎক্ষণিক ক্ষোভের মুখে পড়েন ট্রাম্প। শেষমেশ তিনি ছবিটি সরিয়ে নেন, সঙ্গে দাবি করেন, ছবিতে ঈশ্বরের পুত্র হিসেবে নয়, তাকে নাকি একজন চিকিৎসক হিসেবে দেখানো হয়েছে।
তবে ট্রাম্প পোপের সমালোচনা করা বন্ধ করেননি। মঙ্গলবার রাতেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোপকে কটাক্ষ করেন তিনি।
আর এসব কটাক্ষের জবাবে পোপ বলেছেন, তিনি ট্রাম্প প্রশাসনকে ‘ভয় পান না’।
তিনি যে ‘একা নন’, সে কথাও স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন পোপ।
আরো পড়ুন
যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ ভেঙে পারস্য উপসাগরে ইরানের দ্বিতীয় সুপারট্যাঙ্কার
হরমুজ প্রণালির ওমান অংশে জাহাজ চলাচলের প্রস্তাব দিল ইরান
ইরান চুক্তিতে রাজি না হলে আবার যুদ্ধ শুরু করতে প্রস্তুত: যুক্তরাষ্ট্র
ইউরোপে শেষ হয়ে আসছে উড়োজাহাজের জ্বালানি, ফ্লাইট বাতিলের আশঙ্কা
তেল রপ্তানি ছাড়াই দুই মাস কাটিয়ে দিতে পারবে ইরান, বলছেন বিশ্লেষকরা
যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো নিয়ে আলোচনা করছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র